লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। আধুনিক ফুটবলের সবচেয়ে বড় তারকা তাঁরা। দীর্ঘসময় ধরে একজন আরেকজনের প্রতিদ্বন্দ্বীও। ক্লাব ক্যারিয়ারে দুজনে সবকিছু জিতেছেন। কিন্তু দেশের হয়ে এখনো বিশ্বকাপটা ছোঁয়া হয়নি। এবার কি পারবেন সেই অপূর্ণতাকে পূর্ণতা দিতে? না পারলে যে নিজেদের আক্ষেপ নিয়েই অবসরে যেতে হবে তাঁদের! কেননা কাতারই হতে যাচ্ছে মেসি-রোনালদোর শেষ বিশ্বকাপ।
মেসি আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, এটিই তাঁর শেষ বিশ্বকাপ। রোনালদোও এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন। আর এমনিতে আগামী বিশ্বকাপ আসতে আসতে তাঁর বয়স হবে যাবে ৪১ বছর। তখন পর্তুগাল দলে সুযোগ নাও পেতে পারেন সিআর সেভেন।
রাত পেরোলেই স্বাগতিক কাতার বনাম ইকুয়েডেররে ম্যাচ দিয়ে বাজবে বিশ্বকাপের বাঁশি। তার আগে দারুণ এক ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন মেসি ও রোনালদো। ফেসবুকে পোস্ট করা সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সময়ের এই দুই তারকা ট্রাঙ্কের ওপরে দাবার গুটি সাজিয়ে বসেছেন। মগ্ন হয়ে আছেন চাল দিতে। এ ছবি দেখে প্রথমেই একটি বাক্যই মনে পড়ে যায়, ‘শতরঞ্জ কে খিলাড়ি’।
নুয়ে বসা মেসির মুখে হাত তো রোনালদোর কপালে। যেন দুজনে চিন্তা করছেন মাঠের কৌশলে কীভাবে একজন আরেকজনকে হারানো যায়। আর এই ছবির ক্যাপশনে লেখা, ‘বিজয় থাকে মনের মধ্যে।’
ছবিটি ঘিরে ইতিমধ্যে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে নেটিজেনদের মধ্যে। অবশ্য ছবিটি হতে পারে ট্রাঙ্কের বিজ্ঞাপন। কিন্তু এভাবে দাবার বোর্ড সামনে দুজনের ছবি যেন অনেক কথায় বলছে।

শেষবার যখন মনুমেন্তালের ঘাস ছুঁয়ে ধীরে ধীরে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন লিওনেল মেসি, মনে হচ্ছিল আর্জেন্টিনার দুই দশকের এক সোনালি বিকেল মাঠ ছেড়ে যাচ্ছে। গ্যালারি তখনো তাঁর নামে কাঁপছে, চোখে পানি নিয়ে তিনি হাত নেড়ে বিদায় জানাচ্ছেন, আর ১০ নম্বর জার্সির আকাশি-সাদা রংটি যেন সেই মুহূর্তে আরও গাঢ় হয়ে উঠেছে।
৯ ঘণ্টা আগে

আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নেমেছেন লিওনেল মেসি। বেনিনের বিপক্ষে ৩–০ গোলের জয়ে শেষ হয়েছে জাতীয় দলের হয়ে তাঁর দীর্ঘ পথচলা। শেষ ম্যাচে গোলও করেছেন ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা। তবে ফুটবল থেকে এখনই বিদায় নিচ্ছেন না তিনি। আর্জেন্টিনার অধ্যায় শেষ হলেও ইন্টার মায়ামির হয়ে চালিয়ে যাবেন খেলা।
১২ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান গেমস শেষ হয়েছে মাত্র দুই দিন আগে। ২২ ডিসিপ্লিনে অংশ নিয়ে বাংলাদেশ ফিরেছে একটি ব্রোঞ্জ পদক নিয়ে। মাঠের ফল নিয়ে হতাশার সঙ্গে গেমস চলাকালে খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। সেই প্রসঙ্গেই এবার কঠোর বার্তা দিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তাঁর মতে, হার-জিত খেলারই অংশ, কিন্তু প্রতিযো
১৩ ঘণ্টা আগে