
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সর্বশেষ ম্যাচটিতে ছিলেন না নেইমার। ম্যাচের আগের দিন অনুশীলনে মাংসপেশিতে চোট পেয়েছেন জানালে সুপার ক্ল্যাসিকোতে তাঁকে না খেলানোর সিদ্ধান্ত নেয় দল। কিন্তু এর চার দিন পর জানা গেল চোটে পড়ে মাঠে না নামলেও নৈশ ক্লাবে গিয়ে ব্রাজিলিয়ান মডেল মারিয়ানা রিওসের সঙ্গে উদ্যম নেচেছিলেন নেইমার।
নৈশ ক্লাবে গিয়ে নেইমারের নগ্ননৃত্যে মজার বিষয়টি সামনে এনেছে ব্রাজিলের টিভি অনুষ্ঠান ‘ওস দনোস দা বোলা।’ তারা জানিয়েছে, ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে সাও পাওলোয় এক নৈশ ক্লাবে পার্টিতে নাচতে দেখা গেছে নেইমারকে। ব্রাজিলিয়ান তারকার নাচে মত্ত হওয়ার ভিডিও ফুটেজও প্রকাশ করেছে ওই টিভি অনুষ্ঠান। অথচ ম্যাচ খেলতে না পারা নেইমার দলের সঙ্গে সান জুয়ানে না গিয়ে পিএসজি ফিরে গেছেন বলে তখন জানানো হয়েছিল। অফিশিয়ালি এটি জানানো হলেও নেইমার তখন ছিলেন সাও পাওলোর নৈশ ক্লাবে।
নেইমারের এই কাণ্ডে সমালোচনা করেছেন ‘ওস দনোস দা বোলা’ অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক। তাঁর মতে, মাংসপেশির এমন চোট নিয়ে চাইলে খেলা যায়, তবে এমন চোট নিয়ে এভাবে কেউ নাচতে পারে না, ‘মাংসপেশির চোট নিয়ে আপনি খেলতে পারেন। এমনি পায়ের হাড়ের ব্যথা নিয়েও খেলা যায়। কিন্তু মাংসপেশি কিংবা ঊরুতে চোট নিয়ে কেউ এভাবে নাচতে পারে না।’

লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, আর্লিং হালান্ড—গত রাত থেকে এ কী শুরু করেছেন তাঁরা! একজনের যেখানে শেষ আরেকজনের সেখানে শুরু। ২ সংখ্যাটিই তিন জনকে মিলিয়ে দিয়েছে এক বিন্দুতে। মেসি, এমবাপ্পের পর হালান্ডের পায়ের জাদুও দেখেছেন কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী।
২৩ মিনিট আগে
ফিলাডেলফিয়ায় বজ্রঝড়ে দুই ঘণ্টার মতো সময় খেলা বন্ধ থাকলেও থামানো যায়নি কিলিয়ানো এমবাপ্পেকে। করলেন জোড়া গোল। তাঁর জ্বলে ওঠার রাতে ৪০ বছর পর বিশ্বকাপ খেলতে আসা ইরাককে উড়িয়ে ফ্রান্স নিশ্চিত করল নকআউট পর্বের টিকিট।
১ ঘণ্টা আগে
প্রথমার্ধের শেষদিকে হঠাৎ আকাশ কালো করে মুষলধারে বৃষ্টি ও প্রবল বজ্রপাত শুরু হলে রেফারি বিরতির বাঁশি বাজান। ফিফার কঠোর নিরাপত্তা প্রোটোকল অনুযায়ী, স্টেডিয়ামের নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে শেষ বজ্রপাতের পর অন্তত ৩০ মিনিট খেলা শুরু করা যায় না। ফরাসি ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে জানানো সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ঝড়
৪ ঘণ্টা আগে
চলতি বিশ্বকাপে নিজের এই রেকর্ড ভেঙে যাবে—এমনটা টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক আগেই সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছিলেন ক্লোসা। তিনি বলেছিলেন, ‘এটা খুবই স্বাভাবিক বিষয়। রেকর্ড তো একদিন না একদিন ভাঙবেই, আর মেসি যদি সেটা ভাঙে তবে তাকে স্বাগত। আমি সবসময়ই মেসির একজন বড় ভক্ত। মেসি এক কথায় একজন জিনিয়াস।’
৫ ঘণ্টা আগে