
লিওনেল মেসি যেখানেই যাচ্ছেন, ছায়ার মতো তাঁকে অনুসরণ করছেন এক দেহরক্ষী। স্টেডিয়ামে প্রবেশ থেকে টানেল ধরে ড্রেসিংরুমে যাওয়ার সময়, এমনকি মাঠেও নেমে পড়ছেন রেসলারের মতো বিশালদেহী এক লোক। ইতিমধ্যে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের এই দেহরক্ষীকে নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। গতকাল ইউএস ওপেন ফুটবলে সিনসিনাটির বিপক্ষে ম্যাচের পর সেই আলোচনা আরও তুঙ্গে।
বার্সেলোনা ও পিএসজিতে কখনো দেহরক্ষী নিয়ে ঘুরতে দেখা যায়নি মেসিকে। তবে ইন্টার মায়ামিতে ৩৬ বছর বয়সীর ফরোয়ার্ড এবং তাঁর পরিবারের নিরাপত্তার জন্য ক্লাবটির সহস্বত্বাধিকারী ডেভিড বেকহাম নিয়োগ দিয়েছেন ইয়াসিন চুয়েকো নামের এই ব্যক্তিগত দেহরক্ষীকে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক নেভি সিল। মার্শাল আর্টে পারদর্শী চুয়েকোর ইরাক ও আফগানিস্তানে যুদ্ধের অভিজ্ঞতাও আছে।
মেসি আসার পর থেকে পাল্টে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর সকার লিগের (এমএলএস) চিত্র। বিশ্বের সেরা ফুটবলারকে দেখতে মাঠে ও মাঠের বাইরে উদ্গ্রীব হয়ে থাকেন তাঁর ভক্তরা। এ জন্য বিশেষ নিরাপত্তাও দিতে হচ্ছে তাঁকে। ভক্ত-সমর্থকেরা হঠাৎ যাতে মাঠে ঢুকে মেসির কাছে যেতে না পারেন বা তাঁকে প্রতিপক্ষ দলের সমর্থকেরা কোনো আঘাত করতে না পারেন, সে জন্য দেহরক্ষী রাখা হয়েছে।
এ ব্যাপারে গত জুনে ইন্টার মায়ামির মালিক হোর্হে মাস বলেছিলেন, ‘নিঃসন্দেহে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা বাড়ানো হবে। নিরাপত্তা প্রটোকল ইতিমধ্যে মাঠে ও মাঠের বাইরের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি শুধু আমাদের ম্যাচের জন্য নয়।’
যুক্তরাষ্ট্রে হুটহাট প্রকাশ্যে আততায়ীর গুলিবর্ষণ নতুন নয়। এ জন্য মেসির মতো তারকার বাড়তি নিরাপত্তা থাকবে, সেটিই স্বাভাবিক। তবে চুয়েকো আলোচনায় আসার কারণ, ম্যাচের সময় প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় কাছে আসতে চাইলে মেসিকে পাহারা দিতে মাঠে নেমে পড়ায়। সেসব ভিডিও বেশ কয়েক দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল। সিনসিনাটির বিপক্ষে ম্যাচেও মেসির পাশে থাকতে টাচলাইন ধরে দৌড়েছেন তাঁর দেহরক্ষী। সেটিরও একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর টুইটারে একজনের মন্তব্য, ‘ইন্টার মিয়ামিতে মেসির ব্যক্তিগত দেহরক্ষী। তাঁকে সর্বত্র অনুসরণ করেন।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘মেসির দেহরক্ষী মাঠেও নেমে পড়ে।’ অন্যজন একটু মজা করে বলেছেন, ‘এই দেহরক্ষী এখন পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ। কারণ, তিনি প্রতি মিনিটে মেসিকে দেখেন।’

লিওনেল মেসি যেখানেই যাচ্ছেন, ছায়ার মতো তাঁকে অনুসরণ করছেন এক দেহরক্ষী। স্টেডিয়ামে প্রবেশ থেকে টানেল ধরে ড্রেসিংরুমে যাওয়ার সময়, এমনকি মাঠেও নেমে পড়ছেন রেসলারের মতো বিশালদেহী এক লোক। ইতিমধ্যে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের এই দেহরক্ষীকে নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। গতকাল ইউএস ওপেন ফুটবলে সিনসিনাটির বিপক্ষে ম্যাচের পর সেই আলোচনা আরও তুঙ্গে।
বার্সেলোনা ও পিএসজিতে কখনো দেহরক্ষী নিয়ে ঘুরতে দেখা যায়নি মেসিকে। তবে ইন্টার মায়ামিতে ৩৬ বছর বয়সীর ফরোয়ার্ড এবং তাঁর পরিবারের নিরাপত্তার জন্য ক্লাবটির সহস্বত্বাধিকারী ডেভিড বেকহাম নিয়োগ দিয়েছেন ইয়াসিন চুয়েকো নামের এই ব্যক্তিগত দেহরক্ষীকে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক নেভি সিল। মার্শাল আর্টে পারদর্শী চুয়েকোর ইরাক ও আফগানিস্তানে যুদ্ধের অভিজ্ঞতাও আছে।
মেসি আসার পর থেকে পাল্টে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর সকার লিগের (এমএলএস) চিত্র। বিশ্বের সেরা ফুটবলারকে দেখতে মাঠে ও মাঠের বাইরে উদ্গ্রীব হয়ে থাকেন তাঁর ভক্তরা। এ জন্য বিশেষ নিরাপত্তাও দিতে হচ্ছে তাঁকে। ভক্ত-সমর্থকেরা হঠাৎ যাতে মাঠে ঢুকে মেসির কাছে যেতে না পারেন বা তাঁকে প্রতিপক্ষ দলের সমর্থকেরা কোনো আঘাত করতে না পারেন, সে জন্য দেহরক্ষী রাখা হয়েছে।
এ ব্যাপারে গত জুনে ইন্টার মায়ামির মালিক হোর্হে মাস বলেছিলেন, ‘নিঃসন্দেহে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা বাড়ানো হবে। নিরাপত্তা প্রটোকল ইতিমধ্যে মাঠে ও মাঠের বাইরের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি শুধু আমাদের ম্যাচের জন্য নয়।’
যুক্তরাষ্ট্রে হুটহাট প্রকাশ্যে আততায়ীর গুলিবর্ষণ নতুন নয়। এ জন্য মেসির মতো তারকার বাড়তি নিরাপত্তা থাকবে, সেটিই স্বাভাবিক। তবে চুয়েকো আলোচনায় আসার কারণ, ম্যাচের সময় প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় কাছে আসতে চাইলে মেসিকে পাহারা দিতে মাঠে নেমে পড়ায়। সেসব ভিডিও বেশ কয়েক দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল। সিনসিনাটির বিপক্ষে ম্যাচেও মেসির পাশে থাকতে টাচলাইন ধরে দৌড়েছেন তাঁর দেহরক্ষী। সেটিরও একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর টুইটারে একজনের মন্তব্য, ‘ইন্টার মিয়ামিতে মেসির ব্যক্তিগত দেহরক্ষী। তাঁকে সর্বত্র অনুসরণ করেন।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘মেসির দেহরক্ষী মাঠেও নেমে পড়ে।’ অন্যজন একটু মজা করে বলেছেন, ‘এই দেহরক্ষী এখন পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ। কারণ, তিনি প্রতি মিনিটে মেসিকে দেখেন।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২২ মিনিট আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
১ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩ সপ্তাহ বাকি থাকলেও এখনো বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত নন তানজিদ হাসান তামিম। এই বাঁ হাতি ব্যাটারের বিশ্বাস, বিষয়টি ভালোভাবেই দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসি।
১ ঘণ্টা আগে