
২৩ বছর পর গত মৌসুমে লিগ শিরোপার স্বাদ পেয়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। নতুন মৌসুমে শিরোপা ধরে রাখার ব্যাপারে তেমন কোনো উন্মাদনা বিরাজ করছে না সাদা-কালো শিবিরে। দলবদলেও নেই কোনো দৌড়ঝাপ। ক্লাবটির ভক্তদের জন্য একপ্রকার দুঃসংবাদই বলা যায়। কারণ আগামী মৌসুমে সুলেমান দিয়াবাতেকে পাচ্ছে না।
৬ বছরের সম্পর্কের ইতি টেনে আজ ক্লাব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন দিয়াবাতে। ফেসবুকে নিজের প্রোফাইলে মালির এই ফরোয়ার্ড লেখেন, ‘সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ। ৬ বছরের দীর্ঘ সময় পর এবার বিদায় বলার সময় এসেছে। আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্য করেন। আলহামদুলিল্লাহ।’
মোহামেডানকে লিগ জেতানোর পেছনে বড় অবদান রাখেন দিয়াবাতে। গত মৌসুমে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ গোল করেন তিনি। ৬ বছরে সাদা-কালো জার্সিতে ১২৬ ম্যাচ খেলে ১০৮ গোল ও ৩০ অ্যাসিস্ট আসে তাঁর কাছ। দীর্ঘদিন ধরে সামলেছেন নেতৃত্বের ভারও। মোহামেডানেই থেকে যেতে চেয়েছিলেন এই ফরোয়ার্ড। তাঁর দাবি, ‘আমি নিজের ইচ্ছায় মোহামেডান ছাড়িনি। তারা বলেছে আমাকে তাদের প্রয়োজন নেই।’
দুই মাস আগে আজকের পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দিয়াবাতে বলেছেন, ‘তারা (মোহামেডান) আমার সঙ্গে ভালো আচরণ করে, আমাকে সম্মান করে। আমি যেটাই বলি না কেন, তারা তা শোনে এবং সেটাকে গুরুত্ব দেয়। ফুটবলে টাকাই সবকিছু নয়, এখানে সম্মান ও ভালোবাসার ব্যাপার আছে। মোহামেডানের কাছে আমি সবকিছু পেয়েছি। এ কারণে এখানে রয়ে গেছি। পরের মৌসুমে কী হবে, আমি জানি না। সত্যি বলতে আমি থাকব কি না, সেটাও নিশ্চিত নয়। যদি থাকি, শিরোপা ধরে রাখার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’
১২ সেপ্টেম্বর চ্যালেঞ্জ কাপ দিয়ে শুরু হবে ঘরোয়া ফুটবলের মৌসুম। যেখানে মুখোমুখি হবে বসুন্ধরা কিংস ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। এর আগে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত চলবে দলবদল। নতুন মৌসুমে দিয়াবাতে বাংলাদেশের লিগেই থাকবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। ২০১৯ সালে মোহামেডানে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

ব্রাজিলের সমর্থক হলে এই পরিসংখ্যান আপনার অজানা থাকার কথা নয়। তাই ম্যাচের আগে মনের কোথাও না কোথাও একটু শঙ্কা থাকতেই পারে। তবে আপনার মনে যা-ই থাকুক, নিশ্চয় চাইবেন, মাঠে নামার সময় নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের মনে যেন নরওয়েকে কখনো হারাতে না পারার সেই পুরোনো দুঃস্মৃতি একবারের জন্যও ফিরে না আসে।
২ ঘণ্টা আগে
মায়ামির রাতটা শেষ হয়েছিল আর্জেন্টিনার উল্লাসে। গ্যালারিজুড়ে তখন আকাশি-সাদা পতাকার ঢেউ, মেসির নামধ্বনি আর শেষ ষোলো নিশ্চিত করার আনন্দ। কিন্তু মাঠের এক কোণে অন্য এক দৃশ্য ফুটে উঠছিল। চোখে জল নিয়ে মাটিতে বসে ছিলেন কেপ ভার্দের ফুটবলাররা।
২ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিল কখনোই নরওয়েকে হারাতে পারেনি। ব্রাজিলকে হারাতে পারলে সেটিকে কি এই বিশ্বকাপের বড় অঘটন বলা হবে? কোনো রাখঢাক না রেখেই উত্তর দিয়েছেন নরওয়ের কোচ, ‘হ্যাঁ, আমারও মনে হয়, সেটি একটি চমকই হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমার্ধে যারা ছিল ছন্নছাড়া, দ্বিতীয়ার্ধে তারাই হয়ে ওঠে নির্মম। আর কানাডা? সাহসী ফুটবল খেলেও শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও সুযোগ কাজে লাগানোর পার্থক্যেই থেমে গেল তাদের স্বপ্নের দৌড়। মরক্কো অবশ্য আরেকবার জানিয়ে দিল, ২০২২ সালের সেমিফাইনাল কোনো অঘটন ছিল না; বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে তারা এখনও সবচেয়ে কঠিন প্
৩ ঘণ্টা আগে