
বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা তাপমাত্রা দৌড়বিদদের ম্যারাথনে রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দিচ্ছে—নতুন এক গবেষণায় এমনই তথ্য উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা ক্লাইমেট সেন্ট্রাল জানিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ‘অনেক ম্যারাথনে রেকর্ড ভাঙা এখন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।’
ম্যারাথনে দৌড়ানোর জন্য সাধারণত আদর্শ তাপমাত্রা ধরা হয়ে থাকে পুরুষদের জন্য ৪ ডিগ্রি ও নারীদের জন্য ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু ২০৪৫ সালের মধ্যে বিশ্বের ২২১টি বড় ম্যারাথনের ৮৬ শতাংশেই এমন আবহাওয়া বিরল হয়ে যাবে। এ বছর বার্লিন ম্যারাথন হয়েছে অস্বাভাবিক ২৪ ডিগ্রি তাপে, টোকিও ও লন্ডন ম্যারাথনের সময় মার্চ-এপ্রিলে তাপমাত্রা ছিল ২০ ডিগ্রির ওপরে। এই পরিস্থিতিতে ম্যারাথনের সময়সূচিতে পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে বিশ্ব অ্যাথলেটিকস। মাসখানেক আগে সংস্থার সভাপতি সেবাস্তিয়ান কো বলেছিলেন, অ্যাথলেটদের সুরক্ষায় ম্যারাথনের মতো সহনশীলতা-নির্ভর ইভেন্টগুলো আলাদা সময়সূচিতে আয়োজন করতে হতে পারে।
২০২৪ সালের লন্ডন ম্যারাথনে দ্রুততম ব্রিটিশ নারী দৌড়বিদ মাইরি ম্যাকলেনান বলেন, ‘আমরা বছরের পর বছর কঠোর প্রশিক্ষণ নিই, কিন্তু তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় পারফরম্যান্সের আদর্শ পরিবেশ ক্রমেই বিরল হয়ে যাচ্ছে।’
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, জাপানের টোকিও পুরুষ দৌড়বিদদের জন্য এখনো সবচেয়ে অনুকূল শহর, কিন্তু ২০৪৫ সালের মধ্যে এখানেও অনুকূল আবহাওয়ার হার দ্রুত কমবে।
গত সাত বছরে পুরুষ ম্যারাথনে ২ মিনিট ২২ সেকেন্ড সময় কমিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। এটা সম্ভব হয়েছে নতুন জুতা প্রযুক্তির বড় অবদানের কারণেই। কিন্তু দিন দিন বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে কোনো প্রযুক্তিতেই হয়তো আর ম্যারাথনের টাইমিং কমিয়ে আনা সম্ভব হবে না। নিউইয়র্ক ও বোস্টন ম্যারাথনের সাবেক চ্যাম্পিয়ন ইব্রাহিম হোসেনের আশঙ্কা অন্তত তেমনই, ‘দৌড়ের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী এখন আবহাওয়াও। প্রকৃতি বাঁচাতে না পারলে ভবিষ্যতের রেকর্ডও হারিয়ে যাবে।’
ছেলেদের ম্যারাথনে ২ ঘণ্টা ৩৫ সেকেন্ডের রেকর্ড টাইমিংয়ের মালিক কেনিয়ান অ্যাথলেট কেলভিন কিপতুম। ২০২৩ সালের ৮ অক্টোবর শিকাগো ম্যারাথনে গড়া তাঁর এই টাইমিং তাহলে কি অজেয়ই থেকে যাবে ?

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৬ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে