
আবারও বাংলাদেশের দ্রুততম মানবের খেতাবটা নিজের করে নিলেন ইমরানুর রহমান। আজ থেকে শুরু হওয়া জাতীয় অ্যাথলেটিকসের ছেলেদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টে প্রথম হয়েছেন তিনি। জাতীয় স্টেডিয়ামে মেয়েদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টে হারানো মুকুট ফিরে পেলেন অভিজ্ঞ শিরিন আক্তার। গত বছর সামার অ্যাথলেটিকসে সুমাইয়া দেওয়ানের কাছে দ্রুততম মানবীর খেতাব হারিয়েছিলেন তিনি।
ইমরানুরকে কেউই তেমন চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেননি। ১০.৫৮ সেকেন্ড সময় নিয়ে ট্র্যাকে ঝড় তোলেন তিনি। জাতীয় ও সামার অ্যাথলেটিক্স মিলিয়ে এ নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো সেরা হলেন ইমরানুর। গত আগস্টের সামার অ্যাথলেটিক্সে ১০.৬৪ সেকেন্ড টাইমিং করা ইমরানুর এবার নিজের টাইমিংয়ের উন্নতি করলেও, ২০২২ সালে গড়া তাঁর ব্যক্তিগত সেরা (১০.২৯ সেকেন্ড) টাইমিং টপকাতে পারেননি। এই ইভেন্টে ১০.৮৬ সেকেন্ড সময় নিয়ে নৌবাহিনীর মোহাম্মদ ইসমাইল দ্বিতীয় এবং বিমানবাহিনীর নাঈম ইসলাম ১০.৯১ সেকেন্ডে তৃতীয় হয়েছেন।
বাড়তি নজর ছিল মেয়েদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টের দিকে। গত বছল সামার অ্যাথলেটিক্সে সুমাইয়া দেওয়ানের কাছে শ্রেষ্ঠত্ব হারানো নৌবাহিনীর শিরিন আক্তার এবার টাইমিংয়ে দারুণ উন্নতি করেছেন। ১২.১০ সেকেন্ড সময় নিয়ে রেকর্ড ১৭ বারের মতো দ্রুততম মানবী হওয়ার গৌরব অর্জন করেন তিনি। অবশ্য শিরিন তাঁর ২০২২ সালের ব্যক্তিগত সেরা টাইমিং (১১.৯৫ সেকেন্ড) স্পর্শ করতে পারেননি।
গত আসরের চ্যাম্পিয়ন সুমাইয়া দেওয়ান এবার ছিলেন একেবারেই বিবর্ণ, ১২.৪১ সেকেন্ড সময় নিয়ে তিনি চতুর্থ হয়ে দৌড় শেষ করেন। ১২.২৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে সেনাবাহিনীর শরিফা খাতুন দ্বিতীয় এবং ১২.৩৪ সেকেন্ডে একই দলের রেখা আক্তার তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।

শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
১৯ মিনিট আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে