
নেইমার ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে জায়গা পান কি না, সেটা নিয়ে গত কিছু দিন ধরে অনেক আলোচনা হয়েছে। সব জল্পনা-কল্পনা শেষে উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ সামনে রেখে এই ফরোয়ার্ডকে রেখেই দল দিয়েছেন কার্লো আনচেলত্তি। এরপর নতুনকরে আলোচনা শুরু হয়েছে নেইমারের শুরুর একাদশে থাকা, না থাকা নিয়ে।
আনচেলত্তির দেওয়া বিশ্বকাপ দলে ফরোয়ার্ড আছেন নয়জন। নেইমার ছাড়া বাকিরা হলেন এনদ্রিক, গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি, ইগোর থিয়াগো, লুইজ হেনরিক, মাথিয়াস কুনিয়া, রাফিনিয়া, রায়ান এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ক্লাবের হয়ে এরা সবাই দুর্দান্ত ছন্দে আছেন। তাই কোনো বড় নাম নয়, একাদশে সুযোগ পেতে পারফরম্যান্স বিবেচনা করতে চান আনচেলত্তি। ইতালিয়ান কোচের স্পষ্ট বার্তা—দলের সবাই তাঁর কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ।
সংবাদ সম্মেলনে আনচেলত্তি বলেন, ‘আমরা পুরো বছরজুড়ে নেইমারকে পর্যবেক্ষণ করেছি। শেষ সময়ে সে নিয়মিত খেলেছে, যার ফলে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। আমরা মনে করি সে গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড় এবং এই বিশ্বকাপেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে দলের অন্য ২৫ জনের মতো তার ভূমিকাও একই, দায়িত্বও একই। তার খেলার সুযোগ আছে, না-ও থাকতে পারে; বেঞ্চে বসতে হতে পারে, বদলি হিসেবেও নামতে পারে। দলের অন্য সবার মতোই তার দায়িত্ব। সে অভিজ্ঞ একজন খেলোয়াড়, সত্যি বলতে কিছু কিছু পজিশনে—যেমন গোলকিপার—আমরা অভিজ্ঞতাকে একটু বেশি গুরুত্ব দিই।’
শুরুর একাদশে জায়গা পেতে অনুশীলনে দারুণ কিছু করতে দেখাতে হবে নেইমারকে। এই প্রসঙ্গে আনচেলত্তি বলেন, ‘নেইমার খেলবে যদি খেলার যোগ্যতা অর্জন করে। আমাদের অনুশীলন আছে, আর অনুশীলনের মাঠই ঠিক করবে কে খেলবে। আমার মাথায় হয়তো একটা সম্ভাব্য শুরুর একাদশ আছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমাদের অনুশীলনের মতোই খেলতে হবে, দেখতে হবে আমরা কতটা প্রস্তুত।’
শেষটাতেও আনচেলত্তি জানিয়ে রাখলেন—বড় তারকা হলেও বিশেষ কোনো সুযোগ পাবেন না নেইমার, ‘আমি আবারও বলছি, নেইমারের সুযোগ অন্য সবার মতোই সমান। আমি মনে করি, দল হিসেবে আমাদের সবার দায়িত্ব একটাই—নিজ নিজ গুণাবলি কাজে লাগিয়ে ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ জেতাতে সাহায্য করা।’

চলমান টেস্ট সিরিজের প্রথম তিন ইনিংসেই পাকিস্তানকে অলআউট করেছে বাংলাদেশ। আগের তিন ইনিংসে একবারও সফরকারীদের প্রথম উইকেট নিতে পারেননি নাহিদ রানা। অবশেষে সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান শিবিরে প্রথম আঘাত হানলেন এই গতি তারকা।
১ ঘণ্টা আগে
ইউরো ২০২৪-এর গ্রুপপর্ব থেকে ছিটকে পড়া, মাঝমাঠের অন্যতম স্তম্ভ মার্সেলো ব্রোজোভিচের অবসর—সব মিলিয়ে মনে করা হচ্ছিল, বলকানের পরাশক্তি ক্রোয়েশিয়ার সোনালি প্রজন্মের বুঝি এখানেই শেষ। তবে সব সংশয় উড়িয়ে দিয়ে কোচ জলাতকো দালিচ ২০২৬ বিশ্বকাপের পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন সেই পুরোনো মুখগুলোর ওপর ভরসা রেখেই। ইউরোপীয় ফুট
১ ঘণ্টা আগে
নানা সন্দেহ, সংশয় আর একগাদা প্রশ্ন ঘিরেই রেখেছিল ২০২৬ বিশ্বকাপে নেইমারের ডাক পাওয়াকে। বিশেষ করে ইতালীয় কোচ কার্লো আনচেলত্তি সেলেসাওদের দায়িত্ব নেওয়ার পর একবারও দলে জায়গা পাননি তিনি। তবে সব জল্পনা-কালের অবসান ঘটিয়ে শেষ পর্যন্ত ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছেন এই তারকা।
৮ ঘণ্টা আগে
২৪ বছর ধরে শিরোপার দেখা না পাওয়া ব্রাজিল এবারের বিশ্বকাপে খেলবে সি গ্রুপে । যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ড। নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ১৪ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ষষ্ঠ শিরোপার অভিযান শুরু করবে আনচেলত্তির দল। এর আগে পানামা ও মিসরের বিপক্ষে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে তারা।
৯ ঘণ্টা আগে