
ক্লাব ফুটবলে প্রতি মৌসুমে কিছু তরুণ তারকা বিশ্বমানের খেলোয়াড় হিসেবে আবির্ভূত হন। গত মৌসুমে যেমন পাওয়া গিয়েছিল ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফায়েল লেয়াও এবং পেদ্রিকে। যাঁরা নিজেদের অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। এবারও ক্লাব ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে নিজেদের মেলে ধরার অপেক্ষায় আছেন বেশ কিছু তরুণ তুর্কি। তাঁদের মধ্যকার পাঁচজনকে নিয়েই এই আয়োজন।
মালো গুস্তো
লিওঁ, ১৯ বছর
গত মৌসুমে আলো ছড়ালেও সেভাবে আলোচনায় আসেননি মালো গুস্তো। তবে সামনের মৌসুমটাকে নিজের করে নেওয়ার সুযোগ আছে এই ফরাসি তারকার। ১৯ বছর বয়সী এই রাইট-ব্যাককে এখনই একজন পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ফরাসি এই তরুণ দ্রুত গতির হওয়ার পাশাপাশি দারুণ অ্যাথলেটিকও। মানসম্পন্ন ড্রিবলিংয়ের পাশাপাশি টেকনিক্যালিও দারুণ ফুটবলার। গত মৌসুমে অলিম্পিক মার্শেইয়ের বিপক্ষে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে সবার নজরে আসেন গুস্তো। লিওঁর ৩-০ গোলে জেতা ম্যাচে দারুণভাবে মুগ্ধ করেছেন তিনি। এমনকি মুসা দেম্বেলেকে দ্বিতীয় গোলেও অ্যাসিস্টও করেছেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, এ মৌসুমে নিজেকে আরও মেলে ধরে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর আগ্রহের কেন্দ্রে আসবেন তিনি।
মাইকেল ওলিস
ক্রিস্টাল প্যালেস, ২০ বছর
২০ বছর বয়সেই বড় তারকা হয়ে ওঠার তালিকায় নিজেকে নিয়ে এসেছেন মাইকেল ওলিস। সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিস্টাল প্যালেস বেশ কিছু নতুন তারকা দলে ভিড়িয়েছে, যাদের মাঝে ওলিসকে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় তারকা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। মিডফিল্ডার এবং রাইট উইং দুই জায়গাতেই সমান দক্ষ ওলিস। ক্রিস্টাল প্যালসকে এফএ কাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও দারুণ ভূমিকা রেখেছেন ওলিস। গত মৌসুমে ৮টি অ্যাসিস্টের পাশাপাশি ৪টি গোলও করেছেন তিনি। দক্ষতা ও সৃষ্টিশীলতার মিশ্রণে সামনের দিনগুলোয় আরও কার্যকরী ফুটবলার হিসেবে আবির্ভূত হতে পারেন এই ফরাসি তারকা।
জুলিয়ান আলভারেজ
ম্যানচেস্টার সিটি, ২২ বছর
ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দিয়েই আলোচনার কেন্দ্রে আসেন জুলিয়ান আলভারেজ। পেপ গার্দিওলার অধীনে সামনের মৌসুমে তাঁর কাছ থেকে দারুণ কিছুর প্রত্যাশাই থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের। যদিও ম্যানসিটির মতো তারকাসমৃদ্ধ ক্লাবে নিয়মিত জায়গা পাওয়া কঠিন হতে পারে এই ফরোয়ার্ডের। তবে আশার খবর হচ্ছে গ্যাব্রিয়েল জেসুস ও রাহিম স্টার্লিংয়ের সিটি ছেড়ে যাওয়া। যা হালান্ডের সঙ্গে আলভারেজকে জুটি গড়ার সুযোগ করে দিতে পারে। আর সুযোগ পেলে দারুণ কিছু করে দেখানোর সামর্থ্য রাখেন এই আর্জেন্টাইন। গত মৌসুমে ম্যানসিটি থেকেই রিভার প্লেটে ধারে খেলতে গিয়েছিলেন আলভারেজ। সেখানে দারুণ নৈপুণ্যে দেখিয়ে ফিরে এসেছেন সিটিতে। এখন প্রিমিয়ার লিগে নিজেকে সেরা প্রমাণের সুযোগ আলভারেজের সামনে।
এদোয়ার্দো কামাভিঙ্গা
রিয়াল মাদ্রিদ, ১৯ বছর
বয়স ১৯ পেরোনোর আগেই রিয়াল মাদ্রিদের মতো বিশ্বসেরা ক্লাবে নিজের অবস্থান খুঁজে নিতে শুরু করেছেন এদোয়ার্দো কামাভিঙ্গা। ওলিস ও গুস্তোর মতো তিনিও ওঠে এসেছেন ফ্রান্স থেকে। রিয়ালের লা লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পথে অবদানও রেখেছেন কামাভিঙ্গা। বিশেষ করে ইউরোপ সেরা মঞ্চে পিএসজি, ম্যানসিটি ও চেলসির বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে দারুণ আলো ছড়িয়েছেন তিনি। যখনই মাঠে নেমেছেন নিজের সেরাটা উজাড় করে খেলেছেন। টনি ক্রুস, কাসেমিরো ও লুকা মদরিচদের বয়স বলছে, আগামী দিনগুলোতে রিয়ালের মিডফিল্ডে অন্যতম ভরসা হতে যাচ্ছেন কামাভিঙ্গা।
আনসু ফাতি
বার্সেলোনা, ১৯ বছর
চোট প্রতিবন্ধকতা তৈরি না করলে গত মৌসুমে বড় তারকা হিসেবে আবির্ভূত হতে পারতেন আনসু ফাতি। ১৬ বছর বয়সেই নিজেকে আগামী দিনের তারকা হিসেবে চিনিয়ে দিয়েছিলেন ফাতি। এরপর যখনই মাঠে নেমেছেন নিজের জাত চিনিয়েছেন এই স্প্যানিশ ফুটবলার। তবে প্রতিপক্ষ নয়, ফাতির সবচেয়ে বড় শত্রুর নাম চোট। বারবার চোটে না পড়লে এত দিনে নিজেকে ইউরোপের সেরা তারকাদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারতেন ফাতি। তবে সামনের দিনগুলোতে চোট বিশেষ বাঁধা হয়ে না ফাতির সেরা হওয়াটা কেবলই সময়ের ব্যাপার।

ক্লাব ফুটবলে প্রতি মৌসুমে কিছু তরুণ তারকা বিশ্বমানের খেলোয়াড় হিসেবে আবির্ভূত হন। গত মৌসুমে যেমন পাওয়া গিয়েছিল ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফায়েল লেয়াও এবং পেদ্রিকে। যাঁরা নিজেদের অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। এবারও ক্লাব ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে নিজেদের মেলে ধরার অপেক্ষায় আছেন বেশ কিছু তরুণ তুর্কি। তাঁদের মধ্যকার পাঁচজনকে নিয়েই এই আয়োজন।
মালো গুস্তো
লিওঁ, ১৯ বছর
গত মৌসুমে আলো ছড়ালেও সেভাবে আলোচনায় আসেননি মালো গুস্তো। তবে সামনের মৌসুমটাকে নিজের করে নেওয়ার সুযোগ আছে এই ফরাসি তারকার। ১৯ বছর বয়সী এই রাইট-ব্যাককে এখনই একজন পূর্ণাঙ্গ খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ফরাসি এই তরুণ দ্রুত গতির হওয়ার পাশাপাশি দারুণ অ্যাথলেটিকও। মানসম্পন্ন ড্রিবলিংয়ের পাশাপাশি টেকনিক্যালিও দারুণ ফুটবলার। গত মৌসুমে অলিম্পিক মার্শেইয়ের বিপক্ষে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে সবার নজরে আসেন গুস্তো। লিওঁর ৩-০ গোলে জেতা ম্যাচে দারুণভাবে মুগ্ধ করেছেন তিনি। এমনকি মুসা দেম্বেলেকে দ্বিতীয় গোলেও অ্যাসিস্টও করেছেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, এ মৌসুমে নিজেকে আরও মেলে ধরে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর আগ্রহের কেন্দ্রে আসবেন তিনি।
মাইকেল ওলিস
ক্রিস্টাল প্যালেস, ২০ বছর
২০ বছর বয়সেই বড় তারকা হয়ে ওঠার তালিকায় নিজেকে নিয়ে এসেছেন মাইকেল ওলিস। সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিস্টাল প্যালেস বেশ কিছু নতুন তারকা দলে ভিড়িয়েছে, যাদের মাঝে ওলিসকে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় তারকা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। মিডফিল্ডার এবং রাইট উইং দুই জায়গাতেই সমান দক্ষ ওলিস। ক্রিস্টাল প্যালসকে এফএ কাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও দারুণ ভূমিকা রেখেছেন ওলিস। গত মৌসুমে ৮টি অ্যাসিস্টের পাশাপাশি ৪টি গোলও করেছেন তিনি। দক্ষতা ও সৃষ্টিশীলতার মিশ্রণে সামনের দিনগুলোয় আরও কার্যকরী ফুটবলার হিসেবে আবির্ভূত হতে পারেন এই ফরাসি তারকা।
জুলিয়ান আলভারেজ
ম্যানচেস্টার সিটি, ২২ বছর
ম্যানচেস্টার সিটিতে যোগ দিয়েই আলোচনার কেন্দ্রে আসেন জুলিয়ান আলভারেজ। পেপ গার্দিওলার অধীনে সামনের মৌসুমে তাঁর কাছ থেকে দারুণ কিছুর প্রত্যাশাই থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের। যদিও ম্যানসিটির মতো তারকাসমৃদ্ধ ক্লাবে নিয়মিত জায়গা পাওয়া কঠিন হতে পারে এই ফরোয়ার্ডের। তবে আশার খবর হচ্ছে গ্যাব্রিয়েল জেসুস ও রাহিম স্টার্লিংয়ের সিটি ছেড়ে যাওয়া। যা হালান্ডের সঙ্গে আলভারেজকে জুটি গড়ার সুযোগ করে দিতে পারে। আর সুযোগ পেলে দারুণ কিছু করে দেখানোর সামর্থ্য রাখেন এই আর্জেন্টাইন। গত মৌসুমে ম্যানসিটি থেকেই রিভার প্লেটে ধারে খেলতে গিয়েছিলেন আলভারেজ। সেখানে দারুণ নৈপুণ্যে দেখিয়ে ফিরে এসেছেন সিটিতে। এখন প্রিমিয়ার লিগে নিজেকে সেরা প্রমাণের সুযোগ আলভারেজের সামনে।
এদোয়ার্দো কামাভিঙ্গা
রিয়াল মাদ্রিদ, ১৯ বছর
বয়স ১৯ পেরোনোর আগেই রিয়াল মাদ্রিদের মতো বিশ্বসেরা ক্লাবে নিজের অবস্থান খুঁজে নিতে শুরু করেছেন এদোয়ার্দো কামাভিঙ্গা। ওলিস ও গুস্তোর মতো তিনিও ওঠে এসেছেন ফ্রান্স থেকে। রিয়ালের লা লিগা ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পথে অবদানও রেখেছেন কামাভিঙ্গা। বিশেষ করে ইউরোপ সেরা মঞ্চে পিএসজি, ম্যানসিটি ও চেলসির বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে দারুণ আলো ছড়িয়েছেন তিনি। যখনই মাঠে নেমেছেন নিজের সেরাটা উজাড় করে খেলেছেন। টনি ক্রুস, কাসেমিরো ও লুকা মদরিচদের বয়স বলছে, আগামী দিনগুলোতে রিয়ালের মিডফিল্ডে অন্যতম ভরসা হতে যাচ্ছেন কামাভিঙ্গা।
আনসু ফাতি
বার্সেলোনা, ১৯ বছর
চোট প্রতিবন্ধকতা তৈরি না করলে গত মৌসুমে বড় তারকা হিসেবে আবির্ভূত হতে পারতেন আনসু ফাতি। ১৬ বছর বয়সেই নিজেকে আগামী দিনের তারকা হিসেবে চিনিয়ে দিয়েছিলেন ফাতি। এরপর যখনই মাঠে নেমেছেন নিজের জাত চিনিয়েছেন এই স্প্যানিশ ফুটবলার। তবে প্রতিপক্ষ নয়, ফাতির সবচেয়ে বড় শত্রুর নাম চোট। বারবার চোটে না পড়লে এত দিনে নিজেকে ইউরোপের সেরা তারকাদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারতেন ফাতি। তবে সামনের দিনগুলোতে চোট বিশেষ বাঁধা হয়ে না ফাতির সেরা হওয়াটা কেবলই সময়ের ব্যাপার।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বেশি দিন বাকি নেই। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে ছোট সংস্করণে বিশ্বকাপের দশম পর্ব। তার আগে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া।
৪১ মিনিট আগে
প্রথমবার বিগ ব্যাশ খেলতে গিয়েই মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন রিশাদ হোসেন। লেগ স্পিন জাদুতে ব্যাটারদের পরাস্ত করছেন বারবার। দুর্দান্ত বোলিংয়ে সতীর্থদের প্রশংসা কুড়োচ্ছেন বাংলাদেশের এই তরুণ লেগস্পিনার।
১ ঘণ্টা আগে
তিন বছর পর আবার দেখা হচ্ছে সাদিও মানে ও মোহামেদ সালাহর। তবে একই দলে নয়, পরস্পরের প্রতিপক্ষ হিসেবে। আফ্রিকা কাপ অব ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সেনেগাল ও মিসর মুখোমুখি আজ। এই সেমিফাইনালে দুই দেশের জার্সিতে নামবেন সাবেক লিভারপুল সতীর্থ এই দুই তারকা। দিনের অন্য সেমিফাইনালে সুপার ইগল নাইজেরিয়ার মুখোমুখি হবে স্বা
১ ঘণ্টা আগে
অ্যাশেজে মাঠের লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ার কাছে রীতিমতো উড়ে গেছে ইংল্যান্ড। ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ হারই বলে দিচ্ছে সবকিছু। বাজে পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা তো হচ্ছেই। মাঠের বাইরের ঘটনা নিয়েও চলছে নানা আলাপ-আলোচনা।
২ ঘণ্টা আগে