
বাংলাদেশ সময় আজ রাত সাড়ে ১২টায় ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার সিটি ও ব্রাজিলের ফ্লুমিনেন্স। ক্লাব বিশ্বকাপে এটিই প্রথম ফাইনাল সিটির। প্রথম ফাইনাল ফ্লুমিনেন্সেরও।
এই ‘প্রথম’-এর বাইরে আর কোনো সাদৃশ্য নেই দুই দলের। এক দল ইউরোপের, আরেক দল লাতিনের। স্বভাবতই খেলার ধরনেও উত্তর মেরু-দক্ষিণ মেরু ফারাক দুই দলের। কোচ পেপ গার্দিওলার হাত ধরে বার্সেলোনার ‘টিকিটাকা’ ইতিহাদে জায়গা করে নিলেও গতির মিশেলে সেটি রূপ নিয়েছে ‘পজিশনাল’ ফুটবলে। আর এই ধরনেই সফল গার্দিওলা। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন, চ্যাম্পিয়ন চ্যাম্পিয়নস লিগেরও। কিন্তু ফার্নান্দো দিনিজের স্টাইল আবার গার্দিওলার পুরোপুরি বিপরীত। ব্রাজিলের শিশু-কিশোররা রাস্তাঘাটে যেভাবে খেলেন, সৃজনশীলতার ছাপ রেখে সেই ধরনটাকেই তিনি নিয়ে এসেছেন তাঁর ‘অ্যান্টি পজিশনাল’ ফুটবল স্টাইলে। দিনিজ স্বীকারও করেন তা। গার্দিওলা ও তাঁর খেলার ধরন সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে দিনিজ অবলীলায় বলেছিলেন, ‘বল নিজেদের দখলে রেখে যেভাবে খেলতে পছন্দ করেন পেপ গার্দিওলা, আমার ধরন ঠিক তার বিপরীত। তার ধরন হলো পজিশনাল, আমার অ্যান্টি-পজিশনাল।’
তাঁর ‘অ্যান্টি-পজিশনাল’ যখন কাজ করে, তখন রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের ‘জোগো বনিতো’র কথা মনে করিয়ে দেয়। দিনিজের অধীনেই প্রথমবারের মতো গত মাসে কোপা লিবার্তাদোরেস জেতে ফ্লুমিনেন্স। তবে তাঁর খেলার ধরন আজকে কতটা কাজ করবে সেটাই দেখার। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এই স্টাইলে খেলতে গেলে প্রতিপক্ষ খেলার জন্য অনেক জায়গা পেয়ে যায়। সেটার যথাযথ ব্যবহার সিটি করলে চাপে পড়ে যেতে পারে ফ্লুমিনেন্স। মিসরের আল-আহলি ক্লাবই তাদের প্রথম সেমিফাইনালে থামিয়ে দিতে পারত। কিন্তু সেটা হতে দেননি গোলরক্ষক ফ্যাবিও। প্রতিপক্ষের অনেক সুযোগ নষ্ট করে দিয়েছেন; আর দ্বিতীয়ার্ধের শেষ ভাগের দুই গোল ফ্লুমিনেন্সকে তুলে আনে ফাইনালে।
কোচ দিনিজের ওপর অটুট আস্থা মার্সেলোর। রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক ডিফেন্ডার, যদিও এখন আগলাচ্ছেন ফ্লুমিনেন্সের রক্ষণ, তিনি বলছেন, ‘প্রতিটি খেলোয়াড়ের সেরাটা তিনি বের করে আনতে সক্ষম। এখানে যতটা স্বাধীনতা নিয়ে খেলতে পারি, সেটা কোথাও পাইনি। রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার পর ভেবেছিলাম আমার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের শেষ। কিন্তু দিনিজই আমাকে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে।’
নিজেদের নিয়ে দিনিজ আত্মবিশ্বাসী হলেও বাস্তবতা এই, ২০১২ সালের পর কোনো লাতিন ক্লাব ফিফা বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। কিন্তু কেন? দিনিজের ভাষায়, ‘যারা ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা কিংবা উরুগুয়েতে ভালো খেলছে, তাদের নিয়ে যাচ্ছে তারা (ইউরোপিয়ান ক্লাবগুলো), এমনকি কিশোরদেরও...নিয়ে যাচ্ছে ভালো কোচদেরও।’

বাংলাদেশ সময় আজ রাত সাড়ে ১২টায় ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার সিটি ও ব্রাজিলের ফ্লুমিনেন্স। ক্লাব বিশ্বকাপে এটিই প্রথম ফাইনাল সিটির। প্রথম ফাইনাল ফ্লুমিনেন্সেরও।
এই ‘প্রথম’-এর বাইরে আর কোনো সাদৃশ্য নেই দুই দলের। এক দল ইউরোপের, আরেক দল লাতিনের। স্বভাবতই খেলার ধরনেও উত্তর মেরু-দক্ষিণ মেরু ফারাক দুই দলের। কোচ পেপ গার্দিওলার হাত ধরে বার্সেলোনার ‘টিকিটাকা’ ইতিহাদে জায়গা করে নিলেও গতির মিশেলে সেটি রূপ নিয়েছে ‘পজিশনাল’ ফুটবলে। আর এই ধরনেই সফল গার্দিওলা। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন, চ্যাম্পিয়ন চ্যাম্পিয়নস লিগেরও। কিন্তু ফার্নান্দো দিনিজের স্টাইল আবার গার্দিওলার পুরোপুরি বিপরীত। ব্রাজিলের শিশু-কিশোররা রাস্তাঘাটে যেভাবে খেলেন, সৃজনশীলতার ছাপ রেখে সেই ধরনটাকেই তিনি নিয়ে এসেছেন তাঁর ‘অ্যান্টি পজিশনাল’ ফুটবল স্টাইলে। দিনিজ স্বীকারও করেন তা। গার্দিওলা ও তাঁর খেলার ধরন সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে দিনিজ অবলীলায় বলেছিলেন, ‘বল নিজেদের দখলে রেখে যেভাবে খেলতে পছন্দ করেন পেপ গার্দিওলা, আমার ধরন ঠিক তার বিপরীত। তার ধরন হলো পজিশনাল, আমার অ্যান্টি-পজিশনাল।’
তাঁর ‘অ্যান্টি-পজিশনাল’ যখন কাজ করে, তখন রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের ‘জোগো বনিতো’র কথা মনে করিয়ে দেয়। দিনিজের অধীনেই প্রথমবারের মতো গত মাসে কোপা লিবার্তাদোরেস জেতে ফ্লুমিনেন্স। তবে তাঁর খেলার ধরন আজকে কতটা কাজ করবে সেটাই দেখার। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এই স্টাইলে খেলতে গেলে প্রতিপক্ষ খেলার জন্য অনেক জায়গা পেয়ে যায়। সেটার যথাযথ ব্যবহার সিটি করলে চাপে পড়ে যেতে পারে ফ্লুমিনেন্স। মিসরের আল-আহলি ক্লাবই তাদের প্রথম সেমিফাইনালে থামিয়ে দিতে পারত। কিন্তু সেটা হতে দেননি গোলরক্ষক ফ্যাবিও। প্রতিপক্ষের অনেক সুযোগ নষ্ট করে দিয়েছেন; আর দ্বিতীয়ার্ধের শেষ ভাগের দুই গোল ফ্লুমিনেন্সকে তুলে আনে ফাইনালে।
কোচ দিনিজের ওপর অটুট আস্থা মার্সেলোর। রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক ডিফেন্ডার, যদিও এখন আগলাচ্ছেন ফ্লুমিনেন্সের রক্ষণ, তিনি বলছেন, ‘প্রতিটি খেলোয়াড়ের সেরাটা তিনি বের করে আনতে সক্ষম। এখানে যতটা স্বাধীনতা নিয়ে খেলতে পারি, সেটা কোথাও পাইনি। রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার পর ভেবেছিলাম আমার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের শেষ। কিন্তু দিনিজই আমাকে নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে।’
নিজেদের নিয়ে দিনিজ আত্মবিশ্বাসী হলেও বাস্তবতা এই, ২০১২ সালের পর কোনো লাতিন ক্লাব ফিফা বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। কিন্তু কেন? দিনিজের ভাষায়, ‘যারা ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা কিংবা উরুগুয়েতে ভালো খেলছে, তাদের নিয়ে যাচ্ছে তারা (ইউরোপিয়ান ক্লাবগুলো), এমনকি কিশোরদেরও...নিয়ে যাচ্ছে ভালো কোচদেরও।’

চতুর্থবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি আসছে বাংলাদেশে। আজ সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপ ট্রফি। এর আগে ২০০২, ২০১৪ ও ২০২২ বিশ্বকাপ সামনে রেখেও ট্রফি এসেছিল ঢাকায়। এবারের সফরে ফিফার প্রতিনিধি হিসেবে সাথে আছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা।
৩ মিনিট আগে
রিয়াল মাদ্রিদে কেন টিকতে পারলেন না জাভি আলোনসো। রিয়ালের ‘ঘরের ছেলে’ জাবি আলোনসো কোচ হিসেবে যদি টিকতে না পারেন, তাহলে বাইরে থেকে আসা কোচ কীভাবে কাজ করবেন বার্নাব্যুতে!
২৮ মিনিট আগে
২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেই সুযোগটা পেলেন কোথায়! বৃষ্টির বাগড়ায় টুর্নামেন্টের আগে নিজেদের ঠিকমতো ঝালিয়ে নিতে পারলেন না তামিম-জাওয়াদ আবরাররা।
১২ ঘণ্টা আগে
রুবেন আমোরিমকে ৫ জানুয়ারি ছাঁটাই করে দলের পরের দুই ম্যাচের জন্য ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড দায়িত্ব দিয়েছিল ক্লাবেরই অনূর্ধ্ব-১৮ দলের কোচ ড্যারেন ফ্লেচারকে। সে দুই ম্যাচের পর দলের ডাগআউটে বসবেন কে? শোনা যাচ্ছে চলতি মৌসুমের অন্য সময়ের জন্য ৪৪ বছর বয়সী মাইকেল ক্যারিকই দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ওল্ড ট্রাফোর্ডের দ
১৩ ঘণ্টা আগে