
বয়স ৪২। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা করার মতো খুব একটা আদর্শ বয়স নয়। আবার এই বয়সই ঠুনকো হয়ে যায় রাশা ইয়াহিয়া আহমেদের কাছে। যাঁর চোখে বয়স কোনো সীমা নয়, বরং পথচলার দূরত্ব। সেই চোখ দিয়ে নিশানা ঠিক করে তিনি মেতে ওঠেন তীর-ধনুকের খেলায়।
আগামী ৮-১৪ নভেম্বর ঢাকায় হবে ২৪তম তীর এশিয়ান আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপ। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে কোনো আন্তর্জাতিক আর্চারি প্রতিযোগিতায় খেলতে এসেছেন রাশা। ফিলিস্তিনের এই আর্চার লড়বেন রিকার্ভ নারী এককে। কম্পাউন্ডে আছেন তাঁর আরও তিন স্বদেশি।
ফিলিস্তিনের গাজায় চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর থেকে বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশও প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। তা অজানা নয় ফিলিস্তিনিদের কাছে। পল্টনের আউটার স্টেডিয়ামে আজ সকালে অনুশীলন শেষে রাশা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন অনুভব করি। আপনাদের সমর্থন আমাদের কাছে পৌঁছায়। ইনশা আল্লাহ, একদিন আমরা আপনাদের ফিলিস্তিনে স্বাগত জানাতে চাই। সেখানে দেখা হবে।’
গাজায় জন্ম হলেও রাশা পড়াশোনা করেছেন ওমানে। মাসকটের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তোর ডিগ্রি সেরেছেন। বর্তমানে আরব আমিরাতে একটি প্রতিষ্ঠানের স্ট্র্যাটেজিক অফিস ম্যানেজার হিসাবে কর্মরত আছেন।
মাত্র বছর তিনেক আগে আর্চারিতে হাতে খড়ি রাশার। নিজের ক্যারিয়ার নিয়েও ভীষণ উচ্ছ্বসিত, ‘তিন বছর আগে থেকে আমি আর্চারি শুরু করেছি। এখানে আসার আগে আমি অনেক আন্তর্জাতিক ইভেন্টে অংশ নিয়েছি। কোরিয়া, কাতারসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছি, যেগুলো ছিল খুবই উঁচু পর্যায়ের আয়োজন। এখানকার প্রস্তুতি খুবই সুন্দর, সবকিছুই আন্তর্জাতিক মানের।’
রাশা আরও বলেন, ‘গাজা আমার শহর। একজন ফিলিস্তিনি হিসেবে বলছি সেখানকার বর্তমান পরিস্থিতি ভালো নয়, তারপরও আমরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করি, পতাকা উঁচিয়ে ধরি, তখন আমরা ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিত্ব করি। এজন্য আমাদের সবাই সাধুবাদ জানায।’

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে