বোঝাই যাচ্ছিল, একটা অস্বস্তিতে আছেন। শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল তাঁর। চিকিৎসা বিরতি নিয়ে ইনহেলার সেবন করতেও দেখা গেল। তারপরও তৃতীয় রাউন্ডে সরাসরি সেটে হারিয়ে দিলেন চেক প্রজাতন্ত্রের টমাস ম্যাচাককে।
আগের দুই ম্যাচে অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলায় দুটি সেট ড্রপ করেছিলেন। আর আজ তৃতীয় রাউন্ডে তাঁর প্রতিপক্ষ ছিলেন ২৬তম বাছাই টমাস মাচাখ। কিন্তু এদিনই নিজের সেরা ফর্ম নিয়ে হাজির হলেন জোকোভিচ। ইনহেলার নিয়েও দেখিয়ে দিলেন কেন তিনি জোকোভিচ। একটি সেট ড্রপ করেননি জোকোভিচ। জিতেছেন ৬-১,৬-৪, ৬-৪ গেমে। শেষ ষোলোয় ওঠার লড়াই জিততে জোকোর সময় লাগে ২ ঘণ্টা ২২ মিনিট। এ নিয়ে ১৭ বার অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের চতুর্থ রাউন্ডে উঠলেন জোকোভিচ।
দ্বিতীয় সেট শুরুর আগে শ্বাসকষ্ট নিয়ে বেশ অস্বস্তিতে পড়েন জোকোভিচ। নিতে হয় ইনহেলার। কিন্তু কোনো কিছুই তাঁর জয়যাত্রা আটকে রাখতে পারেনি। উল্টো কোর্টে দেখা দেখালেন কৈশোরীয় চাঞ্চল্য। তৃতীয় রাউন্ডে জয়ের পর বলেই দিলেন, ‘আমি ভালো খেলেছি। এই ফলাফল দেখে একটু অবাকই হয়েছি। ভাবতে পারিনি সরাসরি সেটে জিততে পারব।’ এরপর বললেন নিজের অস্বস্তির কথাও, ‘শারীরিকভাবে আমি ভালো অবস্থায় ছিলাম না। শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। এখন তো আমি আর ১৯ বছর বয়সী নই, প্রায় উনিশের দ্বিগুণের মতো।’
জোকোভিচের জয়ের দিনে বিদায় নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের সাবেক নারী চ্যাম্পিয়ন নাওমি ওসাকা। তৃতীয় রাউন্ডে বেলিন্ডা বেনচিচের বিপক্ষে পেটের পীড়ার কারণে প্রথম সেটের পর কোর্ট ছেড়ে যান জাপানের এই তারকা।

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মেসির জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে তাঁর নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। কিন্তু শেষ দিকে অধিনায়কের পা থেকেই আসে সমতাসূচক গোল। এরপর যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন লিখে ফেলে আর্জেন্টিনা।
১ ঘণ্টা আগে
ম্যাচে ২–০ গোলে এগিয়ে থেকেও ১৩ মিনিটে তিন গোল হজম করে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় মিসর। এরপর থেকেই রেফারিং নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করে আসছেন হোসাম হাসান। মাঠের বাইরের এই ঘটনাও সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর নাটকীয় এক দিনে নতুন করে আলোচনায় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। সুইজারল্যান্ড–কলম্বিয়া ম্যাচ শুরুর আগে কানাডার ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে মিসরের জাতীয় পতাকা হাতে দেখা যায় তাঁকে। মুহূর্তটির ছবি ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা।
২ ঘণ্টা আগে
বয়সও যেন মেসির সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না। ৩৫ বছর বয়সের পর বিশ্বকাপে তাঁর গোলসংখ্যা এখন ১৫, যা আর কোনো ফুটবলারের নেই। শুধু তা-ই নয়, মিসরের বিপক্ষে একই ম্যাচে একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে এই কীর্তি গড়া খেলোয়াড়ও হয়েছেন তিনি। এত দিন রেকর্ডটি ছিল সুইডেন
৩ ঘণ্টা আগে