ম্যানচেস্টার সিটির কিংবদন্তি তারকা সার্জিও আগুয়েরো। ম্যানসিটির হয়ে দারুণ সব অর্জন আছে আগুয়েরোর দখলে। সিটিতে তাঁর যোগ্য উত্তরসূরি বিবেচনা করা হচ্ছে নরওয়েজীয় তারকা আর্লিং হালান্ডকে, জার্মান বুন্দেসলিগা মাতিয়ে যিনি এই মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নদের শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তবে সিটির হয়ে হালান্ডের শুরুটা ভালো হয়নি। কমিউনিটি শিল্ডের লড়াইয়ে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি হালান্ড। ইংল্যান্ডে হালান্ড যে সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জে পড়তে যাচ্ছেন, সেই বার্তাই দিয়েছেন আগুয়েরো।
৫১ মিলিয়ন পাউন্ডে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড থেকে ম্যানসিটিতে এসেছেন হালান্ড। তবে নিজের প্রথম চ্যালেঞ্জে সাফল্যের মুখ দেখেননি তিনি। একাধিক সুযোগ পেয়েও হাতছাড়া করেছেন গোল, যাতে দলও হারিয়েছে শিরোপা। তাঁকে নিয়ে আগুয়েরো বলেছেন, ‘সে জার্মানির ফুটবলের সঙ্গে বেশ অভ্যস্ত ছিল। হালান্ড ভেবেছিল সে একা (শিল্ড ম্যাচে), আর তখনই তাঁর সামনে এসে ভার্জিল ফন ডাইক বলেছে, “প্রিমিয়ার লিগে স্বাগতম”।’
মূলত প্রিমিয়ার লিগের কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার দিকে ইঙ্গিত করেই এ কথা বলেছেন আগুয়েরো। বুন্দেসলিগার মতো এখানে লড়াইটা একপেশে হবে না বলে মনে করেন তিনি।
শুধু হালান্ডকে বাস্তবতা বুঝিয়েই থামেননি আগুয়েরো, সিটির রাহিম স্টার্লিংকে বিক্রির সিদ্ধান্তও মানতে পারছেন না তিনি। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ডিসেম্বরে ফুটবলকে বিদায় বলা আর্জেন্টাইন তারকা বলেছেন, ‘স্টার্লিংকে কেন বিক্রি করা হয়েছে আমি বুঝতে পারছি না। তবে সিটি অনেক সময় এমন অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নেয়।’

শেষবার যখন মনুমেন্তালের ঘাস ছুঁয়ে ধীরে ধীরে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন লিওনেল মেসি, মনে হচ্ছিল আর্জেন্টিনার দুই দশকের এক সোনালি বিকেল মাঠ ছেড়ে যাচ্ছে। গ্যালারি তখনো তাঁর নামে কাঁপছে, চোখে পানি নিয়ে তিনি হাত নেড়ে বিদায় জানাচ্ছেন, আর ১০ নম্বর জার্সির আকাশি-সাদা রংটি যেন সেই মুহূর্তে আরও গাঢ় হয়ে উঠেছে।
৯ ঘণ্টা আগে

আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নেমেছেন লিওনেল মেসি। বেনিনের বিপক্ষে ৩–০ গোলের জয়ে শেষ হয়েছে জাতীয় দলের হয়ে তাঁর দীর্ঘ পথচলা। শেষ ম্যাচে গোলও করেছেন ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা। তবে ফুটবল থেকে এখনই বিদায় নিচ্ছেন না তিনি। আর্জেন্টিনার অধ্যায় শেষ হলেও ইন্টার মায়ামির হয়ে চালিয়ে যাবেন খেলা।
১২ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান গেমস শেষ হয়েছে মাত্র দুই দিন আগে। ২২ ডিসিপ্লিনে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ ফিরেছে একটি ব্রোঞ্জ পদক নিয়ে। মাঠের ফল নিয়ে হতাশার সঙ্গে গেমস চলাকালে খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। সেই প্রসঙ্গেই এবার কঠোর বার্তা দিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তাঁর মতে, হার-জিত খেলারই অংশ, কিন্তু প্রতিযো
১৩ ঘণ্টা আগে