
ছেলেদের সর্বোচ্চ গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের রেকর্ড তো নোভাক জোকোভিচ করে ফেলেছেন অনেক আগেই। জোকোর কাছে গত রাতের ইউএস ওপেনের ফাইনাল ছিল রেকর্ডটা সমৃদ্ধ করার। আরও একটু স্পষ্ট করে বললে, ছেলে-মেয়ে সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসানোর। জোকোভিচ তাতে সফলও হয়েছেন।
আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে এবার জোকোভিচের প্রতিপক্ষ ছিলেন দানিলো মেদভেদেভ। সরাসরি সেটে হেসেখেলে জিতেছেন জোকো ঠিকই। এই ম্যাচে লড়েছিলেন মেদভেদেভও। দ্বিতীয় সেটের নিষ্পত্তি হয়েছিল টাইব্রেকারে। টাইব্রেকারে সেই সেট মেদভেদেভ জিতলে লড়াইটা আরও জমত। শেষ পর্যন্ত ৬-৩,৭-৬, ৬-৩ গেমে জিতেছেন জোকো।
২০২৩ ইউএস ওপেন জিতে এখন পর্যন্ত ২৪টি গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন। জোকোর মতো মেয়েদের এককেও মার্গারেট কোর্ট জিতেছেন ২৪টি গ্র্যান্ড স্লাম। অন্যদিকে জোকোর বয়স হয়ে গেছে ৩৬ বছর। ইউএস ওপেন সহ এই বছরে জিতেছেন তিনটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছেন। বয়স যে শুধুই একটি সংখ্যা, সেটার প্রমাণ তিনি দেখিয়ে যাচ্ছেন। ম্যাচ শেষে সার্বিয়ান টেনিস তারকা বলেন, ‘গ্র্যান্ড স্লাম কতটি জিততে চাই, সেই সংখ্যা এখন নির্দিষ্ট করে বলতে পারছি না। সেরা অবস্থায় থেকে যে খেলছি, তা আমি এখনো জানি। সেরা টুর্নামেন্টগুলো জিতেছি। এমনকি সেরা ফর্মে থাকলেও খেলা ছাড়তে চাই না।’
শিষ্য জোকোর জয়ে ভীষণ উচ্ছ্বসিত কোচ গোরান ইভানিসেভিচ। ইভানিসেভিচ বলেন, ‘খেলাধুলার ইতিহাসে অন্যতম সেরা অর্জন এটি। আমরা শুধু টেনিস নিয়েই কথা বলছি না। খেলাধুলা নিয়েই কথা বলছি। যদি সে ২৫টা জিততে পারে, তাহলে ২৬টা কেন নয়? সে সবসময়ই আরও পেতে চায়।’
উইম্বলডন জিতলে গতকালই মার্গারেট কোর্টকে ছাড়িয়ে যেতে পারতেন জোকো। তবে এ বছরের জুলাইয়ে জোকোকে হারিয়ে উইম্বলডন জিতে চমক দেখান কার্লোস আলকারাস। জোকোর পর ছেলেদের তালিকায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২টি গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন রাফায়েল নাদাল। আর ২০টি গ্র্যান্ড স্লাম জিতে গত বছর অবসরে গেছেন রজার ফেদেরার। ছেলেদের এককে সর্বোচ্চ ৩৬ বার ফাইনাল খেলার রেকর্ডও জোকোভিচের।

ছেলেদের সর্বোচ্চ গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের রেকর্ড তো নোভাক জোকোভিচ করে ফেলেছেন অনেক আগেই। জোকোর কাছে গত রাতের ইউএস ওপেনের ফাইনাল ছিল রেকর্ডটা সমৃদ্ধ করার। আরও একটু স্পষ্ট করে বললে, ছেলে-মেয়ে সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসানোর। জোকোভিচ তাতে সফলও হয়েছেন।
আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে এবার জোকোভিচের প্রতিপক্ষ ছিলেন দানিলো মেদভেদেভ। সরাসরি সেটে হেসেখেলে জিতেছেন জোকো ঠিকই। এই ম্যাচে লড়েছিলেন মেদভেদেভও। দ্বিতীয় সেটের নিষ্পত্তি হয়েছিল টাইব্রেকারে। টাইব্রেকারে সেই সেট মেদভেদেভ জিতলে লড়াইটা আরও জমত। শেষ পর্যন্ত ৬-৩,৭-৬, ৬-৩ গেমে জিতেছেন জোকো।
২০২৩ ইউএস ওপেন জিতে এখন পর্যন্ত ২৪টি গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন। জোকোর মতো মেয়েদের এককেও মার্গারেট কোর্ট জিতেছেন ২৪টি গ্র্যান্ড স্লাম। অন্যদিকে জোকোর বয়স হয়ে গেছে ৩৬ বছর। ইউএস ওপেন সহ এই বছরে জিতেছেন তিনটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছেন। বয়স যে শুধুই একটি সংখ্যা, সেটার প্রমাণ তিনি দেখিয়ে যাচ্ছেন। ম্যাচ শেষে সার্বিয়ান টেনিস তারকা বলেন, ‘গ্র্যান্ড স্লাম কতটি জিততে চাই, সেই সংখ্যা এখন নির্দিষ্ট করে বলতে পারছি না। সেরা অবস্থায় থেকে যে খেলছি, তা আমি এখনো জানি। সেরা টুর্নামেন্টগুলো জিতেছি। এমনকি সেরা ফর্মে থাকলেও খেলা ছাড়তে চাই না।’
শিষ্য জোকোর জয়ে ভীষণ উচ্ছ্বসিত কোচ গোরান ইভানিসেভিচ। ইভানিসেভিচ বলেন, ‘খেলাধুলার ইতিহাসে অন্যতম সেরা অর্জন এটি। আমরা শুধু টেনিস নিয়েই কথা বলছি না। খেলাধুলা নিয়েই কথা বলছি। যদি সে ২৫টা জিততে পারে, তাহলে ২৬টা কেন নয়? সে সবসময়ই আরও পেতে চায়।’
উইম্বলডন জিতলে গতকালই মার্গারেট কোর্টকে ছাড়িয়ে যেতে পারতেন জোকো। তবে এ বছরের জুলাইয়ে জোকোকে হারিয়ে উইম্বলডন জিতে চমক দেখান কার্লোস আলকারাস। জোকোর পর ছেলেদের তালিকায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২টি গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন রাফায়েল নাদাল। আর ২০টি গ্র্যান্ড স্লাম জিতে গত বছর অবসরে গেছেন রজার ফেদেরার। ছেলেদের এককে সর্বোচ্চ ৩৬ বার ফাইনাল খেলার রেকর্ডও জোকোভিচের।

মোহাম্মদ মিঠুন, মেহেদী হাসান মিরাজদের সাময়িক খেলা বয়কটের কারণে ২০২৬ বিপিএলের সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। লিগ পর্বের ম্যাচই নয়, পরিবর্তন করতে হয়েছে প্লে-অফের সূচিও। তবে ফাইনাল হবে নির্ধারিত দিনেই।
৬ মিনিট আগে
দীপক চাহারের বল এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে মারলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। বল সীমানার দড়ি ছোঁয়ার আগেই মেহেদী হাসান মিরাজ শূন্যে উড়লেন। বাংলাদেশ ক্রিকেটের ডাগআউটে তখন উল্লাস। ২০২২ সালে মিরপুরে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ১ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয়ের কথা যে বলা হয়েছে, সেটা হয়তো অনেকেই বুঝতে পেরেছেন।
৩৯ মিনিট আগে
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এম নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্যের পর ঝড় উঠেছে দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে। পরশু নাজমুলের সংবাদমাধ্যমকে বলা কথা ছড়িয়ে পড়লে ক্রিকেটারদের কল্যাণে কাজ করা সংগঠন কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন তাঁর (নাজমুল) পদত্যাগের দাবিতে ক্রিকেট খেলা বন্ধ রাখার হুমকি দিয়েছিলেন। সেদিন যা
২ ঘণ্টা আগে
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান মিঠুর ওপর দিয়ে কী ঝড় বয়ে যাচ্ছে, সেটা তিনিই ভালো জানেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের বক্তব্যের পর পরশু রাতে ক্রিকেটারদের সংগঠনে কাজ করা কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন যখন ক্রিকেট বন্ধের হুমকি দিয়েছিলেন
২ ঘণ্টা আগে