টেনিস কোর্টে একের পর এক রেকর্ড গড়েছেন নোভাক জোকোভিচ। ছেলে ও মেয়েদের টুর্নামেন্ট মিলে সর্বোচ্চ ২৫ গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের লক্ষ্যে এবারের ইউএস ওপেন শুরু করেছেন দুর্দান্তভাবে। তবু তিনি মনে করছেন, অচেনা প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জয়টা অত সহজ ছিল না।
আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় আজ সকালে ইউএস ওপেনের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে মলদোভার রাদু অ্যালবতের মুখোমুখি হয়েছেন জোকোভিচ। মলদোভার এই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এবারই প্রথম খেলেছেন জোকো। প্রথম দেখাতেই অ্যালবতের বিপক্ষে সরাসরি সেটে (৬-২,৬-২, ৬-৪ গেমে) জিতেছেন জোকোভিচ। তবে জোকোর জয়টা যত সহজ মনে হচ্ছে, বাস্তবে তা নয়। ৩৭ বছর বয়সী সার্বিয়ান টেনিস তারকাকে কিছুটা ক্লান্ত দেখিয়েছে। টানা ম্যাচের মধ্যে আছেন দেখেই হয়তো এই ক্লান্তি। অ্যালবতের বিপক্ষে জোকোর ডাবল ফল্ট হয়েছে ১০ টি। ২৪ গ্র্যান্ড স্লামজয়ী তারকার প্রথম সার্ভের ৪৭ শতাংশ ঠিকমতো হয়েছে। প্রথম রাউন্ডের ম্যাচ শেষে ইএসপিএনকে জোকো বলেন, ‘আমার মনে হয়েছে আজ রাতে অনেক বিপদ ছিল। মনে হচ্ছিল যে ছোট ভাইয়ের জন্য প্রতিশোধ নিচ্ছি।’
২৪ গ্র্যান্ড স্লাম জিতে অস্ট্রেলিয়ার নারী টেনিস তারকা মার্গারেট কোর্টের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে জোকোভিচ। সর্বোচ্চ ১০ বার অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতেছেন জোকো। সার্বিয়ান টেনিস তারকা ইউএস ওপেন জিতেছেন চারবার। সদ্য সমাপ্ত প্যারিস অলিম্পিকে ছেলেদের টেনিসে স্বর্ণপদক জিতে ক্যারিয়ার গোল্ডেন স্লাম জিতেছেন জোকো।
ক্যারিয়ারে অসংখ্য শিরোপা জিতলেও এ বছর কোনো গ্র্যান্ড স্লাম জিততে পারেননি জোকোভিচ। জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত এ বছরের উইম্বলডনে হেরেছেন স্পেনের কার্লোস আলকারাসের কাছে। ইউএস ওপেন জিতে বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জোকো জিততে পারেন কি না, সেটা সময়ই বলে দেবে। দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচে আগামীকাল তাঁর (জোকো) প্রতিপক্ষ আরেক সার্বিয়ান লাসলো ডিজেরে। ২০১৭ থেকে শুরু করে প্রত্যেক বছর কমপক্ষে একটি করে গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন জোকো।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে