বাংলাদেশ সফরের অস্ট্রেলিয়া দলে বড় কোনো নাম নেই। বড় নামগুলো আপাতত বিশ্রামে। তাঁদের ছাড়াই বাংলাদেশে এসে এখন সম্ভবত বারবার কপাল চাপড়াচ্ছে অস্ট্রেলিয়া!
এসবে অবশ্য মাথা ঘামানোর সময় নেই, দলের নামটাই মুখ্য বাংলাদেশের কাছে। টি-টোয়েন্টির মলিন পরিসংখ্যানটা বদলে দিতে এই দলের বিপক্ষে সিরিজ জয় রাখবে কার্যকরী ভূমিকা। অস্ট্রেলিয়ার যাঁরা বাংলাদেশ সফরে আসেননি, তাঁরা এলেও যে বাংলাদেশকে আরও বেশি প্রস্তুতি নিতে হতো, সেটা নয়। গা-ছাড়া ভাব কোনো দলের সঙ্গেই চলে না পেশাদার ক্রিকেটে।
এই সিরিজটা বাংলাদেশের জন্য অনেক কঠিন ছিল। অস্ট্রেলিয়া দলটা ভরপুর ছিল নবাগতদের ভিড়ে। যাঁদের নিয়ে বাংলাদেশের ছিল না খুব একটা ধারণা। যাঁদের নিয়ে কারোরই কিছু জানা নেই, তাঁদের বিপক্ষে পরিকল্পনা করা একটু কঠিনই। দুর্বলতার দিক কিংবা শক্তির জায়গা নিয়ে বিস্তারিত জ্ঞান-পরিকল্পনা তৈরিতে রাখে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। এমন অচেনাদের নিয়ে পরিকল্পনা করতে একটু বেগ পেতেই হয়।
অনেকের কাছেই এই সিরিজ মিচেল স্টার্ক বনাম মোস্তাফিজুর রহমান হলেও আমার কাছে ছিল দুই দলের তরুণদের লড়াই। যে লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের তরুণেরাই এগিয়ে আছেন। স্টার্ক আর মোস্তাফিজের লড়াইও যে হয়নি, সেটাও না। স্টার্কও এ পর্যন্ত ফিজের চেয়ে ২ উইকেটে পিছিয়ে, যেভাবে অজিরা সিরিজটা পিছিয়ে ২-০ ব্যবধানে। খাদের কিনারা থেকে উঠতে তাই সিরিজের সূচির মাঝে একেবারে নির্ভার থাকার সুযোগ নেই।
স্টার্ক আর মোস্তাফিজের লড়াইয়ের চিত্র বলছে, চেনা উইকেটের পূর্ণ ফায়দা নিতে ভুল করেননি মোস্তাফিজ। কাটারের ভেলকিতে ভ্যাবাচেকা খেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানরা। স্লগে তাঁর চমৎকার পরিণত বোলিং আর অন্য প্রান্ত থেকে তরুণ শরিফুলের যোগ্য সঙ্গ ম্যাচ বাংলাদেশের দিকে রাখতে সহায়তা করেছে। এতেই লম্বা সময় ধরে চলা টি-টোয়েন্টিতে অফ-ফর্মের ধারা এখনো কাটিয়ে ওঠেনি অস্ট্রেলিয়া।
স্টার্ক আর মোস্তাফিজের রোমাঞ্চকর লড়াইটা দেখা যাবে আরও তিন ম্যাচ। তবে আবারও বলতে হচ্ছে, এই সিরিজটা আসলে তরুণদের মেলে ধরার মঞ্চ। এখনো পর্যন্ত নিজেদের প্রমাণে কিছুটা ব্যর্থ অস্ট্রেলিয়া দলের তরুণ ক্রিকেটাররা। বাংলাদেশের ছবিটা ঠিক উল্টো।
বাংলাদেশ দুটি ম্যাচই জিতেছে তরুণদের হাত ধরে। আর উইন্ডিজ সফর থেকেই নিষ্প্রভ অজি তরুণেরা। যে আশায় ওয়ার্নার, স্মিথ, ফিঞ্চ আর ম্যাক্সওয়েলের জায়গায় স্থান দেওয়া হয়েছে নতুনদের, সে আস্থার প্রতিদান এখনো সেভাবে তাঁরা দিতে পারেননি। বাংলাদেশ দলের মেহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, শরিফুলের সঙ্গে অভিজ্ঞ সাকিব-মোস্তাফিজের দুর্দান্ত বোলিংয়ের কোনো জবাব দিতে পারেননি তাঁরা।
ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা বলেই গত ম্যাচটা বেশ কঠিন করেই জিতেছে বাংলাদেশ। এর মাঝেও আছে কিছু আক্ষেপের গল্প। সৌম্যের আত্মঘাতী শট খেলার অভ্যাস এখনো কাটেনি। হাতে পর্যাপ্ত শটের অভাবে শট নির্বাচনের ভুল কাটিয়ে উঠতে সময় নিচ্ছেন আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাঈমও। তবু আফিফ হোসেন আর নুরুল হাসান সোহানের পরিণত ব্যাটিং দেখাচ্ছে নতুন স্বপ্ন।
সোহান, আফিফ, মেহেদী, নাসুমের হাত ধরে চলছে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের নবযাত্রা। এই যাত্রা অব্যাহত রাখতে এই ছন্দ তাঁদের ধরে রাখতে হবে। বাকি তিন ম্যাচেও সমর্থকদের অপেক্ষা তরুণদের নতুন ঝলক দেখার। মুশফিক ও তামিমের অনুপস্থিতিতে ব্যাটিং অর্ডার নড়বড়ে হলেও তরুণেরা কঠিন পরিস্থিতিতে দলকে জয়ের প্রান্তে নেওয়ার অভ্যাসটা ধরে রাখুন। আগামীর কান্ডারিরা এই ধারা অব্যাহত রাখবেন। এটিই প্রত্যাশা।
লেখক: ক্রিকেট সমালোচক, সাংবাদিক

সাবেক মালিক রোমান আব্রামোভিচের আমলে সংঘটিত একাধিক নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে শাস্তি পেয়েছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব চেলসি। ২০০৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এফএ) ৭৪টি নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ স্বীকার করার পর ক্লাবটিকে ১০ মিলিয়ন পাউন্ড জরিমানা করা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১
৮ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সবশেষ ওয়ানডে সিরিজে চোট পেয়েছিলেন বুমরা। সেই চোটের কারণেই লর্ডসে হওয়া তৃতীয় ওয়ানডেতে খেলতে পারেননি। এ জন্য ফিট হওয়া শর্তে শ্রীলঙ্কা সফরের দলে রাখা হয়েছিল বুমরাকে। বেঙ্গালুরুর বিসিসিআই সেন্টার অব এক্সেলেন্সের (সিওই) নির্ধারিত ফিটনেস পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করে খেলার ছাড়পত্র পেয়েছে
৯ ঘণ্টা আগে
বেশ তোপের মুখেই আছে ফিফা। বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে প্রতিযোগিতার শেয়ার বিক্রির বিতর্কিত প্রস্তাবে ফিফার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে তিন মহাদেশীয় শীর্ষ সংস্থা উয়েফা, কনকাকাফ ও এএফসি। এরপরও বিশ্বকাপে দলসংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে থেমে নেই বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
৯ ঘণ্টা আগে
নতুন মৌসুমকে সামনে রেখে প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছে আল নাসর। ২০২৬-২০২৭ মৌসুম শুরুর আগে দলের প্রায় সব বিদেশি খেলোয়াড়ই অনুশীলন ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন। তবে এখনো দলের সঙ্গে যোগ দেননি সবচেয়ে বড় তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।
১০ ঘণ্টা আগে