কমনওয়েলথে এখন পর্যন্ত ১৪টি সোনা জিতেছে ভারত। এর মধ্যে ৫ টি সোনার তিনটি এসেছে ভারোত্তলন থেকে। এবার ভারোত্তলনেই বিতর্কে জড়িয়েছে ভারতীয় ভারোত্তোলক পুনম যাদব। নারীদের ৭৬ কেজি বিভাগে পুনমের ইভেন্টের পরই বিতর্কের শুরু। তার বিরুদ্ধে চোট লুকানোর অভিযোগ তুলেছেন ভারতের ভারোত্তোলক সংস্থার সভাপতি সহদেব যাদব।
সহদেব মনে করেন পুনমের চোট লুকানোই একটি পদক হাতছাড়া হয়েছে। পুনম অবশ্য তার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। স্ন্যাচে তৃতীয় প্রয়াসে ৯৮ কেজি তুলে রুপা জেতার সুযোগ তৈরি করেছিলেন পুনম। তবে ক্লিন অ্যান্ড জার্কে তাঁর তিনটি চেষ্টায় ব্যর্থ হয়েছে।
এরপরই ভারোত্তোলক সংস্থার প্রধান বলেন, চোট নিয়ে কমনওয়েলথে খেলতে এসেছিলেন পুনম, ‘একটা নিশ্চিত পদক হাতছাড়া হলো। একটি সুযোগ হারালাম। এ জন্যই আমরা ওর(পুনমের) নাম প্রথম তালিকায় রাখিনি। নিজেকে ফিট বলে ও দলে এসেছে । ডাক্তারের ফিটনেস শংসাপত্রও দেখিয়েছে। এত দেরিতে দলে যোগ দিয়েছিল যে পরে ওর নাম বাদও দিতে পারিনি।’
সহদেব পরিষ্কার করেছেন কেন তার কাছে মনে হয়েছে পুনম চোট লুকিয়েছে। তিনি বলেন, ‘ওর লিফটগুলো দেখলেই বোঝা যায় , ক্লিন অ্যান্ড জার্কের সময় পুরো শক্তি দিয়ে তুলছিল না ও। কারণ পুরো শক্তি দিতে গেলে হাঁটু বেঁকে যাবেই। সেটা হয়নি। পরিষ্কার বোঝা গিয়েছে ও শতভাগ ফিট নয় সে।’ পুনম অবশ্য অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি পুরোপুরি ফিট ছিলাম। চোট যে কোনো খেলোয়াড়েরই জীবনের অংশ। আমারও চোট লেগেছে। ভাগ্য খারাপ বলে জিততে পারিনি।’।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে