
চোট যেন নেইমারের নিত্যসঙ্গী। ক্যারিয়ারে মাঠে যতটুকু খেলেছেন, তার চেয়ে বেশি যে চোট খেলছে তাঁর সঙ্গে। আন্তর্জাতিক ফুটবলেও তাঁর ফেরার অপেক্ষা তাই বাড়ছে। সদ্য কোচ হয়ে আসা কার্লো আনচেলত্তির ব্রাজিল দলে জায়গা হয়নি নেইমারের।
ব্রাজিলে আনচেলত্তি পৌঁছেছেন পরশু। পৌঁছানোর পরদিনই (গত রাতে) সেলেসাওদের কোচ হিসেবে প্রথম দল ঘোষণা করেছেন আনচেলত্তি। জুনে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দুই ম্যাচের জন্য ২৫ সদস্যের দল ঘোষণা করা হয়েছে। চোটের সঙ্গে লড়তে থাকায় নেইমারের জায়গা হয়নি ব্রাজিল দলে। ৩৩ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডের বাদ পড়ার দিনে আলোচিত ঘটনা কাসেমিরোর ফেরা। প্রায় এক বছর পর কাসেমিরো ফিরলেন জাতীয় দলে।
২৬ সদস্যের দলে গোলরক্ষক আছেন তিন জন। সেই তিন গোলরক্ষক তিন ক্লাবের। যাঁদের মধ্যে আছেন ২০২৪-২৫ মৌসুমের ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ জয়ী লিভারপুলের আলিসন বেকার। রক্ষণভাগের ৯ ফুটবলারের ৪ জনই ফ্ল্যামেঙ্গো ক্লাবের। পিএসজির মারকিনিওস, বেরালদোর মতো ফুটবলাররা বাছাইপর্বে সামলাবেন ব্রাজিলের রক্ষণভাগ।
মাঝমাঠে কাসেমিরোর সঙ্গে থাকছেন এদেরসন, ব্রুনো গিমারেসের মতো ফুটবলাররা। আক্রমণভাগে আছেন ২০২৪-২৫ মৌসুমের লা লিগায় বার্সেলোনার শিরোপা জয়ের অন্যতম কারিগর রাফিনিয়া। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি, রিচার্লিসনরাও থাকছেন ব্রাজিলের আক্রমণভাগে।
৫ ও ১০ জুন ইকুয়েডর ও প্যারাগুয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। ১৪ ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে ব্রাজিল দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বের পয়েন্ট তালিকার চারে অবস্থান করছে। এই অঞ্চল থেকে শীর্ষ ছয় দল সরাসরি খেলবে ২০২৬ বিশ্বকাপে। সুযোগ আছে সপ্তম দলেরও। আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফ পেরিয়ে বিশ্বকাপের টিকিট কাটতে হবে সেই দলকে।
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ব্রাজিল দল
গোলরক্ষক
আলিসন (লিভারপুল), বেন্তো (আল নাসর), হুগো সুজা (করিন্থিয়ানস)
রক্ষণভাগ
আলেক্স সান্দ্রো (ফ্ল্যামেঙ্গো), দানিলো (ফ্ল্যামেঙ্গো), লিও ওরতিজ (ফ্ল্যামেঙ্গো), ওয়েসলি (ফ্ল্যামেঙ্গো), বেরালদো (পিএসজি), মারকিনিওস (পিএসজি), আলেসান্দ্রো (লিল), কার্লোস আলগুস্তো (ইন্টার মিলান), ভ্যান্ডারসন (মোনাকো)
মাঝমাঠ
আন্দ্রেয়াস পেরেইরা (ফুলহাম), ব্রুনো গিমারেস (নিউক্যাসল), আন্দ্রেই সান্তোস (স্ত্রাসবুর্গ), কাসেমিরো (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), এদেরসন (আতালান্তা), গারসন (ফ্ল্যামেঙ্গো)
ফরোয়ার্ড
এস্তেভাও (পালমেইরাস), আন্তনি (বেতিস), গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি (আর্সেনাল), ম্যাথিউস কুনিয়া (উলভস), ভিনিসিয়ুস জুনিয়র (রিয়াল মাদ্রিদ), রাফিনিয়া (বার্সেলোনা), রিচার্লিসন (টটেনহাম)

সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২০ মিনিট আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২০ মিনিট আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
২২ মিনিট আগে
আটলান্টার দিনটা কি আবার লিওনেল মেসির হবে? নাকি সেই আলো কেড়ে নেবেন মোহামেদ সালাহ? ৯০ মিনিটে (যদি অতিরিক্ত সময় না লাগে) একজনের বিশ্বকাপ-স্বপ্ন আরও বড় হবে, অন্যজনের যাত্রা থেমে যাবে সেখানেই। বিশ্বকাপের নকআউটে সৌন্দর্যের চেয়ে বেঁচে থাকাটাই বড়। কে কত ভালো খেলল, সেটি ইতিহাস খুব বেশি মনে রাখে না;
২৬ মিনিট আগে