
ইউরোপীয় ফুটবলে রেফারিংকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এখন বেশ স্বাভাবিক বিষয় হয়ে গিয়েছে। বার্সেলোনার রাফিনিয়া পরশু রাতে রেফারিদের কাঠগড়ায় তুলেছেন। গত রাতে রেকর্ড ১৫ বারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ বিদায় নেওয়ার পর রেফারিং নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শিষ্যকে লাল কার্ড দেখিয়ে ম্যাচটা পুরোপুরি শেষ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ রিয়াল কোচ আলভারো আরবেলোয়ার।
আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় গত রাতে কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে মুখোমুখি হয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ-রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচের একেবারে শেষভাগে এসে লাল কার্ড দেখেন রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা। মূলত জোড়া হলুদ কার্ডের কারণে কামাভিঙ্গা মাঠ ছাড়লে ৮৬ মিনিটে ১০ জনের দলে পরিণত হয় রিয়াল। দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৪ গোলে হেরে রেফারি স্লাভকো ভিনচিচকে কাঠগড়ায় তুলেছেন আরবেলোয়া। টিএনটি স্পোর্টসকে রিয়াল কোচ বলেন, ‘এ ধরনের ম্যাচে একজন ফুটবলারকে লাল কার্ড দেখানো সত্যিই অবিশ্বাস্য। আমরা ভীষণ হতাশ এবং রাগান্বিত। ম্যাচের সর্বনাশ করেছেন তিনি।’
গতকাল ৭৯ মিনিটে বায়ার্ন মিডফিল্ডার জামাল মুসিয়ালার জার্সি টেনে ধরায় প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন কামাভিঙ্গা। তখনই কামাভিঙ্গার সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু হ্যারি কেইনকে ফাউল করার পর বল ধরে রেখে খেলা পুনরায় শুরুতে দেরি করেন কামাভিঙ্গা। রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডারকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখান ভিনচিচ।
আরবেলোয়ার মতে ভিনচিচ যে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড কামাভিঙ্গাকে দেখিয়েছেন, সেটা অযৌক্তিক। ম্যাচ শেষে মুভিস্টারকে রিয়াল কোচ বলেন, ‘রেফারি হয়তো জানতেনই না যে সে (কামাভিঙ্গা) আগেই একটা হলুদ কার্ড পেয়েছে। আমার মতে এই ম্যাচে এত সুন্দর শুরু হয়েছিল। দারুণভাবে চলছিল। কিন্তু এই নকআউট ম্যাচ সেখানেই শেষ হয়ে গেল। এটা আমাদের মৌসুম নির্ধারণী ম্যাচ ছিল।’
জোড়া হলুদ কার্ডে সতীর্থ কামাভিঙ্গা লাল কার্ড দেখায় রেফারি ভিনচিচের সিদ্ধান্তকে রসিকতা বলেছেন রিয়াল মিডফিল্ডার জুড বেলিংহাম। কামাভিঙ্গার মতো লাল কার্ড দেখেছেন আর্দা গুলেরও। কামাভিঙ্গাকে লাল কার্ড দেখানোয় রেফারিকে কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা করেন গুলের। তাতে আগামী মৌসুমে রিয়ালের প্রথম ম্যাচে গুলেরের খেলা হচ্ছে না।
আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় গত রাতে রিয়াল মাদ্রিদকে ৪-৩ গোলে হারিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। আলেক্সান্ডার পাভলোভিচ, হ্যারি কেইন, লুইস দিয়াজ, মাইকেল ওলিস—বায়ার্নের এই চার ফুটবলার গোল করেছেন। আর রিয়ালের আর্দা গুলের জোড়া গোল করেছেন। দুটি গোলই বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারকে বোকা বানিয়ে করেছেন। ১ মিনিটে নয়্যারের ভুল পাসের সুযোগ নিয়ে বায়ার্নের জালে বল জড়ান গুলের। এরপর ২৯ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন গুলের। আর যে কামাভিঙ্গার লাল কার্ড নিয়ে এত আলোচনা, তিনি ৬২ মিনিটে ব্রাহিম দিয়াজের বদলি হয়ে নামেন।

ঘানার রক্ষণাত্মক কৌশলের গোলকধাঁধায় হারিয়ে গেল ইংল্যান্ড। ম্যাচের শেষ দিকে হ্যারি কেইনের অবিশ্বাস্য এক মিস এবং ও'রেইলির শট ক্রসবারে লাগার নাটকীয়তায় গোলশূন্য ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে টমাস টুখেলের দলকে। পুরো ম্যাচে বল দখলে একচেটিয়া আধিপত্য দেখালেও ব্ল্যাক স্টারদের জমাট ‘লো ব্লক’ ভাঙতে না পারার চরম হতা
৩ ঘণ্টা আগে
বাইরের সমালোচনা কিংবা সমসাময়িক অন্য খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা যে এই মুহূর্তে তাঁর একদমই পছন্দ নয়, সেটি তাঁর আচরণেই স্পষ্ট ছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের মাঝপথেই বড় এক ধাক্কা খেলেন ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশম। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে জরুরি ভিত্তিতে ফ্রান্সে ফিরে যাচ্ছেন তিনি। ফলে শুক্রবার নরওয়ের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ফ্রান্সের ডাগআউটে দেখা যাবে না তাঁকে।
৪ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিলের ‘ও গ্লোবো’ পত্রিকা একটা মজার প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তাদের দলের নকআউটের সম্ভাব্য সূচি নিয়ে। প্রতিবেদনের শিরোনাম—‘গ্রুপে ১ম, ২য় নাকি ৩য়—ব্রাজিলের ম্যাচের দিন কাজে বেশি ছুটি পেতে কোন ফল সমর্থন করবেন?’ কেন এই প্রতিবেদন, সেটির ব্যাখ্যায় গ্লোবো লিখেছে, ‘বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে...
৪ ঘণ্টা আগে