
ঘটনাটা প্রায় দুই মাস আগের। এ বছরের আগস্টের মাঝামাঝি লিওনেল মেসি ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলতে পারেননি। কলম্বাস ক্রুর বিপক্ষে হেরে লিগস কাপের ‘রাউন্ড অব সিক্সটিনে’ই হেরে বিদায় নিয়েছিল মেসিবিহীন মায়ামি।
লিগামেন্টের চোটে পড়ায় মেসি প্রায় দুই মাস আগে ইন্টার মায়ামির ম্যাচে ছিলেন না। কলম্বাসের লোয়ার ডট কম মাঠে ম্যাচটি ক্রুরা জিতেছিল ৩-২ গোলে। কাকতালীয়ভাবে একই মাঠে আজ মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) মায়ামি-কলম্বাস ম্যাচের ফলও ৩-২। পার্থক্য এটাই যে এবার প্রতিশোধ নিয়েছে মায়ামি। জোড়া গোল করেছেন মেসি।
চেজ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় আজ ভোরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সমানে সমানে লড়তে থাকে ইন্টার মায়ামি ও কলম্বাস ক্রু। আক্রমণ ও প্রতিআক্রমণে খেলা চলতে থাকে। একই সঙ্গে দুই গোলরক্ষকও হয়ে ওঠেন অপ্রতিরোধ্য। যেখানে ৪০ মিনিটে কলম্বাস ক্রুর লক্ষ্য বরাবর ডান পায়ে শট নেন লুইস সুয়ারেজ। দূরত্ব ৩৫ গজেরও বেশি। তবে ক্রু গোলরক্ষক প্যাট্রিক শুট সেই শট প্রতিরোধ করেন। ৪৪ মিনিটে ক্রুর মিডফিল্ডার দিয়েগো রসি এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও মায়ামি গোলরক্ষক ড্রেক ক্যালেন্ডার সেটা হতে দেননি।
গোল মিসের মহড়ায় ম্যাচে প্রথম গোল আসে মেসির পা থেকেই। ৪৫ মিনিটে ডি বক্সের মাঝ থেকে বাঁ পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। প্রথমার্ধ শেষ হতে না হতেই দ্বিতীয় গোল পেয়ে যায় মায়ামি। ৪৫ মিনিটের পর অতিরিক্ত ৫ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে গোল করেন মেসি। আর্জেন্টাইন তারকা ফরোয়ার্ড গোলটি করেন বাঁ পায়ের জাদুতেই।
২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা কলম্বাস ক্রু দ্বিতীয়ার্ধে খুব দ্রুতই ব্যবধান কমিয়েছে। ৪৬ মিনিটে বাঁ পায়ের শটে গোলটি করেন ক্রুর মিডফিল্ডার রসি। ক্রু ব্যবধান কমাতে না কমাতেই আবার গোল করে বসে মায়ামি। ৪৮ মিনিটে দুর্দান্ত এক হেডে লক্ষ্যভেদ করেন লুইস সুয়ারেজ। এবার ব্যবধান কমাতে ক্রু সময় নিয়েছে ১৩ মিনিট। মায়ামির ডিফেন্ডার নোয়া অ্যালেন ৬১ মিনিটে পেনাল্টি এলাকায় হ্যান্ডবল করলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। পেনাল্টি থেকে ব্যবধান কমানো গোলটি করেন কলাম্বাসের ফরোয়ার্ড কুচো হার্নান্দেজ।
৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা মায়ামি শেষের দিকে এসে গোল হজম করতে বসেছিল। ৮৪ মিনিটে কলম্বাস ফরোয়ার্ড হার্নান্দেজ পেনাল্টি থেকে শটও নেন। তবে সেটা প্রতিহত করেন মায়ামির গোলরক্ষক ড্রেক ক্যালেন্ডার। শেষ পর্যন্ত মায়ামি ৩-২ গোলে জিতে এমএলএসে টানা তিন ম্যাচ ড্রয়ের পর জিতল।প্রথমবারের মতো সাপোর্টার্স শিল্ডও জিতেছে মেসির দল।
এমএলএসের এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ৭৩ পয়েন্টের রেকর্ড ২০২১ সালে গড়েছে নিউ ইংল্যান্ড। তিন বছর পর রেকর্ডটি নিজের নামে লিখে নেওয়ার দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে ইন্টার মায়ামি। রেকর্ড গড়ার কাছাকাছি আসতেই ধাক্কা খাচ্ছে মায়ামি। নিউইয়র্ক সিটি, শার্লট—টানা দুই ম্যাচে মায়ামি ১-১ গোলে ড্র করেছে। ইস্টার্ন কনফারেন্সে এখন ৩২ ম্যাচে ৬৮ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ইন্টার মায়ামি। নিউ ইংল্যান্ডের রেকর্ড ভাঙতে হলে নিজেদের শেষ দুই ম্যাচের দুটিতেই জিততে হবে মায়ামিকে। ৫ ও ১৯ অক্টোবর টরন্টো ও নিউ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবেন মেসি-সুয়ারেজরা।

ঘটনাটা প্রায় দুই মাস আগের। এ বছরের আগস্টের মাঝামাঝি লিওনেল মেসি ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলতে পারেননি। কলম্বাস ক্রুর বিপক্ষে হেরে লিগস কাপের ‘রাউন্ড অব সিক্সটিনে’ই হেরে বিদায় নিয়েছিল মেসিবিহীন মায়ামি।
লিগামেন্টের চোটে পড়ায় মেসি প্রায় দুই মাস আগে ইন্টার মায়ামির ম্যাচে ছিলেন না। কলম্বাসের লোয়ার ডট কম মাঠে ম্যাচটি ক্রুরা জিতেছিল ৩-২ গোলে। কাকতালীয়ভাবে একই মাঠে আজ মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) মায়ামি-কলম্বাস ম্যাচের ফলও ৩-২। পার্থক্য এটাই যে এবার প্রতিশোধ নিয়েছে মায়ামি। জোড়া গোল করেছেন মেসি।
চেজ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় আজ ভোরে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সমানে সমানে লড়তে থাকে ইন্টার মায়ামি ও কলম্বাস ক্রু। আক্রমণ ও প্রতিআক্রমণে খেলা চলতে থাকে। একই সঙ্গে দুই গোলরক্ষকও হয়ে ওঠেন অপ্রতিরোধ্য। যেখানে ৪০ মিনিটে কলম্বাস ক্রুর লক্ষ্য বরাবর ডান পায়ে শট নেন লুইস সুয়ারেজ। দূরত্ব ৩৫ গজেরও বেশি। তবে ক্রু গোলরক্ষক প্যাট্রিক শুট সেই শট প্রতিরোধ করেন। ৪৪ মিনিটে ক্রুর মিডফিল্ডার দিয়েগো রসি এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও মায়ামি গোলরক্ষক ড্রেক ক্যালেন্ডার সেটা হতে দেননি।
গোল মিসের মহড়ায় ম্যাচে প্রথম গোল আসে মেসির পা থেকেই। ৪৫ মিনিটে ডি বক্সের মাঝ থেকে বাঁ পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। প্রথমার্ধ শেষ হতে না হতেই দ্বিতীয় গোল পেয়ে যায় মায়ামি। ৪৫ মিনিটের পর অতিরিক্ত ৫ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে গোল করেন মেসি। আর্জেন্টাইন তারকা ফরোয়ার্ড গোলটি করেন বাঁ পায়ের জাদুতেই।
২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা কলম্বাস ক্রু দ্বিতীয়ার্ধে খুব দ্রুতই ব্যবধান কমিয়েছে। ৪৬ মিনিটে বাঁ পায়ের শটে গোলটি করেন ক্রুর মিডফিল্ডার রসি। ক্রু ব্যবধান কমাতে না কমাতেই আবার গোল করে বসে মায়ামি। ৪৮ মিনিটে দুর্দান্ত এক হেডে লক্ষ্যভেদ করেন লুইস সুয়ারেজ। এবার ব্যবধান কমাতে ক্রু সময় নিয়েছে ১৩ মিনিট। মায়ামির ডিফেন্ডার নোয়া অ্যালেন ৬১ মিনিটে পেনাল্টি এলাকায় হ্যান্ডবল করলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। পেনাল্টি থেকে ব্যবধান কমানো গোলটি করেন কলাম্বাসের ফরোয়ার্ড কুচো হার্নান্দেজ।
৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা মায়ামি শেষের দিকে এসে গোল হজম করতে বসেছিল। ৮৪ মিনিটে কলম্বাস ফরোয়ার্ড হার্নান্দেজ পেনাল্টি থেকে শটও নেন। তবে সেটা প্রতিহত করেন মায়ামির গোলরক্ষক ড্রেক ক্যালেন্ডার। শেষ পর্যন্ত মায়ামি ৩-২ গোলে জিতে এমএলএসে টানা তিন ম্যাচ ড্রয়ের পর জিতল।প্রথমবারের মতো সাপোর্টার্স শিল্ডও জিতেছে মেসির দল।
এমএলএসের এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ৭৩ পয়েন্টের রেকর্ড ২০২১ সালে গড়েছে নিউ ইংল্যান্ড। তিন বছর পর রেকর্ডটি নিজের নামে লিখে নেওয়ার দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে ইন্টার মায়ামি। রেকর্ড গড়ার কাছাকাছি আসতেই ধাক্কা খাচ্ছে মায়ামি। নিউইয়র্ক সিটি, শার্লট—টানা দুই ম্যাচে মায়ামি ১-১ গোলে ড্র করেছে। ইস্টার্ন কনফারেন্সে এখন ৩২ ম্যাচে ৬৮ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ইন্টার মায়ামি। নিউ ইংল্যান্ডের রেকর্ড ভাঙতে হলে নিজেদের শেষ দুই ম্যাচের দুটিতেই জিততে হবে মায়ামিকে। ৫ ও ১৯ অক্টোবর টরন্টো ও নিউ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবেন মেসি-সুয়ারেজরা।

শীর্ষেই ছিল রংপুর রাইডার্স। কিন্তু চট্টগ্রাম রয়্যালসের দাপটে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের পর্বের লিগ টেবিলের দুইয়ে নেমে যেতে হয়েছে তাদের। হারানো সিংহাসন ফিরে পাওয়ার মিশনে আজ দুপুরে মাঠে নামবে নুরুল হাসান সোহানের দল। তাদের প্রতিপক্ষ রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। বিপিএলে দিনের অপর ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিট
৩১ মিনিট আগে
বর্ণাঢ্য ক্লাব ক্যারিয়ার মোহাম্মদ সালাহর। চেলসি, লিভারপুলের মতো ইউরোপসেরা ক্লাবের হয়ে সম্ভাব্য সব ধরনের শিরোপা জিতেছেন এই ফরোয়ার্ড। কিন্তু কখনো মিসরের হয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরা হয়নি তাঁর। সেই অপেক্ষার পালা শেষ করতে আরেকটি সুযোগ পেয়েছেন তিনি। আফ্রিকান কাপ অব নেশনসের সেমিফাইনালে উঠেছে সালাহর মিসর।
১ ঘণ্টা আগে
স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে এল ক্লাসিকো দেখতে চাওয়ার আশা পূরণ হয়েছে বার্সেলোনার কোচ হান্সি ফ্লিকের। এখন নির্ভার হয়ে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ ঘিরে পরিকল্পনা আঁটছেন তিনি। তবে ফ্লিকের মতো নির্ভার থাকার সুযোগ নেই জাবি রিয়াল মাদ্রিদের কোচ জাবি আলোনসোর। মাথার ওপর চাপ এবং ভবিষ্যতের শঙ্কা নিয়ে ফাইনালের মঞ্চ
২ ঘণ্টা আগে
নিরাপত্তার কারণে ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে না চাওয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এ মুহূর্তে বেশ চাপে আছে। সবচেয়ে বেশি চাপে আছেন সম্ভবত বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিসিআই) কি স্বস্তিতে আছে? উত্তরটা যে হ্যাঁ-সূচক নয়, সেটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরই বলে দিচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে