
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে ২০১৬ সালে বিদায় জানিয়েছেন সেস ফেব্রিগাস। তাই বলে বুটজোড়ার কাজ বন্ধ করে দেননি তিনি। ক্লাব ফুটবলে খেলে যাচ্ছিলেন স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার। তবে গতকাল দীর্ঘ ২০ বছরের পথচলা থামিয়ে দিয়েছেন তিনি।
সব ধরনের ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছে ফেব্রিগাস। ইতালির দ্বিতীয় সারির দল কোমোর হয়ে ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন তিনি। কোচিং পেশায় নিজেকে জড়াবেন বলেই বুটজোড়া তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ৩৬ বছর বয়সী সাবেক আর্সেনাল তারকা।
গতকাল সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফেব্রিগাস। তিনি লিখেছেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, বুটজোড়া তুলে রাখার সময় এসেছে। বার্সার হয়ে শুরুর দিনগুলো, আর্সেনাল, আবার বার্সা, চেলসি, মোনাকো এবং শেষে কোমোর প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করেছি। বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ, ইংল্যান্ড ও স্পেনে জয় এবং প্রায় সব ইউরোপিয়ান ট্রফি জয়ের যাত্রা কখনো ভোলার নয়।’
অবসর নেওয়ার কারণ হিসেবে কোচিং পেশা বেছে নেবেন বলে জানিয়েছেন ফেব্রিগাস। তিনি লিখেছেন, ‘তবে আমি দুঃখ পাচ্ছি না, কারণ নতুন পথচলা শুরু করতে যাচ্ছি। কোমো ১৯০৭-এর বি এবং প্রিমাভেরা দলের কোচ হচ্ছি। একটি ক্লাব ও প্রকল্পের ব্যাপারে এর আগে এত বেশি উৎসাহী হইনি। দলটি প্রথম মিনিট থেকেই আমার হৃদয় জয় করেছে। ক্যারিয়ারের সঠিক সময়ে আমাদের দেখা হয়েছে। নতুন অ্যাডভেঞ্চারে আমার সবকিছু নিংড়ে দেব।’
সবশেষে সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে ফেব্রিগাস লিখেছেন, ‘২০ বছরের অবিশ্বাস্য ত্যাগ, আনন্দ এবং আবেগকে বিদায় বলার সময় এসেছে। সঙ্গে সবাইকে ধন্যবাদ জানানোর এবং বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর খেলাকে হ্যালো বলার। প্রতিটি মুহূর্ত ভালোবেসেছি।’
২০০৩ সালে আর্সেনালের হয়ে মাত্র ১৬ বছর বয়সে পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু করা ফেব্রিগাস সব মিলিয়ে ৫১৮ ম্যাচ খেলেছেন ক্লাব ফুটবলে। স্ট্রাইকারদের গোলে সহায়তা করার ভূমিকায় থাকায় নিজে করেছেন ৮১টি। অ্যাসিস্টের সবচেয়ে সেরা মুহূর্তটি নিশ্চয়ই ২০১০ বিশ্বকাপের ফাইনালে। তাঁর পাস থেকেই স্পেনকে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন করেন আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। একটি বিশ্বকাপ, দুটি ইউরোসহ ক্লাব ক্যারিয়ারে অনেক শিরোপা জিতেছেন ফেব্রিগাস। দেশের হয়ে ১১০ ম্যাচে ১৫ গোল করেছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে ২০১৬ সালে বিদায় জানিয়েছেন সেস ফেব্রিগাস। তাই বলে বুটজোড়ার কাজ বন্ধ করে দেননি তিনি। ক্লাব ফুটবলে খেলে যাচ্ছিলেন স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার। তবে গতকাল দীর্ঘ ২০ বছরের পথচলা থামিয়ে দিয়েছেন তিনি।
সব ধরনের ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছে ফেব্রিগাস। ইতালির দ্বিতীয় সারির দল কোমোর হয়ে ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন তিনি। কোচিং পেশায় নিজেকে জড়াবেন বলেই বুটজোড়া তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ৩৬ বছর বয়সী সাবেক আর্সেনাল তারকা।
গতকাল সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফেব্রিগাস। তিনি লিখেছেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, বুটজোড়া তুলে রাখার সময় এসেছে। বার্সার হয়ে শুরুর দিনগুলো, আর্সেনাল, আবার বার্সা, চেলসি, মোনাকো এবং শেষে কোমোর প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করেছি। বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ, ইংল্যান্ড ও স্পেনে জয় এবং প্রায় সব ইউরোপিয়ান ট্রফি জয়ের যাত্রা কখনো ভোলার নয়।’
অবসর নেওয়ার কারণ হিসেবে কোচিং পেশা বেছে নেবেন বলে জানিয়েছেন ফেব্রিগাস। তিনি লিখেছেন, ‘তবে আমি দুঃখ পাচ্ছি না, কারণ নতুন পথচলা শুরু করতে যাচ্ছি। কোমো ১৯০৭-এর বি এবং প্রিমাভেরা দলের কোচ হচ্ছি। একটি ক্লাব ও প্রকল্পের ব্যাপারে এর আগে এত বেশি উৎসাহী হইনি। দলটি প্রথম মিনিট থেকেই আমার হৃদয় জয় করেছে। ক্যারিয়ারের সঠিক সময়ে আমাদের দেখা হয়েছে। নতুন অ্যাডভেঞ্চারে আমার সবকিছু নিংড়ে দেব।’
সবশেষে সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে ফেব্রিগাস লিখেছেন, ‘২০ বছরের অবিশ্বাস্য ত্যাগ, আনন্দ এবং আবেগকে বিদায় বলার সময় এসেছে। সঙ্গে সবাইকে ধন্যবাদ জানানোর এবং বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর খেলাকে হ্যালো বলার। প্রতিটি মুহূর্ত ভালোবেসেছি।’
২০০৩ সালে আর্সেনালের হয়ে মাত্র ১৬ বছর বয়সে পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু করা ফেব্রিগাস সব মিলিয়ে ৫১৮ ম্যাচ খেলেছেন ক্লাব ফুটবলে। স্ট্রাইকারদের গোলে সহায়তা করার ভূমিকায় থাকায় নিজে করেছেন ৮১টি। অ্যাসিস্টের সবচেয়ে সেরা মুহূর্তটি নিশ্চয়ই ২০১০ বিশ্বকাপের ফাইনালে। তাঁর পাস থেকেই স্পেনকে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন করেন আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। একটি বিশ্বকাপ, দুটি ইউরোসহ ক্লাব ক্যারিয়ারে অনেক শিরোপা জিতেছেন ফেব্রিগাস। দেশের হয়ে ১১০ ম্যাচে ১৫ গোল করেছেন তিনি।

একটা সময় মনে হয়েছিল, রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে সহজেই জিতবে রংপুর রাইডার্স। বিশেষ করে, যখন উইকেটে ওপেনার ডেভিড মালানের সঙ্গে ব্যাট করছিলেন তাওহীদ হৃদয়। কিন্তু দুজনের সেঞ্চুরি জুটির পরও জমে উঠল ম্যাচ। নিষ্পত্তির জন্য খেলা গড়াল সুপার ওভারে। এই সুপার ওভারে জিতেছে রাজশাহী।
১ ঘণ্টা আগে
গত দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ফুটবল লিগের খেলা দেখা যাচ্ছে না কোনো টিভি চ্যানেলে। এমনকি চুক্তি করা ওটিটি প্লাটফর্মেও দেখা যায়নি। কাল লিগের প্রথম পর্বের শেষ রাউন্ডের একটি ম্যাচ রয়েছে। সেই ম্যাচও দেখা যাবে না।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় ফুটবল দলে ঢোকার দরজা সাবিনা খাতুনের জন্য আপাতত বন্ধই রয়েছে। ২০২৪ সালে তাঁর নেতৃত্বে সাফ জিতেছিল বাংলাদেশ। সেটাই হয়ে থাকে অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডের শেষ ম্যাচ। কোচ পিটার বাটলারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ডাক দেওয়ার পর জাতীয় দলে আর ডাক পাননি তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
শামীম হোসেন পাটোয়ারী খেলছিলেন তাঁর মতো করে। উইকেটের চতুর্দিকে বাহারি শটের পসরা সাজিয়ে করেছেন ফিফটি। ইনিংসের শেষ বল পর্যন্ত খেলেছেন । তবে সতীর্থদের কাছ থেকে যে তেমন সমর্থন পাননি। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সের কাছে ৬ রানে হেরেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।
৭ ঘণ্টা আগে