Ajker Patrika

অকালপ্রয়াত ফুটবলারকে নিয়ে স্পেনের কোচের আবেগঘন বার্তা

ক্রীড়া ডেস্ক    
অকালপ্রয়াত ফুটবলারকে নিয়ে স্পেনের কোচের আবেগঘন বার্তা
৩০ বছর বয়সে না ফেরার দেশে জেসুস দে মিগুয়েল। ছবি: সংগৃহীত

বয়স মাত্র ৩০ বছর। কত স্বপ্নই তো ছিল জেসুস দে মিগুয়েলের ফুটবলকে নিয়ে। কিন্তু এক দুর্ঘটনায় শেষ হয়ে গেল সব। না ফেরার দেশে চলে গেলেন তিনি। অকালপ্রয়াত ফুটবলারকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে।

স্পেনের জাতীয় ফুটবল দলের কোচ দে লা ফুয়েন্তে এবং রিয়াল মাদ্রিদের সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ গতকাল অকালপ্রয়াত মিগেলের শেষকৃত্যে গিয়েছেন। প্রয়াত ফুটবলারের পরিবারের সদস্যরাও যোগ দিয়েছেন। শেষকৃত্যের আগে সাংবাদিকদের স্প্যানিশ কোচ বলেন, ‘আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর প্রতি আমাদের সমবেদনা রয়েছে। শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি তাদের। ফুটবল সম্প্রদায় যে ঐক্যবদ্ধ, সেটা প্রকাশের এটাই সর্বোত্তম উপায়। প্রিয়জনদের প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা ও সহমর্মিতা জানাচ্ছি।’

৩০ বছর বয়সী মিগুয়েল মঙ্গলবার মারা যান। এর আগের দিন দ্বিতীয় বিভাগের একটি ম্যাচে প্রতিপক্ষ দলের গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষের পর তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁর শেষকৃত্যে অংশ নিতে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ থেকে আসেন তাঁর টেনেরিফের সতীর্থরা। তাঁদের পাশাপাশি শত শত মানুষ শেষ বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন।

ফুলে সাজানো শেষযাত্রার গাড়িটি ধীরে ধীরে এসে পৌঁছায় মধ্য স্পেনের নাভাহেরমোসা শহরের গির্জায়। গাড়িটির পেছনে কয়েক ডজন মানুষ হেঁটে যান। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের হাতে ছিল মোমবাতি। শেষকৃত্যের প্রার্থনা শেষে কফিন বহনকারীরা মিগেলের মরদেহ স্থানীয় কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হওয়ায়। জানা গেছে, তাঁর বাবা-মায়ের জন্মস্থান নাভাহেরমোসায়।

মিগুয়েলের জন্ম মাদ্রিদে। ক্যারিয়ারের বেশির ভাগ সময় তিনি স্পেনের নিচের সারির বিভিন্ন ক্লাবে খেলেছেন। গত বছর টেনেরিফকে দ্বিতীয় বিভাগে উন্নীত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। নাভাহেরমোসা রাজধানী মাদ্রিদ থেকে দুই ঘণ্টারও কম দূরত্বে অবস্থিত। প্রায় তিন হাজার লোকের বাস নাভাহেরমোসায়।

মিগুয়েলের পরিবার এক বিবৃতিতে শোক প্রকাশকারী সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও শোক পালনের সময়টুকু সম্মান করার অনুরোধ জানিয়েছে। পরিবারের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই পরিস্থিতিতে আমাদের যে নিরিবিলি পরিবেশে শোক পালন করা প্রয়োজন, আমরা সেই সময়টুকু চাই। হেসুস আমাদের জীবনে এমন এক শূন্যতা রেখে গেছে, যা কখনো পূরণ হওয়ার নয়। তবে তাঁর সঙ্গে জীবন ভাগ করে নেওয়ার সৌভাগ্য যাঁদের হয়েছে, তাঁদের সবার হৃদয়ে সে রেখে গেছে এক অমলিন স্মৃতি।’

তিন হাজার লোকের শহর নাভাহেরমোসায় মিগুয়েলের মৃত্যুতে তিন দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় স্থানীয় পৌরসভা ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
১
২
৩
৪
৫
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত