
প্রথমবারের মতো ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে ইউরোপের মাটিতে খেলতে নামছে বাংলাদেশ। সান মারিনোর বিপক্ষে ম্যাচটি শুরু হবে রাত ১১টায়। কোচ হিসেবে টমাস ডুলিরও এটি প্রথম ম্যাচ। ৪–৩–৩ ছকে শুরুর একাদশ সাজাতে গিয়ে চমকই দেখিয়েছেন তিনি। রাখেননি কানাডা প্রবাসী মিডফিল্ডার শমিত সোমকে।
বাংলাদেশ সর্বশেষ খেলেছিল গত মার্চে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে। সেই ম্যাচের শুরুর একাদশ থেকে আনা হয়েছে চার পরিবর্তন। বাদ পড়েছেন ফাহামিদুল ইসলাম, শাকিল আহাদ তপু, শমিত সোম ও জায়ান আহমেদ। তাদের বদলে খেলছেন জামাল ভূঁইয়া, রফিকুল ইসলাম, তপু বর্মণ ও ইসা ফয়সাল।
সাবেক কোচ হাভিয়ের কাবরেরার অধীনে শুরুর একাদশে একপ্রকার ব্রাত্যই ছিলেন জামাল। নতুন কোচের অধীনের নিজের জায়গাটা ফিরে পেলেন তিনি। দুই বছর পর জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামছেন রফিকুল ইসলাম।
মাঝমাঠে জামালের একপাশে থাকবেন সোহেল রানা সিনিয়র ও আরেক পাশে হামজা চৌধুরী। রক্ষণের দায়িত্বে তপু, তারিক কাজী, ইসা ও সাদ উদ্দিন । শেখ মোরসালিনকে মাঝখানে রেখে দু্ই উইংয়ে থাকছেন রফিকুল ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিম।
বাংলাদেশ একাদশ: মিতুল মারমা, তপু বর্মণ, সাদ উদ্দীন, তারিক কাজী, ইসা ফয়সাল, জামাল ভূঁইয়া (অধিনায়ক), হামজা চৌধুরী, সোহেল রানা সিনিয়র, রফিকুল ইসলাম, শেখ মোরসালিন, রফিকুল ইসলাম।

ইউরোপের মাটিতে ইউরোপীয় কোনো দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ—ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নেওয়া এই লড়াইয়ে প্রথমার্ধ শেষে স্বাগতিক সান মারিনোর সঙ্গে ১-১ সমতায় বিরতিতে গেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সেরাফাল্লে স্টেডিয়ামে শুক্রবার রাতে শুরু হওয়া এই ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে ঐতিহাসিক গোলটি করেছেন অভিজ্ঞ ডিফেন্
২৬ মিনিট আগে
বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা ধরে রাখার মিশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন লামিনে ইয়ামাল। দুর্দান্ত একটি মৌসুম কাটানোর পুরস্কার পেলেন এই তরুণ উইঙ্গার। লা লিগার ২০২৫-২৬ মৌসুমের বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন সময়ের আলোচিত ফুটবলার।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া কিংবা বাছাইপর্বে খেলা ফুটবলারদের ক্লাবগুলোর জন্য আর্থিক প্রণোদনা বাড়িয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। আজ এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, এবারের বিশ্বকাপ উপলক্ষে ক্লাব বেনিফিটস প্রোগ্রামের তহবিল বাড়িয়ে ৩৫৫ মিলিয়ন ডলার করা হয়েছে, যা ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় ৭০ শতাংশ বেশ
২ ঘণ্টা আগে
ঘরের মাঠ হওয়ায় গ্যালারিতে ভারতের পাল্লা ভারী থাকাটাই স্বাভাবিক। তবে স্বাগতিকদের কীভাবে কাঁদাতে হয়, তা ভালোই জানা মারিয়ার, ‘গত সাফ যখন খেলেছিলাম, তখনো কিন্তু নেপালে অনেক দর্শক ছিল, অনেক চাপ ছিল। তারপরও আমরা তাদের সঙ্গে লড়াই করে মোকাবিলা করেছি। মানসিকভাবে আমরা সবকিছুর প্রস্তুতি নিচ্ছি। যেকোনো পরিস্থিত
২ ঘণ্টা আগে