নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আশি-নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশের একটা প্রজন্মের কাছে হকিস্টিক ছিল সংঘর্ষের গুরুত্বপূর্ণ এক ‘হাতিয়ার’। বর্তমান সময়ে মারামারিতে হকিস্টিকের ব্যবহার কমেছে। তবে খেলার মাঠে হকিস্টিক কোনো সময়েই একে অন্যের ওপর হামলে পড়তে ব্যবহৃত হয়নি। দেশের ঘরোয়া হকি দেখে মনে হতে পারে, খেলার মাঠেও মারামারি করতে হকিস্টিকের ব্যবহার হতে পারে!
প্রিমিয়ার ডিভিশন হকি লিগের সবশেষ ম্যাচে স্টিকের আঘাতে মাথা ফেটেছে মোহামেডানের দ্বীন ইসলাম ইমনের। অলিখিত ফাইনাল হয়েছে পণ্ড। মোহামেডান মাঠ ছেড়েছে ওমানি আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত মানতে না পেরে। ধুঁকতে থাকা বিবর্ণ হকি আবার প্রচারের আলোয় কিন্তু নেতিবাচকভাবে।
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে হকি আর বিতর্ক চলছে হাত ধরাধরি করে। ক্লাব আর ফেডারেশনের দ্বন্দ্বে নিয়মিত মাঠে থাকে না খেলা। কখনো ক্লাবের সিদ্ধান্ত মানতে চায় না ফেডারেশন, আবার ফেডারেশন কোনো সিদ্ধান্ত দিলে তাতে গুরুত্ব দেয় না ক্লাবগুলো। অনেক বাধা-উপেক্ষা পেরিয়ে মাঠে খেলা যখন গড়ায়, তখন আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত মানতে আপত্তি, ক্লাবে ক্লাবে রেষারেষি আর ফেডারেশনের ষড়যন্ত্রতত্ত্ব। একটা লিগ যতভাবে বিতর্কিত হতে পারে, তার সবই দেখা গেল এবারের লিগে। ফাইনাল পণ্ড হওয়ায় শিরোপার নিষ্পত্তিও ঝুলে গেছে। শিরোপার নিষ্পত্তি কি প্লে-অফের মাধ্যমে, নাকি যুগ্মভাবে আবাহনী-মেরিনার্সকে চ্যাম্পিয়ন করা হবে, সেটার সিদ্ধান্ত কাল রাতে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অজানা। অতীতে ছয় মাস পরেও শিরোপা দেওয়ার নজির আছে, এবারও তেমনটাই কিছু হবে কি না, এই উত্তর শুধু ফেডারেশন আর ক্লাবগুলোর হাতেই।
বিশ্বের অন্যতম নন্দিত খেলা হকি বাংলাদেশে বারবার হয়েছে নিন্দিত। বিশেষ করে গত পরশু মোহামেডানের মাঠ ছেড়ে যাওয়া আর মারামারির ঘটনায় হকির ‘অপমৃত্যু’ ঘটেছে বলে দাবি সাজেদ এ আদেলের। জাতীয় দলের সাবেক, মোহামেডানের অন্যতম সফল এই অধিনায়ক আজকের পত্রিকাকে বললেন, ‘লিগটা অসম্পূর্ণ থেকে গেল। মোহামেডান মাঠ ছেড়ে উঠে আসায় বলতে গেলে অপমৃত্যুই হয়েছে। মোহামেডানের কর্মকর্তাদের দূরদর্শিতার অভাবকেই দায়ী করব।’
বাংলাদেশের ঘরোয়া হকিতে কেন এত মারামারি আর বিতর্ক হয়, সেই প্রশ্নের জবাবে আদেলের ব্যাখ্যা, ‘হকিতে সব মিলিয়ে ৭৫ মিনিট খেলা হওয়ার কথা থাকলেও বাংলাদেশে হয় তিন-চার ঘণ্টা। অ্যাড্রিনালিন বেশি প্রবাহ হলে খেলায় উত্তেজনা বেড়ে যায় এবং তখনই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বেশি ঘটে।’
মোহামেডান-আবাহনীর অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় মর্মাহত জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মামুনুর রহমান চয়ন। তিনি মানতেই পারছেন না এমন ঘটনা, ‘দুই দলের মারামারি সীমা অতিক্রম করেছে। শুধু হকির জন্য না, কোনো খেলাতেই এটা কাম্য না। হাতে স্টিক আছে বলে মারামারিতে জড়িয়ে যাব, সেটা হতে পারে না। হকি সুন্দর একটা খেলা। মানুষ এখন মনে করে, হকি মানে মারামারি! খেলায় হার-জিত থাকবেই। যেকোনো বিষয় মেনে নেওয়ার মানসিকতাও থাকতে হবে।’
গত পরশুর ঘটনায় প্রশ্নবিদ্ধ ফেডারেশনও। এই লিগেই ছোটখাটো ঘটনায় ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল হক সাঈদকে একাধিকবার মাঠে নামতে দেখা গেলেও পরশু রাতে মোহামেডান-আবাহনীর লড়াই থামাতে মাঠে নামেননি তিনি। কেন তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি, সে উত্তরে তিনি বলেছিলেন, ‘ফেডারেশনের সভাপতির সোজা নির্দেশ ছিল যেন সুষ্ঠুভাবে ম্যাচ পরিচালিত হয়, আম্পায়ারের কোনো সিদ্ধান্তে যেন হস্তক্ষেপ করা না হয়।’
মোমিনুল হক সাঈদের এই জবাবকে খোঁড়া যুক্তি বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার জামিল উদ্দিন। বললেন, ‘অপ্রয়োজনীয় ম্যাচেও যেভাবে সাধারণ সম্পাদক, লিগের সাধারণ সম্পাদক মাঠে নেমেছেন, সমস্যার সমাধান করেছেন, সেভাবে ফাইনালে নামলে এই সমস্যার সমাধান হতো। এই পরিস্থিতি তৈরি হতো না। কর্মকর্তাদের উচিত ছিল কাল দুই দলকে মিলিয়ে দেওয়া।’
আর সাজেদ আদেলের চাওয়া ফেডারেশনে সর্বজন গ্রহণযোগ্য একজন সংগঠকের, ‘ফেডারেশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ সাধারণ সম্পাদকের পদ। যিনি খেলা বোঝেন, ভালোবাসেন, যাঁর গ্রহণযোগ্যতা আছে, তাঁকে এই পদে বসালেই হয়তো এত সব বিতর্ক অনেকখানি কমে আসত।’

আশি-নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশের একটা প্রজন্মের কাছে হকিস্টিক ছিল সংঘর্ষের গুরুত্বপূর্ণ এক ‘হাতিয়ার’। বর্তমান সময়ে মারামারিতে হকিস্টিকের ব্যবহার কমেছে। তবে খেলার মাঠে হকিস্টিক কোনো সময়েই একে অন্যের ওপর হামলে পড়তে ব্যবহৃত হয়নি। দেশের ঘরোয়া হকি দেখে মনে হতে পারে, খেলার মাঠেও মারামারি করতে হকিস্টিকের ব্যবহার হতে পারে!
প্রিমিয়ার ডিভিশন হকি লিগের সবশেষ ম্যাচে স্টিকের আঘাতে মাথা ফেটেছে মোহামেডানের দ্বীন ইসলাম ইমনের। অলিখিত ফাইনাল হয়েছে পণ্ড। মোহামেডান মাঠ ছেড়েছে ওমানি আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত মানতে না পেরে। ধুঁকতে থাকা বিবর্ণ হকি আবার প্রচারের আলোয় কিন্তু নেতিবাচকভাবে।
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে হকি আর বিতর্ক চলছে হাত ধরাধরি করে। ক্লাব আর ফেডারেশনের দ্বন্দ্বে নিয়মিত মাঠে থাকে না খেলা। কখনো ক্লাবের সিদ্ধান্ত মানতে চায় না ফেডারেশন, আবার ফেডারেশন কোনো সিদ্ধান্ত দিলে তাতে গুরুত্ব দেয় না ক্লাবগুলো। অনেক বাধা-উপেক্ষা পেরিয়ে মাঠে খেলা যখন গড়ায়, তখন আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত মানতে আপত্তি, ক্লাবে ক্লাবে রেষারেষি আর ফেডারেশনের ষড়যন্ত্রতত্ত্ব। একটা লিগ যতভাবে বিতর্কিত হতে পারে, তার সবই দেখা গেল এবারের লিগে। ফাইনাল পণ্ড হওয়ায় শিরোপার নিষ্পত্তিও ঝুলে গেছে। শিরোপার নিষ্পত্তি কি প্লে-অফের মাধ্যমে, নাকি যুগ্মভাবে আবাহনী-মেরিনার্সকে চ্যাম্পিয়ন করা হবে, সেটার সিদ্ধান্ত কাল রাতে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অজানা। অতীতে ছয় মাস পরেও শিরোপা দেওয়ার নজির আছে, এবারও তেমনটাই কিছু হবে কি না, এই উত্তর শুধু ফেডারেশন আর ক্লাবগুলোর হাতেই।
বিশ্বের অন্যতম নন্দিত খেলা হকি বাংলাদেশে বারবার হয়েছে নিন্দিত। বিশেষ করে গত পরশু মোহামেডানের মাঠ ছেড়ে যাওয়া আর মারামারির ঘটনায় হকির ‘অপমৃত্যু’ ঘটেছে বলে দাবি সাজেদ এ আদেলের। জাতীয় দলের সাবেক, মোহামেডানের অন্যতম সফল এই অধিনায়ক আজকের পত্রিকাকে বললেন, ‘লিগটা অসম্পূর্ণ থেকে গেল। মোহামেডান মাঠ ছেড়ে উঠে আসায় বলতে গেলে অপমৃত্যুই হয়েছে। মোহামেডানের কর্মকর্তাদের দূরদর্শিতার অভাবকেই দায়ী করব।’
বাংলাদেশের ঘরোয়া হকিতে কেন এত মারামারি আর বিতর্ক হয়, সেই প্রশ্নের জবাবে আদেলের ব্যাখ্যা, ‘হকিতে সব মিলিয়ে ৭৫ মিনিট খেলা হওয়ার কথা থাকলেও বাংলাদেশে হয় তিন-চার ঘণ্টা। অ্যাড্রিনালিন বেশি প্রবাহ হলে খেলায় উত্তেজনা বেড়ে যায় এবং তখনই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বেশি ঘটে।’
মোহামেডান-আবাহনীর অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় মর্মাহত জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মামুনুর রহমান চয়ন। তিনি মানতেই পারছেন না এমন ঘটনা, ‘দুই দলের মারামারি সীমা অতিক্রম করেছে। শুধু হকির জন্য না, কোনো খেলাতেই এটা কাম্য না। হাতে স্টিক আছে বলে মারামারিতে জড়িয়ে যাব, সেটা হতে পারে না। হকি সুন্দর একটা খেলা। মানুষ এখন মনে করে, হকি মানে মারামারি! খেলায় হার-জিত থাকবেই। যেকোনো বিষয় মেনে নেওয়ার মানসিকতাও থাকতে হবে।’
গত পরশুর ঘটনায় প্রশ্নবিদ্ধ ফেডারেশনও। এই লিগেই ছোটখাটো ঘটনায় ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল হক সাঈদকে একাধিকবার মাঠে নামতে দেখা গেলেও পরশু রাতে মোহামেডান-আবাহনীর লড়াই থামাতে মাঠে নামেননি তিনি। কেন তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি, সে উত্তরে তিনি বলেছিলেন, ‘ফেডারেশনের সভাপতির সোজা নির্দেশ ছিল যেন সুষ্ঠুভাবে ম্যাচ পরিচালিত হয়, আম্পায়ারের কোনো সিদ্ধান্তে যেন হস্তক্ষেপ করা না হয়।’
মোমিনুল হক সাঈদের এই জবাবকে খোঁড়া যুক্তি বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার জামিল উদ্দিন। বললেন, ‘অপ্রয়োজনীয় ম্যাচেও যেভাবে সাধারণ সম্পাদক, লিগের সাধারণ সম্পাদক মাঠে নেমেছেন, সমস্যার সমাধান করেছেন, সেভাবে ফাইনালে নামলে এই সমস্যার সমাধান হতো। এই পরিস্থিতি তৈরি হতো না। কর্মকর্তাদের উচিত ছিল কাল দুই দলকে মিলিয়ে দেওয়া।’
আর সাজেদ আদেলের চাওয়া ফেডারেশনে সর্বজন গ্রহণযোগ্য একজন সংগঠকের, ‘ফেডারেশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ সাধারণ সম্পাদকের পদ। যিনি খেলা বোঝেন, ভালোবাসেন, যাঁর গ্রহণযোগ্যতা আছে, তাঁকে এই পদে বসালেই হয়তো এত সব বিতর্ক অনেকখানি কমে আসত।’

এই বিপিএলই বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলের বিশ্বকাপ প্রস্তুতির টুর্নামেন্ট। ৩৪ ম্যাচের চলতি বিপিএলে এরই মধ্যেই হয়ে গেছে অর্ধেকের বেশি, ২০টি ম্যাচ। তো এ পর্যায়ে এসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাংলাদেশ দলে থাকা ক্রিকেটারদের প্রস্তুতিটা কেমন হলো?
৩৫ মিনিট আগে
রিশাদ হোসেনের মতো তাঁর দল হোবার্ট হারিকেন্সও বিগ ব্যাশে দারুণ সময় পার করছে। টানা জয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে তারা। তবে নবম ম্যাচে তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াল বৃষ্টি। অপয়া বৃষ্টিতে ভেসে গেল সিডনি স্ট্রাইকার্সের সঙ্গে হোবার্টের ম্যাচটি।
১ ঘণ্টা আগে
শীর্ষেই ছিল রংপুর রাইডার্স। কিন্তু চট্টগ্রাম রয়্যালসের দাপটে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের পর্বের লিগ টেবিলের দুইয়ে নেমে যেতে হয়েছে তাদের। হারানো সিংহাসন ফিরে পাওয়ার মিশনে আজ দুপুরে মাঠে নামবে নুরুল হাসান সোহানের দল। তাদের প্রতিপক্ষ রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। বিপিএলে দিনের অপর ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিট
১ ঘণ্টা আগে
বর্ণাঢ্য ক্লাব ক্যারিয়ার মোহাম্মদ সালাহর। চেলসি, লিভারপুলের মতো ইউরোপসেরা ক্লাবের হয়ে সম্ভাব্য সব ধরনের শিরোপা জিতেছেন এই ফরোয়ার্ড। কিন্তু কখনো মিসরের হয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরা হয়নি তাঁর। সেই অপেক্ষার পালা শেষ করতে আরেকটি সুযোগ পেয়েছেন তিনি। আফ্রিকান কাপ অব নেশনসের সেমিফাইনালে উঠেছে সালাহর মিসর।
২ ঘণ্টা আগে