
ঢাকা: রাফায়েল নাদালের বিপক্ষে সেমিফাইনালের ম্যাচটা নোভাক জোকোভিচের জীবনের সেরা তিন ম্যাচের একটা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানালেন এই সার্বিয়ান তারকা। লাল দুর্গে নাদালকে যেখানে একবারের বেশি কেউ হারাতে পারেননি, সেখানে একমাত্র জোকোভিচই নাদালকে হারের স্বাদ দিলেন দুবার। ইতিহাস গড়া জয়ে তাই অনুভূতিটা একটু বিশেষ হওয়াই তো স্বাভাবিক!
নাদাল তাঁর ক্যারিয়ারের ২০ গ্র্যান্ড স্লামের ১৩টিই জিতেছেন কাদামাটির কোর্টে। গত ফ্রেঞ্চ ওপেনেও জোকোভিচকে হারিয়েই শিরোপা জিতেছিলেন নাদাল। ক্লে কোর্টে এর আগে ১০৮ ম্যাচের দুটিতে হেরেছিলেন নাদাল। কাল ম্যাচেও প্রথম সেট জিতে ক্লে কোর্টে নিজের দাপটের ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। তার পরও নাদালকে জিততে দেননি জোকোভিচ। জয়ের পর দারুণ উচ্ছ্বসিত জোকোভিচ বলেছেন, ‘নিশ্চিতভাবে রোঁলা গারোঁতে খেলা এটা আমার সেরা ম্যাচ। জীবনের সেরা তিন ম্যাচের একটি এই ম্যাচ । কোর্টে আমার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলছিলাম, যিনি কিনা অনেক দিন ধরে নিজের ক্ষমতায় এই জায়গাটা ধরে রেখেছিলেন। এই কোর্টে রাফার সঙ্গে জিততে হলে আপনাকে সেরা খেলাটাই খেলতে হবে এবং আমি সেরাটাই খেলেছি।’
ম্যাচের শুরু থেকে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন জোকোভিচ। তাই প্রথম সেট হারের পর যেমন পরের সেটেই ম্যাচে ফিরেছেন, তেমনি শেষ সেটে প্রথম দুই গেমে হেরেও শেষ পর্যন্ত সেট জিতে জয় নিশ্চিত করেছেন, ‘শুরুতে আমি খুব একটা ভালো করতে পারিনি, তবে বিশ্বাস ছিল আমি বলটা ঠিকঠাক মারতে মারব এবং আমি সেটাই করছিলাম । এটাই আমাকে ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিল। আমার দিক থেকে সার্ভগুলো ভালো হচ্ছিল না এদিন। শেষ সেটে প্রথম দুই গেমে (০-২ ) পিছিয়ে পড়ার পর সার্ভগুলো কাজে দিতে শুরু করে।’

ঢাকা: রাফায়েল নাদালের বিপক্ষে সেমিফাইনালের ম্যাচটা নোভাক জোকোভিচের জীবনের সেরা তিন ম্যাচের একটা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানালেন এই সার্বিয়ান তারকা। লাল দুর্গে নাদালকে যেখানে একবারের বেশি কেউ হারাতে পারেননি, সেখানে একমাত্র জোকোভিচই নাদালকে হারের স্বাদ দিলেন দুবার। ইতিহাস গড়া জয়ে তাই অনুভূতিটা একটু বিশেষ হওয়াই তো স্বাভাবিক!
নাদাল তাঁর ক্যারিয়ারের ২০ গ্র্যান্ড স্লামের ১৩টিই জিতেছেন কাদামাটির কোর্টে। গত ফ্রেঞ্চ ওপেনেও জোকোভিচকে হারিয়েই শিরোপা জিতেছিলেন নাদাল। ক্লে কোর্টে এর আগে ১০৮ ম্যাচের দুটিতে হেরেছিলেন নাদাল। কাল ম্যাচেও প্রথম সেট জিতে ক্লে কোর্টে নিজের দাপটের ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। তার পরও নাদালকে জিততে দেননি জোকোভিচ। জয়ের পর দারুণ উচ্ছ্বসিত জোকোভিচ বলেছেন, ‘নিশ্চিতভাবে রোঁলা গারোঁতে খেলা এটা আমার সেরা ম্যাচ। জীবনের সেরা তিন ম্যাচের একটি এই ম্যাচ । কোর্টে আমার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলছিলাম, যিনি কিনা অনেক দিন ধরে নিজের ক্ষমতায় এই জায়গাটা ধরে রেখেছিলেন। এই কোর্টে রাফার সঙ্গে জিততে হলে আপনাকে সেরা খেলাটাই খেলতে হবে এবং আমি সেরাটাই খেলেছি।’
ম্যাচের শুরু থেকে আত্মবিশ্বাসী ছিলেন জোকোভিচ। তাই প্রথম সেট হারের পর যেমন পরের সেটেই ম্যাচে ফিরেছেন, তেমনি শেষ সেটে প্রথম দুই গেমে হেরেও শেষ পর্যন্ত সেট জিতে জয় নিশ্চিত করেছেন, ‘শুরুতে আমি খুব একটা ভালো করতে পারিনি, তবে বিশ্বাস ছিল আমি বলটা ঠিকঠাক মারতে মারব এবং আমি সেটাই করছিলাম । এটাই আমাকে ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিল। আমার দিক থেকে সার্ভগুলো ভালো হচ্ছিল না এদিন। শেষ সেটে প্রথম দুই গেমে (০-২ ) পিছিয়ে পড়ার পর সার্ভগুলো কাজে দিতে শুরু করে।’

ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
১৮ মিনিট আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
৩১ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩ সপ্তাহ বাকি থাকলেও এখনো বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত নন তানজিদ হাসান তামিম। এই বাঁ হাতি ব্যাটারের বিশ্বাস, বিষয়টি ভালোভাবেই দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসি।
৩৩ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বেশি দিন বাকি নেই। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে ছোট সংস্করণে বিশ্বকাপের দশম পর্ব। তার আগে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া।
১ ঘণ্টা আগে