
বার্সেলোনার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে লিওনেল মেসিকে নিয়ে আলাদা করে পরিকল্পনা করতে হতো রিয়াল মাদ্রিদকে। এক যুগের বেশি সময় ধরে রিয়ালের আতঙ্কই যেন ছিলেন আর্জেন্টাইন সুপার স্টার। সেটি এখন অতীত। কিন্তু হালের তারকা হুলিয়ান আলভারেজও যেন রিয়ালের জন্য নতুন আতঙ্ক হয়ে উঠলেন। গতকাল চ্যাম্পিয়নস লিগে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে আতলেতিকো মাদ্রিদকে ২-১ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
ম্যাচ রিয়াল জিতলেও আলভারেজের দুর্দান্ত এক গোল নজর কেড়েছে ফুটবলপ্রেমীদের। দুই দলের এর আগের ম্যাচ, অর্থাৎ লা লিগার ফিরতি দেখায়ও রিয়ালের জাল কাঁপান আর্জেন্টিনার এই তরুণ ফরোয়ার্ড। চলতি চ্যাম্পিয়নস লিগে এরই মধ্যে ৯ ম্যাচে ৭ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট আলভারেজের। ফিরতি লেগে এই আর্জেন্টাইন আতঙ্কের কথা হয়তো আলাদা করে মনে রাখতেই হবে রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তির।
বল দখলে কিছুটা এগিয়ে থাকা রিয়াল মাদ্রিদ আক্রমণে সুযোগও তৈরি করল বেশি। কঠিন লড়াইয়ে এমন পারফরম্যান্সের কাঙ্ক্ষিত প্রতিদান মিলল শিরোপাধারীদের। তবে জয়টা সহজ ছিল না। চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রায় আট বছর পর আতলেতিকোর বিপক্ষে জিতল তারা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চার ম্যাচ পর মাদ্রিদ ডার্বিতে জয় দেখল লস ব্লাঙ্কোসরা।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে খেলার চতুর্থ মিনিটেই ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার রদ্রিগোর দারুণ এক লক্ষ্যভেদে এগিয়ে যায় রিয়াল। নিজেদের প্রান্ত থেকে ফেদেরিকো ভালভার্দের লম্বা করে বাড়ানো পাস গতির সৌজন্যে নিয়ন্ত্রণে নেন তিনি। তারপর ডানদিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে ক্লেমন্ত লংলেকে কাটিয়ে বাঁ পায়ে নেন নিখুঁত শট। থামানোর কোনো উপায় ছিল না সফরকারী গোলরক্ষক ইয়ান ওবলাকের।
রিয়ালের একচ্ছত্র দাপট সামলে ধীরে ধীরে গোছানো শুরু করে আতলেতিকো। বেশ কয়েকবার রক্ষণে ভীতি ছড়ানোর পর তারা উদ্যাপনের মুহূর্ত পায় ৩২ মিনিটে। নজরকাড়া গোলে দলকে সমতায়ে ফেরান আলভারেজ। গালানের কাছ থেকে বাঁ দিকে বল পেয়ে যান তিনি। তারপর এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গার চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে ঢুকে পড়েন ডি-বক্সে। দুরূহ কোণ থেকে তার ডান পায়ের শট দূরের পোস্ট দিয়ে জালে জড়ায়। ঝাঁপিয়ে পড়া রিয়ালের গোলরক্ষক থিবো কর্তোয়ার পক্ষে এ বল ফেরানো অসম্ভবই ছিল।
প্রথমার্ধ শেষ হলো ১-১ সমতায়। কিছুটা ঝিমিয়ে পড়া রিয়াল দ্বিতীয়ার্ধের ১০ম মিনিটে ফের এগিয়ে যায় পাল্টা আক্রমণের কল্যাণে। ফেরলান্দ মেন্দির পাস ধরে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন ব্রাহিম দিয়াজ। পায়ের কারুকাজে প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়কে কাটিয়ে জায়গা করেন। তারপর আরও কয়েকজনের মাঝ দিয়ে ডান পায়ে শট নেন মরোক্কান মিডফিল্ডার। আরেক দফা পরাস্ত হন ওবলাক। পরে চেষ্টা করেও আর সমতায় ফিরতে পারেনি আতলেতিকো।
চ্যাম্পিয়নস লিগে আতলেতিকোর বিপক্ষে সবশেষ ২০১৭ সালের মে মাসে মৌসুমের প্রথম লেগে জিতেছিল রিয়াল। এর মাঝে অবশ্য একটি ম্যাচই হয়েছিল। সেই বছরই ফিরতি লেগে ২-১ ব্যবধানে আতলেতিকোর কাছে হেরেছিল তারা। আগামী বুধবার রাতে আতলেতিকোর মাঠ এস্তাদিও মেত্রোপলিতানোয় চলতি মৌসুমের শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগ খেলতে যাবে রিয়াল।

বার্সেলোনার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে লিওনেল মেসিকে নিয়ে আলাদা করে পরিকল্পনা করতে হতো রিয়াল মাদ্রিদকে। এক যুগের বেশি সময় ধরে রিয়ালের আতঙ্কই যেন ছিলেন আর্জেন্টাইন সুপার স্টার। সেটি এখন অতীত। কিন্তু হালের তারকা হুলিয়ান আলভারেজও যেন রিয়ালের জন্য নতুন আতঙ্ক হয়ে উঠলেন। গতকাল চ্যাম্পিয়নস লিগে শেষ ষোলোর প্রথম লেগে আতলেতিকো মাদ্রিদকে ২-১ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
ম্যাচ রিয়াল জিতলেও আলভারেজের দুর্দান্ত এক গোল নজর কেড়েছে ফুটবলপ্রেমীদের। দুই দলের এর আগের ম্যাচ, অর্থাৎ লা লিগার ফিরতি দেখায়ও রিয়ালের জাল কাঁপান আর্জেন্টিনার এই তরুণ ফরোয়ার্ড। চলতি চ্যাম্পিয়নস লিগে এরই মধ্যে ৯ ম্যাচে ৭ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট আলভারেজের। ফিরতি লেগে এই আর্জেন্টাইন আতঙ্কের কথা হয়তো আলাদা করে মনে রাখতেই হবে রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তির।
বল দখলে কিছুটা এগিয়ে থাকা রিয়াল মাদ্রিদ আক্রমণে সুযোগও তৈরি করল বেশি। কঠিন লড়াইয়ে এমন পারফরম্যান্সের কাঙ্ক্ষিত প্রতিদান মিলল শিরোপাধারীদের। তবে জয়টা সহজ ছিল না। চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রায় আট বছর পর আতলেতিকোর বিপক্ষে জিতল তারা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চার ম্যাচ পর মাদ্রিদ ডার্বিতে জয় দেখল লস ব্লাঙ্কোসরা।
সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে খেলার চতুর্থ মিনিটেই ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার রদ্রিগোর দারুণ এক লক্ষ্যভেদে এগিয়ে যায় রিয়াল। নিজেদের প্রান্ত থেকে ফেদেরিকো ভালভার্দের লম্বা করে বাড়ানো পাস গতির সৌজন্যে নিয়ন্ত্রণে নেন তিনি। তারপর ডানদিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে ক্লেমন্ত লংলেকে কাটিয়ে বাঁ পায়ে নেন নিখুঁত শট। থামানোর কোনো উপায় ছিল না সফরকারী গোলরক্ষক ইয়ান ওবলাকের।
রিয়ালের একচ্ছত্র দাপট সামলে ধীরে ধীরে গোছানো শুরু করে আতলেতিকো। বেশ কয়েকবার রক্ষণে ভীতি ছড়ানোর পর তারা উদ্যাপনের মুহূর্ত পায় ৩২ মিনিটে। নজরকাড়া গোলে দলকে সমতায়ে ফেরান আলভারেজ। গালানের কাছ থেকে বাঁ দিকে বল পেয়ে যান তিনি। তারপর এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গার চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে ঢুকে পড়েন ডি-বক্সে। দুরূহ কোণ থেকে তার ডান পায়ের শট দূরের পোস্ট দিয়ে জালে জড়ায়। ঝাঁপিয়ে পড়া রিয়ালের গোলরক্ষক থিবো কর্তোয়ার পক্ষে এ বল ফেরানো অসম্ভবই ছিল।
প্রথমার্ধ শেষ হলো ১-১ সমতায়। কিছুটা ঝিমিয়ে পড়া রিয়াল দ্বিতীয়ার্ধের ১০ম মিনিটে ফের এগিয়ে যায় পাল্টা আক্রমণের কল্যাণে। ফেরলান্দ মেন্দির পাস ধরে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন ব্রাহিম দিয়াজ। পায়ের কারুকাজে প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়কে কাটিয়ে জায়গা করেন। তারপর আরও কয়েকজনের মাঝ দিয়ে ডান পায়ে শট নেন মরোক্কান মিডফিল্ডার। আরেক দফা পরাস্ত হন ওবলাক। পরে চেষ্টা করেও আর সমতায় ফিরতে পারেনি আতলেতিকো।
চ্যাম্পিয়নস লিগে আতলেতিকোর বিপক্ষে সবশেষ ২০১৭ সালের মে মাসে মৌসুমের প্রথম লেগে জিতেছিল রিয়াল। এর মাঝে অবশ্য একটি ম্যাচই হয়েছিল। সেই বছরই ফিরতি লেগে ২-১ ব্যবধানে আতলেতিকোর কাছে হেরেছিল তারা। আগামী বুধবার রাতে আতলেতিকোর মাঠ এস্তাদিও মেত্রোপলিতানোয় চলতি মৌসুমের শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগ খেলতে যাবে রিয়াল।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২৩ মিনিট আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
১ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩ সপ্তাহ বাকি থাকলেও এখনো বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত নন তানজিদ হাসান তামিম। এই বাঁ হাতি ব্যাটারের বিশ্বাস, বিষয়টি ভালোভাবেই দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসি।
১ ঘণ্টা আগে