
কানসাস সিটিতে চলছে আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনাল। হঠাৎই ক্যামেরার লেন্স ঘুরে গেল আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের জার্সিতে কালো আর্মব্যান্ডের দিকে। লিওনেল মেসি-লিসান্দ্রো মার্তিনেসদের কালো আর্মব্যান্ড পরার কারণ আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ফুটবলারের মৃত্যু।
আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের সাবেক মিডফিল্ডার আন্তোনিও রাতিন গতকাল ৮৯ বছর বয়সে মারা যান। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই আজ কানসাসে কোয়ার্টার ফাইনালে কালো আর্মব্যান্ড পরে খেলছে। ফিফার কাছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) কালো আর্মব্যান্ডের অনুমতি চেয়েছে। বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থাও তাতে রাজি হয়েছে। এ ছাড়া এক মিনিট নীরবতাও পালন করা হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার জেইডেন অ্যাডামসের স্মরণে। গতকাল তিনি মাত্র ২৫ বছর বয়সে চলে যান না ফেরার দেশে। খেলেছিলেন চলতি বিশ্বকাপেও।
রাতিনের ডাক নাম ছিল এল রাতা। তিনি বোকা জুনিয়র্সের প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। দুর্দান্ত লড়াকু মানসিকতা, তেজস্বী স্বভাব এবং অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী রাতিন এমন এক খেলার ধারা গড়ে তুলেছিলেন, যা পরে রুবেন সুয়ে, ব্লাস আরমান্দো জিউন্তা এবং মরিসিও সের্নার মতো কিংবদন্তিরা অনুসরণ করেন।
বোকা জুনিয়র্সের সর্বকালের অন্যতম সেরা কিংবদন্তি হিসেবে রাতিন তাঁর ক্যারিয়ারে ক্লাবের জার্সি বাদে শুধু আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের জার্সি পড়েছেন। বোকার যুব একাডেমি থেকে উঠে এসে মাত্র ১৯ বছর বয়সে অভিষেক হয়েছে। ১৫ বছরের পেশাদার ক্যারিয়ারে তিনি বোকার হয়ে ৩৮২ ম্যাচ খেলেছেন। প্রত্যেকটিতেই ছিলেন শুরুর একাদশে। ১৯৬২, ১৯৬৪ ও ১৯৬৫ সালের লিগ চ্যাম্পিয়নশিপ এবং ১৯৬৯ সালের কোপা আর্জেন্টিনা—ক্লাব ফুটবলে এই চার শিরোপা জেতেন তিনি।
আর্জেন্টিনার বাইরে বিশ্ব ফুটবল তাঁকে চিরকাল মনে রাখবে ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত ম্যাচটির জন্য। সেই ম্যাচে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের কাছে ১-০ গোলে হেরেছিল আর্জেন্টিনা। ম্যাচ চলাকালীন জার্মান রেফারি রুডলফ ক্রেইটলেইন তাঁকে মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দিলে তিনি অস্বীকৃতি জানান। রাতিনের দাবি ছিল, রেফারি স্প্যানিশ জানতেন না, তাই তিনি রেফারির ভাষা বুঝতে পারছিলেন না। সেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং রেফারি ও খেলোয়াড়দের মধ্যে ভাষার দূরত্বের কারণে সৃষ্ট জটিলতা এড়াতেই ফুটবলের নিয়মে আসে ঐতিহাসিক পরিবর্তন। পরবর্তীতে ১৯৭০ মেক্সিকো বিশ্বকাপে রেফারিদের জন্য হলুদ ও লাল কার্ডের নিয়ম চালু করে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফা।
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শেষভাগে এসে পড়েছে। ১৪ জুলাই ডালাসে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স-স্পেন। দ্বিতীয় সেমিফাইনাল আটলান্টায় হবে ১৫ জুলাই। এরই মধ্যে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইংল্যান্ড দ্বিতীয় সেমিতে উঠে গেছে। কানসাস সিটিতে চলমান আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র অবস্থায় রয়েছে।

কথায় আছে, চ্যাম্পিয়নরা পথ খুঁজে নেয়। আর্জেন্টিনা যেন আবারও সেটিই প্রমাণ করল। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে জয়ের দরজা খুলেও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। অতিরিক্ত সময়েও একের পর এক আক্রমণ ব্যর্থ হচ্ছিল। সুইজারল্যান্ড ১০ জন নিয়েও বুক চিতিয়ে লড়ছিল। ঠিক তখনই আবির্ভাব হুলিয়ান আলভারেসের। ১১২ মিনিটে তাঁর অসাধারণ এক বা
৫ মিনিট আগে
লিওনেল মেসিকে আপনি হাসতে দেখেছেন। আবার কাঁদতেও দেখেছেন। কিন্তু রেফারির দিকে আঙুল উঁচিয়ে মেসির কথা বলার দৃশ্য অপরিচিতই বটে। কানসাসে আজ সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডকে দেখা গেছে ক্রুদ্ধ অবস্থায়।
২৬ মিনিট আগে
কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার জন্য মাঠের লড়াইটা কঠিনই চলছে। সেই লড়াইয়ের মাঝেই আরেকটি অস্বস্তিকর মুহূর্তের মুখোমুখি হন লিওনেল মেসি। দ্বিতীয়ার্ধে তাঁর ডান চোখের পাশে কেটে রক্ত পড়তে দেখা যায়, যদিও ঘটনাটি রেফারি জোয়াও পেদ্রো সিলভা পিনেইরোর নজর এড়িয়ে যায়।
৩০ মিনিট আগে
মাত্র ১০ মিনিটেই এগিয়ে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। এরপর আরও ৮০ মিনিটের বেশি সময় ছিল সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার। কিন্তু সেই সময়টুকু যত গড়িয়েছে, ম্যাচ ততই আর্জেন্টিনার হাতছাড়া হয়েছে। সুইজারল্যান্ড ধৈর্য হারায়নি, বরং চাপ বাড়িয়েছে।শেষ পর্যন্ত ৬৭ মিনিটে দান এনদোয়ের গোলে সমতাও ফিরিয়েছে। ৭২ মিনি
১ ঘণ্টা আগে