
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের দরজায় দাঁড়িয়ে দুটি ভিন্ন গল্প। একদিকে প্রথমবার নকআউট পর্বে উঠে ইতিহাস লিখতে থাকা কানাডা, অন্যদিকে বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে নিজেদের সামর্থ্যের আগেই প্রমাণ দেওয়া। শনিবারের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে তাই মুখোমুখি হচ্ছে দুই দলের দুই ভিন্ন যাত্রাপথ।
সহ-আয়োজক কানাডার জন্য এটি একেবারেই নতুন অভিজ্ঞতা। গ্রুপপর্বে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার সঙ্গে ড্র, কাতারকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়া এবং সুইজারল্যান্ডের কাছে হার—এই তিন ম্যাচের পর শেষ বত্রিশে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিয়েছে জেসি মার্শের দল। স্টিফেন ইউস্তাকিওর যোগ করা সময়ের গোলই গড়েছে সেই ইতিহাস।
অন্যদিকে মরক্কোর জন্য নকআউটে ওঠা এখন আর বিস্ময়ের নয়। ২০২২ বিশ্বকাপে আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে খেলা ‘অ্যাটলাসের লায়ন’রা এবারও নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে। গ্রুপপর্বে ব্রাজিলের সঙ্গে ড্র করার পর স্কটল্যান্ড ও হাইতিকে হারিয়েছে তারা। শেষ বত্রিশে নাটকীয় টাইব্রেকারে নেদারল্যান্ডসকে বিদায় করে শেষ ষোলোয় উঠেছে মোহাম্মদ ওয়াহবির দল।
দুই দলের শক্তির জায়গাও আলাদা। কানাডার সবচেয়ে বড় অস্ত্র দ্রুতগতির আক্রমণ আর জোনাথন ডেভিড। গ্রুপপর্বে কাতারের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করা এই ফরোয়ার্ড যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন। তবে দলটি ভুগছে চোট সমস্যায়। মিডফিল্ডার ইসমায়েল কোনে ছিটকে গেছেন, আর তারকা ডিফেন্ডার আলফন্সো ডেভিস এখনো পুরোপুরি ফিট নন। যদিও গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে তাঁর ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে।
মরক্কোর বড় শক্তি তাদের বড় ম্যাচের অভিজ্ঞতা ও মানসিক দৃঢ়তা। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে সমতা ফিরিয়ে পরে টাইব্রেকারে জয়ের ঘটনা প্রমাণ করে, চাপের মুহূর্ত সামলাতে তারা কতটা দক্ষ। মাঝমাঠে ইসমায়েল সাইবারি দারুণ ছন্দে আছেন, আর রক্ষণভাগ বরাবরের মতোই সংগঠিত।
মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানেও এগিয়ে মরক্কো। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এ পর্যন্ত ৪ বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। মরক্কোর জয় ৩টি। বাকি একটি ম্যাচ হয়েছে ড্র।
কাগজে-কলমে অভিজ্ঞতার বিচারেও মরক্কো কিছুটা এগিয়ে। তবে নিজেদের মাঠে দর্শকদের সমর্থন আর গতিময় ফুটবলকে পুঁজি করে কানাডাও নতুন আরেকটি ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন দেখছে। একদিকে আফ্রিকার সবচেয়ে সফল বিশ্বকাপ দলের আত্মবিশ্বাস, অন্যদিকে স্বাগতিকদের নির্ভীক লড়াই—সব মিলিয়ে শেষ ষোলোর এই ম্যাচ হতে পারে সবচেয়ে জমজমাট লড়াইগুলোর একটি।

বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর লড়াই মানেই ভুলের সুযোগ কম। আর প্রতিপক্ষ যদি হয় জার্মানিকে হারিয়ে আসা আত্মবিশ্বাসী দল, তাহলে ফেবারিটের তকমাও খুব বেশি নিশ্চয়তা দিতে পারে না। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে আজ রাত ৩টায় এমনই এক লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও প্যারাগুয়ে।
৩০ মিনিট আগে
প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা কেপ ভার্দে শেষ বত্রিশে উঠেই রূপকথার জন্ম দিয়েছে। আজ মায়ামিতে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে অঘটন তো প্রায় ঘটিয়েই দিয়েছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। তবে হারলেও কিংবদন্তিদের প্রশংসা কুড়িয়েছে আফ্রিকা মহাদেশের দলটি।
২ ঘণ্টা আগে
কলম্বিয়া-ঘানা ম্যাচ দিয়ে শেষ হয়েছে শেষ বত্রিশ পর্ব। শেষ ষোলোর লাইনআপও চূড়ান্ত হয়ে গেছে। বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১১টায় কানাডা-মরক্কো ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে শেষ ষোলো। পরবর্তীতে রাত ৩টায় মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স-প্যারাগুয়ে। জার্মানিকে হারিয়ে চমকে দেওয়া প্যারাগুয়ে কি এবার ফ্রান্সেরও বিদায়ঘণ্টা বাজিয়ে দেবে—এই প
৩ ঘণ্টা আগে
এবারের বিশ্বকাপে মাঠের লড়াই তো রোমাঞ্চকর হচ্ছেই। বিশেষ করে নকআউট পর্বে কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলছে না। শুধু কি মাঠের পারফরম্যান্স! মাঠের বাইরের বিভিন্ন ঘটনা নিয়েও চলছে আলাপ-আলোচনা। যার মধ্যে ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের ভায়াগ্রা ব্যবহারের কাহিনি চমকে দেওয়ার মতোই।
৩ ঘণ্টা আগে