ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালের তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার সময় বোঝা গিয়েছিল এবারের ইউএস ওপেন নতুন রাজা পাচ্ছে। যাঁরা আবার কখনো এর আগে কোনো গ্র্যান্ড স্লাম জেতেনি। সেমিফাইনালের তালিকা দেখে সবচেয়ে বেশিবার উচ্চারিত হয়েছে কার্লোস আলকারাজের নাম। আর এই স্প্যানিশ তারকাই হচ্ছেন বছরের শেষ গ্র্যান্ড স্লামের নতুন রাজা। শিরোপা জয়ের সঙ্গে সঙ্গে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষেও উঠেছেন তিনি। যা ৪৯ বছরের টেনিস ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সে।
ফ্ল্যাশিং মিডোসের ফাইনালে নরওয়ের ক্যাসপার রুডকে ৬-৪,২-৬, ৭-৬ (৭-১),৬-৩ গেমে হারিয়েছেন আলকারাজ। এ জয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন স্প্যানিশ তারকা। দুজনেই বর্তমান টেনিস যুগের উঠতি তারকা। দুজনকে বলা হচ্ছে টেনিসের ভবিষ্যৎ তারকাও। আলকারাজ এ বছর মাদ্রিদ মাস্টার্সে দুই কিংবদন্তি রাফায়েল নাদাল ও নোভাক জোকোভিচকে হারিয়ে টেনিস বিশ্বে আলোচনায় এসেছিলেন। তিনি ভবিষ্যতে বিশ্ব টেনিস শাসন করবেন এমনটা বলছেন সাবেক টেনিস কিংবদন্তিরা। শুরুটা করলেন তিনি ইউএস ওপেন দিয়ে। সবচেয়ে কম বয়সে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছেন এই ‘টিনএজ’ তারকা। আলকারাজ এই রেকর্ড গড়ছেন ১৯ বছর ৪ মাস বয়সে। এর আগের রেকর্ডটি ছিল লেলিটন হিউইটের। ২০ বছর ৮ মাস বয়সে রেকর্ডটি গড়েছিলেন এই অস্ট্রেলিয়ান টেনিস তারকা। টেনিসে ১৯৭৩ সালে এটিপি র্যাঙ্কিং পদ্ধতি চালু হয়েছিল।
ক্যারিয়ারের প্রথম ইউএস ওপেন গ্র্যান্ড স্লাম জেতার পর আলকারাজ বলেছেন, ‘এটি এমন কিছু যা আমি ছোটবেলা থেকে স্বপ্ন দেখে আসছি। স্বপ্ন দেখছিলাম একদিন বিশ্বের শীর্ষ খেলোয়াড় ও গ্র্যান্ড স্লামে চ্যাম্পিয়ন হব। এর জন্য আমি কঠিন পরিশ্রম করেছি। এটি সত্যি, সত্যি বিশেষ কিছু।’
অন্যদিকে ২৩ বছর বয়সী রুড এবার দ্বিতীয়বারের মতো কোনো গ্র্যান্ড স্লামের ফাইনালে উঠেছিলেন। কিন্তু দুই বারে তাঁর ভাগ্যের শিকে ছিঁড়ল না। এ বছর ফ্রেঞ্চ ওপেনে নাদালের কাছে হারার পর এবার তাঁরই স্বদেশি আলকারাজের কাছে হারলেন ইউএস ওপেন। ম্যাচ শেষে সর্বোচ্চ ২২টি গ্র্যান্ড স্লামের মালিক নাদালের একাডেমির ছাত্র রুড জানিয়েছেন নিজের খেলার ভুলেই তিনি ম্যাচ হেরেছেন। নরওয়ের টেনিস তারকা বলেছেন, ‘তৃতীয় সেটটি ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে দিয়েছে। প্রতিপক্ষ দুটি সেট পয়েন্টে আক্রমণাত্মক ও দুর্দান্ত খেলেছে। আমি একটি ভয়ংকর টাই-ব্রেক খেলেছি। দুর্ভাগ্যবশত অনেক ভুলও করেছি। মনে হয় সেই সেট পয়েন্টগুলো মাথা থেকে বের করতে না পারাতেই এমনটি হয়েছে। এটা ছিল দুর্ভাগ্যজনক।’

সবশেষ কোয়ার্টার ফাইনাল হবে ১২ জুলাই বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড। মিসরের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ৩–২ ব্যবধানে জিতে শেষ আটে উঠেছে লিওনেল মেসির দল। গোলশূন্য ম্যাচের টাইব্রেকারে কলম্বিয়া
২ ঘণ্টা আগে
টাইব্রেকারে প্রথম শটেই গোল করেন কুইন্তেরো। সুইজারল্যান্ডের হয়ে জবাব দেন গ্রানিত জাকা। এরপর কলম্বিয়ার দাভিনসন সানচেসের শট ক্রসবারে লাগে, আর জেকি আমদুনি গোল করে সুইসদের এগিয়ে দেন। যদিও ম্যানুয়েল আকাঞ্জি নিজের শট বারের ওপর দিয়ে মারায় সমতায় ফেরার সুযোগ পায় কলম্বিয়া। কিন্তু কুচো হার্নান্দেসের শট
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মেসির জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে তাঁর নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। কিন্তু শেষ দিকে অধিনায়কের পা থেকেই আসে সমতাসূচক গোল। এরপর যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন লিখে ফেলে আর্জেন্টিনা।
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচে ২–০ গোলে এগিয়ে থেকেও ১৩ মিনিটে তিন গোল হজম করে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় মিসর। এরপর থেকেই রেফারিং নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করে আসছেন হোসাম হাসান। মাঠের বাইরের এই ঘটনাও সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
৪ ঘণ্টা আগে