
টানা দুই জয়ে আগেই ফেডারেশন কাপের কোয়ালিফিকেশন রাউন্ড নিশ্চিত করেছিল আবাহনী ও রহমতগঞ্জ। আজ ভিন্ন ম্যাচে দুই দলই আবার জয় পেয়েছে। তাতে জমে উঠেছে গ্রুপসেরা হওয়ার দৌড়। ৪ ফেব্রুয়ারি কিংস অ্যারেনায় মুখোমুখি হবে আবাহনী ও রহমতগঞ্জ। যে ম্যাচের পরই গ্রুপসেরা টিকিট হাতে পাবে একদল।
এবার নতুন ফরম্যাটে হচ্ছে ফেডারেশন কাপ। যেখানে গ্রুপসেরা হতে পারলে ফাইনালে ওঠার দুটি সুযোগ পাবে তারা। অর্থাৎ একবার হেরে গেলেও ফাইনালে যাওয়ার জন্য আরেকটা সুযোগ থাকবে তাদের। আর সেটা কাজে লাগাতে মরিয়া আবাহনী ও রহমতগঞ্জ।
এ দিন কুমিল্লায় আবাহনী ৩-০ গোলে হারিয়েছে ইয়ংমেন্স ক্লাব ফকিরেরপুলকে। আবাহনীর হয়ে একটি করে গোল করেন ইয়াসিন খান, মুরাদ হাসান ও মাহদি ইউসুফ। আর ময়মনসিংহে রহমতগঞ্জ একই ব্যবধানে চট্টগ্রাম আবাহনীকে পরাজিত করেছে। যে ম্যাচে গোল পান রহমতগঞ্জের স্যামুয়েল বোয়েটেং, মোহাম্মদ তোহা এবং মোস্তাফা কাহরাবা।
এই প্রতিযোগিতায় তিন ম্যাচ শেষে দুই দলের সংগ্রহ ৯ পয়েন্ট করে। গোলে এগিয়ে থাকায় আপাতত গ্রুপের শীর্ষে রহমতগঞ্জ। তবে নিজেদের শেষ ম্যাচের জয় পরাজয়ের ওপর নির্ভর করছে গ্রুপসেরা হয়ে কোন দল যায় পরের রাউন্ড। যদিও আবাহনীর জন্য কাজটা সহজ নয়। কারণ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে হলে ওই ম্যাচ জিততেই হবে আবাহনীকে। অন্যদিকে কোনোমতে ড্র করতে পারলেই গ্রুপসেরা হয়ে যাবে পুরান ঢাকার ক্লাবটি।

ব্রাজিলের সমর্থক হলে এই পরিসংখ্যান আপনার অজানা থাকার কথা নয়। তাই ম্যাচের আগে মনের কোথাও না কোথাও একটু শঙ্কা থাকতেই পারে। তবে আপনার মনে যা-ই থাকুক, নিশ্চয় চাইবেন, মাঠে নামার সময় নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের মনে যেন নরওয়েকে কখনো হারাতে না পারার সেই পুরোনো দুঃস্মৃতি একবারের জন্যও ফিরে না আসে।
২ ঘণ্টা আগে
মায়ামির রাতটা শেষ হয়েছিল আর্জেন্টিনার উল্লাসে। গ্যালারিজুড়ে তখন আকাশি-সাদা পতাকার ঢেউ, মেসির নামধ্বনি আর শেষ ষোলো নিশ্চিত করার আনন্দ। কিন্তু মাঠের এক কোণে অন্য এক দৃশ্য ফুটে উঠছিল। চোখে জল নিয়ে মাটিতে বসে ছিলেন কেপ ভার্দের ফুটবলাররা।
২ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিল কখনোই নরওয়েকে হারাতে পারেনি। ব্রাজিলকে হারাতে পারলে সেটিকে কি এই বিশ্বকাপের বড় অঘটন বলা হবে? কোনো রাখঢাক না রেখেই উত্তর দিয়েছেন নরওয়ের কোচ, ‘হ্যাঁ, আমারও মনে হয়, সেটি একটি চমকই হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমার্ধে যারা ছিল ছন্নছাড়া, দ্বিতীয়ার্ধে তারাই হয়ে ওঠে নির্মম। আর কানাডা? সাহসী ফুটবল খেলেও শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও সুযোগ কাজে লাগানোর পার্থক্যেই থেমে গেল তাদের স্বপ্নের দৌড়। মরক্কো অবশ্য আরেকবার জানিয়ে দিল, ২০২২ সালের সেমিফাইনাল কোনো অঘটন ছিল না; বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে তারা এখনও সবচেয়ে কঠিন প্
৩ ঘণ্টা আগে