
ব্রাজিলের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে বাস্তবতাটা ভালো করেই জানেন স্টেল সোলবাকেন। প্রতিপক্ষ পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, কাগজে-কলমেও ফেবারিট। তবু নরওয়ে কোচের বিশ্বাস, ফুটবল সব সময় হিসাব মেনে চলে না। নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে পারলে ব্রাজিলকে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন দেখতেই পারে তাঁর দল।
নিউজার্সিতে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে কাল বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে নরওয়ে। সোলবাকেন ঠিকই ব্রাজিলকে ফেবারিট মানছেন। তবে ব্রাজিলকে ভয় পাওয়ার কিছু দেখছেন না তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে নরওয়ে কোচ বলেন, ‘ব্রাজিল এখনো ফেবারিট। আমি বলেছি, হয়তো তারা আগের মতো বড় ফেবারিট আর নয়। সম্ভাবনাকে শতকরা হিসাবে প্রকাশ করা কঠিন। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা ব্রাজিলকে হারাতে পারি। তবে সেটা করতে হলে মাঠে আমাদের শতভাগ উজাড় করে খেলতে হবে। ব্রাজিলকে হারানোর সুযোগ আমাদের অবশ্যই আছে।’
গ্রুপ পর্বে দারুণ ছন্দে থাকা নরওয়ে এবার সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার সামনে। আর সেই পরীক্ষায় ব্রাজিলের আক্রমণভাগকেই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন সোলবাকেন। কার্লো আনচেলত্তির দলে আক্রমণে যে বৈচিত্র্য আছে, সেটাই ভাবাচ্ছে তাঁকে, ‘ব্রাজিলের আক্রমণভাগের তিন খেলোয়াড় যে ভিন্ন ভিন্ন সমন্বয় তৈরি করবে, আমরা সেটি কতটা সামলাতে পারি, তা দেখতে হবে। তারা চারজন আক্রমণভাগের খেলোয়াড় নিয়েও খেলতে পারে, যেমন জাপানের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে খেলেছিল। তাদের সঙ্গে আমরা কতটা তাল মিলিয়ে চলতে পারি, সেটাই দেখতে হবে।’
ব্রাজিল কখনোই নরওয়েকে হারাতে পারেনি। ব্রাজিলকে হারাতে পারলে সেটিকে কি এই বিশ্বকাপের বড় অঘটন বলা হবে? কোনো রাখঢাক না রেখেই উত্তর দিয়েছেন নরওয়ের কোচ, ‘ হ্যাঁ, আমারও মনে হয়, সেটি একটি চমকই হবে।’
এই ম্যাচের আরেকটি আলোচিত বিষয় আর্লিং হালান্ড ও গাব্রিয়েল মাগালাইসের দ্বৈরথ। তবে ব্যক্তিগত লড়াইয়ের চেয়ে দলগত লড়াইকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন সোলবাকেন, ‘এই বিশ্বকাপে ব্রাজিলের রক্ষণজুটি অন্যতম শক্তিশালী। গাব্রিয়েল মাগালাইস ও মার্কিনিওস—দুজনই উঁচুমানের খেলোয়াড়। তবে এটি ব্রাজিল–নরওয়ে ম্যাচ। নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ব্যক্তিগত দ্বৈরথ হবে, কিন্তু আমার কাছে এটি শেষ পর্যন্ত ব্রাজিল বনাম নরওয়েরই লড়াই।’

ব্রাজিলের সমর্থক হলে এই পরিসংখ্যান আপনার অজানা থাকার কথা নয়। তাই ম্যাচের আগে মনের কোথাও না কোথাও একটু শঙ্কা থাকতেই পারে। তবে আপনার মনে যা-ই থাকুক, নিশ্চয় চাইবেন, মাঠে নামার সময় নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের মনে যেন নরওয়েকে কখনো হারাতে না পারার সেই পুরোনো দুঃস্মৃতি একবারের জন্যও ফিরে না আসে।
৩৩ মিনিট আগে
মায়ামির রাতটা শেষ হয়েছিল আর্জেন্টিনার উল্লাসে। গ্যালারিজুড়ে তখন আকাশি-সাদা পতাকার ঢেউ, মেসির নামধ্বনি আর শেষ ষোলো নিশ্চিত করার আনন্দ। কিন্তু মাঠের এক কোণে অন্য এক দৃশ্য ফুটে উঠছিল। চোখে জল নিয়ে মাটিতে বসে ছিলেন কেপ ভার্দের ফুটবলাররা।
১ ঘণ্টা আগে
প্রথমার্ধে যারা ছিল ছন্নছাড়া, দ্বিতীয়ার্ধে তারাই হয়ে ওঠে নির্মম। আর কানাডা? সাহসী ফুটবল খেলেও শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও সুযোগ কাজে লাগানোর পার্থক্যেই থেমে গেল তাদের স্বপ্নের দৌড়। মরক্কো অবশ্য আরেকবার জানিয়ে দিল, ২০২২ সালের সেমিফাইনাল কোনো অঘটন ছিল না; বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে তারা এখনও সবচেয়ে কঠিন প্
২ ঘণ্টা আগে
প্রতি ম্যাচের আগেই স্টেডিয়ামে ফিফার উপস্থাপকেরা একটা মজার খেলা খেলেন দর্শকদের সঙ্গে। দুই দলের দর্শকদের আলাদা আহ্বান করেন, যতটা জোরে পারা যায় চিৎকার করতে। সেই কান ফাটানো চিৎকারের খেলায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার দর্শকদের সঙ্গে পেরে ওঠা কঠিন।
৪ ঘণ্টা আগে