২০১৯ ওয়ার্ল্ড আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জিতে টোকিও অলিম্পিকে সরাসরি খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন বাংলাদেশি তিরন্দাজ রোমান সানা। ইতালিয়ান প্রতিপক্ষ মাউরো নেসপলিকে ৭-১ সেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছিলেন রোমান। বাংলাদেশের সেরা তিরন্দাজের হয়তো আফসোস হতে পারে এই খবরে, তাঁর কাছে হেরে যাওয়া নেসপলি এবারের টোকিও অলিম্পিকে পুরুষ এককে জিতেছেন রুপা।
টোকিও অলিম্পিকে পুরুষ এককের বাছাইপর্বে ৬৬২ স্কোর করে ৬৪ প্রতিপক্ষের মধ্যে ১৭তম হয়েছিলেন রোমান। বাছাইপর্বে নেসপলির অবস্থান ছিল রোমানের অনেক পেছনে। ৬৫৮ স্কোর করে ইতালিয়ান তিরন্দাজ বাছাইপর্বে হয়েছিলেন ২৪তম।
প্রথম রাউন্ডে জিতলেও রোমানের অলিম্পিক যাত্রা থেমেছে দ্বিতীয় রাউন্ডেই। কানাডার ডুয়েনাস ক্রিসপিনের কাছে হেরেছিলেন ৪-৬ ব্যবধানে। রোমান হারলেও নেসপলি এগিয়েছেন দুর্দান্ত গতিতে। সেমিফাইনালে ইভেন্টের অন্যতম ফেবারিট চীনা তাইপের চি-চুন ত্যাংকে ৬-২ সেটে হারিয়ে উঠেছিলেন ফাইনালেও।
তবে ফাইনালে উঠেও শেষ হাসি হাসতে পারেননি নেসপলি। তাঁকে ৬-৪ সেটে হারিয়ে এবারের অলিম্পিকে দেশকে প্রথম সোনা এনে দিয়েছেন তুরস্কের মেতে গাজোজ।
নেসপলির খবরে মন খারাপ হলেও একই সঙ্গে আশাবাদীও হতে পারেন রোমান। ২০১৯ ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে যাঁকে হারিয়ে পদক জিতেছিলেন রোমান, সেই নেসপলি অলিম্পিকে পদক জিতে প্রশ্নটা তুলে দিলেন, রোমান কেন নয়? দেশসেরা আর্চার অবশ্য ঘোষণাও দিয়ে রেখেছেন, পরের অলিম্পিকে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরবেন তিনি। ২০২৮ অলিম্পিকে জিততে চান সোনাও। হয়তো রোমানকে আত্মবিশ্বাসী করতে পারে নেসপলির এই পদক জয়ের খবর!

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে