সময়টা ভালো যাচ্ছে না ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। দলবদল নিয়ে এখনো স্বস্তির কোনো খবর পাননি ‘সিআর সেভেন’। নতুন কোনো ক্লাবেরও তাঁকে নিয়ে আগ্রহের কথা শোনা যাচ্ছে না। এর মাঝে বিব্রত হওয়ার মতোই আরেকটি খবর পেলেন পর্তুগিজ মহাতারকা। প্রিমিয়ার লিগের খেলোয়াড়দের মধ্যে টুইটারে সবচেয়ে গালি শুনেছেন রোনালদো। এ তালিকায় রোনালদোকে সঙ্গ দিচ্ছেন তাঁর ক্লাব সতীর্থ হ্যারি ম্যাগুয়ের।
অফকমের এক গবেষণায় দেখা গেছে, গত মৌসুমের প্রথম অর্ধে ২.৩ মিলিয়ন (২০ লাখ ৩০ হাজার) টুইটের প্রায় ৬০ হাজারই ছিল গালাগালির। আর এই বাজে মন্তব্যগুলোর অর্ধেকই ছিল ১২ জন খেলোয়াড়কে উদ্দেশ্য করে, যাঁদের ৮ জনই আবার ম্যান ইউনাইটেডের। তবে আশার ব্যাপার হচ্ছে, অ্যালান টুরিং ইনস্টিটিউটের এই গবেষণায় দেখা গেছে, বেশির ভাগ সমর্থকই দায়িত্বের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা বাজে মন্তব্য নিয়ে অফকম গ্রুপের পরিচালক কেভিন বাখর্স্ট বলেছেন, ‘এই ফলাফলগুলো সুন্দর খেলাটির অন্ধকার দিককেই তুলে ধরে। খেলা কিংবা বৃহত্তর সমাজে অনলাইন অপব্যবহারের কোনো স্থান নেই। এটা মোকাবিলা করার জন্য দলীয় প্রচেষ্টা দরকার।’
একই গবেষণায় দেখা গেছে, ১৩ আগস্ট ২০২১ থেকে ২৪ জানুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বাজে মন্তব্য শুনতে হয়েছে রোনালদোকে। এই সময়ের মধ্যে রোনালদোকে নিয়ে ১২ হাজার ৫২০টি বাজে মন্তব্য করা হয়েছে। রোনালদোর পরেই এই তালিকায় আছেন তাঁর ক্লাব সতীর্থ ম্যাগুয়ের। তাঁকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করা হয়েছে ৮ হাজার ৯৫৪টি। ৩ নম্বরে আছেন মার্কোস র্যাশফোর্ড, যাকে নিয়ে ২ হাজার ৫৫৭টি বাজে মন্তব্য করা হয়েছে।

শেষ ষোলোর পর কোয়ার্টার ফাইনালের পালা। বোস্টনে আগামীকাল বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শুরু হবে ফ্রান্স-মরক্কো। এই ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগেই আলোচনায় আর্জেন্টিনা। অনেকেই হয়তো মনে করতে পারেন তুমুল আলোচিত-সমালোচিত আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের প্রভাব কি পড়ছে শেষ আটের প্রথম ম্যাচের ওপর? আসলে এখানে ব্যাপারটা অন্য কিছু।
১১ মিনিট আগে
আর্জেন্টিনা-মিসর শ্বাসরুদ্ধকর শেষ ষোলোর ম্যাচের ৩-২ স্কোরকার্ড ছাপিয়ে আলোচনায় রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে। জয়ের পরও তাই আর্জেন্টাইন ভক্ত-সমর্থকেরা অস্বস্তিতে পড়েছেন। লেতেক্সিয়ে আর্জেন্টাইনদের সুবিধা দিয়েছেন বলে সামাজিক মাধ্যমে এমন চর্চা চলছে। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছেন। ক
১ ঘণ্টা আগে
পিছিয়ে থেকে ৩-২ গোলের জয়—আটলান্টায় গত রাতে শেষ ষোলোর ম্যাচে অবিশ্বাস্য জয়ের পর স্বাভাবিকভাবে উচ্ছ্বসিত আর্জেন্টিনা ফুটবল দল। মেসিকে কাঁধে তুলে উদ্যাপন করেছেন সতীর্থরা। কিন্তু ৩-২ গোলের ফল যে সবকিছু নয়, সেটা গত রাতে যাঁরা ম্যাচ দেখেছেন, নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন। ম্যাচের একেবারে শেষভাগে এসে রেফার
২ ঘণ্টা আগে
কিছু দল আছে, যারা প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়ে নয়, বরং সুযোগের অপেক্ষা করে ঠিক সময়ে আঘাত হানার। ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী স্পেনও এমনই ছিল। ১৬ বছর পর সেই পুরোনো চেহারার আরেকটি ঝলক দেখা গেল ডালাসে। পর্তুগাল শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু বিশ্বাসে ভর করে শেষ হাসি
৩ ঘণ্টা আগে