
ফেডারেশন কাপের প্রথম ম্যাচে কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস। আজ কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে অধিনায়ক তপু বর্মণের একমাত্র গোলে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে হারিয়েছে ভ্যালেরি তিতের দল।
ম্যাচ শুরুর আগেই মাঠ নিয়ে আলোচনা। ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামের মাঠ তেমন খেলার জন্য উপযুক্ত ছিল না। আগের দিনই ওঠানো হয়েছে ক্রিকেট পিচ। তাই মাঝমাঠ মনে হয়েছে ন্যাড়া। অন্য জায়গায় ঘাসের পরিমাণ কমই ছিল। এমন সমস্যাজর্জর মাঠে টেনেটুনে জিতেই সন্তুষ্ট কিংস। তবে ব্রাদার্স চেষ্টা করেছিল ড্র করে হলেও পয়েন্টে ভাগ বসাতে। শেষ পর্যন্ত সেটা পারেনি তারা। শুরু থেকে রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলেও এক গোল হজম করে। আর গোলটা আসে দ্বিতীয়ার্ধে ৬৯ মিনিটে। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড মিগেল ফিগেইরা দামাশেনোর ক্রসে লাফিয়ে মাথা ছুঁইয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তপু। বাকি সময় চেষ্টা করেও আর গোল শোধ করতে পারেনি ব্রাদার্স।
এক গোলের জয় হলেও মৌসুমের শুরুটা ভালো হলো কিংসের। চ্যালেঞ্জ কাপ জেতার পর প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল চট্টগ্রাম আবাহনীকে। এবার ফেডারেশন কাপের মুকুট ধরে রাখার মিশনের শুরুতেও জয়ের হাসি।
দিনের আরেক ম্যাচে ময়মনসিংহের রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ পুলিশ নামে ফর্টিস এফসির বিপক্ষে। ‘বি’ গ্রুপে থাকা দল দুটির শুরুটা হলো গোলশূন্য ড্র দিয়ে।

ব্রাজিলের সমর্থক হলে এই পরিসংখ্যান আপনার অজানা থাকার কথা নয়। তাই ম্যাচের আগে মনের কোথাও না কোথাও একটু শঙ্কা থাকতেই পারে। তবে আপনার মনে যা-ই থাকুক, নিশ্চয় চাইবেন, মাঠে নামার সময় নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের মনে যেন নরওয়েকে কখনো হারাতে না পারার সেই পুরোনো দুঃস্মৃতি একবারের জন্যও ফিরে না আসে।
২ ঘণ্টা আগে
মায়ামির রাতটা শেষ হয়েছিল আর্জেন্টিনার উল্লাসে। গ্যালারিজুড়ে তখন আকাশি-সাদা পতাকার ঢেউ, মেসির নামধ্বনি আর শেষ ষোলো নিশ্চিত করার আনন্দ। কিন্তু মাঠের এক কোণে অন্য এক দৃশ্য ফুটে উঠছিল। চোখে জল নিয়ে মাটিতে বসে ছিলেন কেপ ভার্দের ফুটবলাররা।
২ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিল কখনোই নরওয়েকে হারাতে পারেনি। ব্রাজিলকে হারাতে পারলে সেটিকে কি এই বিশ্বকাপের বড় অঘটন বলা হবে? কোনো রাখঢাক না রেখেই উত্তর দিয়েছেন নরওয়ের কোচ, ‘হ্যাঁ, আমারও মনে হয়, সেটি একটি চমকই হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমার্ধে যারা ছিল ছন্নছাড়া, দ্বিতীয়ার্ধে তারাই হয়ে ওঠে নির্মম। আর কানাডা? সাহসী ফুটবল খেলেও শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও সুযোগ কাজে লাগানোর পার্থক্যেই থেমে গেল তাদের স্বপ্নের দৌড়। মরক্কো অবশ্য আরেকবার জানিয়ে দিল, ২০২২ সালের সেমিফাইনাল কোনো অঘটন ছিল না; বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে তারা এখনও সবচেয়ে কঠিন প্
৩ ঘণ্টা আগে