
চীনের চেংদুতে চলছে ওয়ার্ল্ড গেমস। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে অসুস্থ হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেছেন ইতালির ওরিয়েন্টিয়ারিং অ্যাথলেট মাত্তিয়া দেবের্তোলিস। গত ৮ আগস্ট প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সময় অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান দেবোর্তোলিস। এর চার দিন পর গতকাল মারা যান ২৯ বছর বয়সী এই অ্যাথলেট।
অলিম্পিকের অন্তর্ভুক্ত নয়, এমন সব খেলাধুলা নিয়ে প্রতি চার বছর পর পর হয়ে থাকে ওয়ার্ল্ড গেমস। আয়োজন চীন এবং আন্তর্জাতিক ওরিয়েন্টিং ফেডারেশন এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাওয়ার পর দেবের্তোলিসকে চীনের শীর্ষস্থানীয় এক চিকিৎসা কেন্দ্রে দ্রুত ভর্তি করা হয় এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়। কিন্তু সবচেয়ে প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান দেবের্তোলিস। তবে ঠিক কী কারণে অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন তিনি, তাঁর মৃত্যুর কারণই বা কী—সে সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
ওরিয়েন্টিয়ারিং এমন এক ধরনের খেলা যেখানে অ্যাথলেটরা মানচিত্র ও কম্পাস ব্যবহার করে চিহ্নহীন রুটে নির্ধারিত পয়েন্টে পৌঁছান। যত দ্রুত সম্ভব পুরো পুরো রুট সম্পন্ন করার চেষ্টা করেন। চেংদুর কেন্দ্র থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে যখন ইভেন্টে অংশ নিয়েছিলেন প্রতিযোগীরা, তখন ছিল তীব্র গরম। আর্দ্রতাও ছিল। তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি। পুরুষদের মাঝারি দূরত্বের ফাইনালে অংশ নেওয়ার সময়ই দেবের্তোলিস জ্ঞান হারান।
দেবের্তোলিসের ইভেন্টে জয়ী হয়েছেন সুইজারল্যান্ডের রিকার্দো রাঙ্কান। তিনি সময় নিয়েছেন ৪৫ মিনিট ২২ সেকেন্ড। ওয়ার্ল্ড গেমসের এটি ১২তম আসর। চলবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৬ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে