
এক পাশে ৪১ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর আরেকটি বিশ্বকাপ রাঙানোর মিশন, আরেক পাশে ৫২ বছর পর বিশ্বমঞ্চে ফেরা ডিআর কঙ্গোর অস্তিত্বের লড়াই। টেক্সাসের মাঠে শক্তির বিচারে পর্তুগাল যোজন যোজন এগিয়ে থাকলেও মাঠের ফুটবলে তার ন্যূনতম প্রতিফলন মিলল না। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে পুরো ৯০ মিনিট বোতলবন্দী করে রাখার পাশাপাশি আক্রমণে উঠতে পিছপা হয়নি ডিআর কঙ্গো। সেই ভয়ডরহীন খেলাই তাদের এনে দিল ১–১ গোলের জয়ের সমান ড্র।
ম্যাচের শুরু থেকেই উইং ব্যবহার করে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে পর্তুগাল। কঙ্গোর রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রেখে মাত্র ৬ মিনিটেই সাফল্যের দেখা পায় তারা। বাঁ প্রান্ত থেকে পেদ্রো নেতোর বাড়ানো নিখুঁত এক ক্রসে ডি-বক্সের ভেতর লাফিয়ে উঠে চমৎকার হেডে বল জালে জড়ান জোয়াও নেভেস। কঙ্গোর পাঁচ ডিফেন্ডারের উপস্থিতিতেও তুলনামূলক কম উচ্চতার নেভেস যেভাবে হেডে গোলটি করলেন, তা ছিল দেখার মতো। এক গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়ার পর অবশ্য দমে যায়নি কঙ্গো। বরং খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসে কাউন্টার অ্যাটাকে ওঠার চেষ্টা করতে থাকে তারা।
প্রথমার্ধের নির্ধারিত সময় শেষে ৪ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হলেও ম্যাচের রোমাঞ্চ তোলা ছিল পঞ্চম মিনিটের জন্য। এমবেম্বার কল্যাণে পাওয়া একটি কর্নার থেকে ছোট পাসে বল পান আর্থার মাসুয়াকু। পর্তুগালের ব্যাক পোস্টে তখন কঙ্গোর খেলোয়াড়দের আধিক্য । মাসুয়াকুর দূরপাল্লার নিখুঁত ক্রসটি খুঁজে নেয় সম্পূর্ণ অরক্ষিত অবস্থায় থাকা ইয়োয়ান উইসাকে। দারুণ এক লাফে পর্তুগিজ গোলরক্ষক দিয়োগো কস্তাকে পরাস্ত করে উইসা বল জালে পাঠান। আর তাতেই ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে গোলের আনন্দে মাতোয়ারা হয় কঙ্গোর ফুটবলাররা।
১-১ সমতায় বিরতিতে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই (৪৬ মিনিট) কৌশল বদলান পর্তুগাল কোচ রবার্তো মার্তিনেস। বের্নার্দো সিলভাকে তুলে ফ্রান্সিসকো কনসিকাওকে মাঠে নামান। ৪৮ মিনিটে পেদ্রো নেতোর ক্রসে বক্সে কনসিকাও পড়ে গেলে পেনাল্টির আবেদন করে পর্তুগাল, তবে রেফারি তা নাকচ করেন। ৫৫ মিনিটে জোয়াও নেভেসের পাসে বল পেয়ে এক ওভারহেড ভলিতে কঙ্গোর জালে বল পাঠান কানসেলো। তবে কানসেলো অফসাইড পজিশনে থাকায় ভিএআর গোলটি বাতিল করে।
পুরো ম্যাচেই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে কড়া পাহারায় রাখেন কঙ্গোর ডিফেন্ডার অ্যালেক্স তুয়ানজেবে ও এমবেম্বা। ৬৮ মিনিটে কানসেলোর পাসে বক্সে কনসিকাওয়ের কাটব্যাক থেকে ব্রুনো ফের্নান্দেস সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও রোনালদো নিজেই শট নিয়ে পোস্টের বাইরে মারেন। ৭৪ মিনিটে লেয়াওয়ের পাস থেকে বক্সে কনসিকাওয়ের কাটব্যাকে রোনালদো শট নিলেও তুয়ানজেবের দুর্দান্ত স্লাইডিং ট্যাকলে তা কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা পায়।
রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি কাউন্টার অ্যাটাকে পর্তুগিজ রক্ষণভাগকে বেশ ভুগিয়েছে কঙ্গো। বিশেষ করে স্ট্রাইকার সেড্রিক বাকাম্বু একাই লড়েছেন রুবেন দিয়াসদের বিরুদ্ধে। ৫৭ মিনিটে পর্তুগালের ডি-বক্সে ব্রুনো ফের্নান্দেসের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে শট নেন বাকাম্বু, তবে তাঁর শটটি পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ৭৬ মিনিটে মাঝমাঠে বল পেয়ে নোয়া সাদিকি ফরোয়ার্ড ইয়োয়ান উইসাকে পাস বাড়ালেও শেষ মুহূর্তে চমৎকার স্লাইডিংয়ে তা প্রতিহত করেন পর্তুগিজ ডিফেন্ডার থমাস আরাউহো। এর এক মিনিট পরেই বাকাম্বুর পাস থেকে গোলরক্ষককে একা পেয়েও পোস্টের বাইরে মারেন নোয়া সাদিকি।
শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত পর্তুগাল আর কঙ্গোর অফসাইড ট্র্যাপ ভাঙতে না পারলে হতাশার ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় রোনালদোদের।

ম্যাচ শুরুর খানিক আগে দৃশ্যটা দেখা গেল। বন্ধু সার্জিও আগুয়েরো ডাগআউটের কাছে ব্যস্ত ছিলেন টিভি শো নিয়ে। গা গরম শেষে মেসি এগিয়ে এলেন, বন্ধুকে ভালোবাসা জানালেন। এ দৃশ্যে করতালির শব্দ ভেসে এল কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামের পরিপূর্ণ গ্যালারি থেকে।
৩৯ মিনিট আগে
ফুটবল দিনশেষে নিখাদ এক দলগত খেলা। নিঃস্বার্থভাবে পারস্পরিক সহযোগিতা আর দলীয় বোঝাপড়া ছাড়া সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো অসম্ভব। যেকোনো কোচ তাঁর শিষ্যদের বলে থাকেন, ‘দলের চেয়ে বড় কোনো খেলোয়াড় হতে পারে না।’ কথাটি নিয়ে দ্বিমত করার সুযোগ পাবেন না কেউই।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমার্ধের নির্ধারিত সময় শেষে ৪ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হলেও ম্যাচের রোমাঞ্চ তোলা ছিল পঞ্চম মিনিটের জন্য। এমবেম্বার কল্যাণে পাওয়া একটি কর্নার থেকে ছোট পাসে বল পান আর্থার মাসুয়াকু। পর্তুগালের ব্যাক পোস্টে তখন কঙ্গোর খেলোয়াড়দের আধিক্য । মাসুয়াকুর দূরপাল্লার নিখুঁত ক্রসটি খুঁজে নেয় সম্পূর্ণ অরক্ষিত
৩ ঘণ্টা আগে
চোটের কারণে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে থাকার পর অবশেষে সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলনে ফিরেছেন ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার। যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাজিল দলের আগমনের পর বুধবার প্রথমবারের মতো দলের সঙ্গে মাঠে দেখা গেছে ১০ নম্বর জার্সিধারী এই ফুটবলারকে। এদিন মাঠের বাইরে কাটানো তাঁর এক মাসও পূর্ণ হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে