
কোয়ার্টার ফাইনালের মঞ্চে পরীক্ষানিরীক্ষার ঝুঁকি নিতে চান না লিওনেল স্কালোনি। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাই আর্জেন্টিনা কোচ ভরসা রাখছেন আগের ম্যাচের সফল ছকেই। শেষ ষোলোয় মিসরের বিপক্ষে যে একাদশ দিয়ে শুরু করেছিলেন, কোয়ার্টার ফাইনালেও মাঠে নামছে সেই একই দল।
ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি বড় কোনো ইঙ্গিত না দিলেও পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন, দলে পরিবর্তন খুব একটা হবে না। তিনি বলেছিলেন, ‘আগেও কয়েকবার একই দল খেলিয়েছি। এবারও সেটি হতে পারে। কিছু পরিবর্তনের সম্ভাবনা অবশ্য সব সময়ই থাকে, তবে আপাতত আগের ম্যাচের দলটাই সবচেয়ে কাছাকাছি।’
মিসরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনাকে বেশির ভাগ সময় পিছিয়ে থেকে খেলতে হলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বেশির ভাগ সময় নিজেদের কাছেই ছিল। একের পর এক গোলের সুযোগও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে না পারা এবং রক্ষণে কয়েকটি ভুলই ম্যাচটি কঠিন করে তোলে। তাই পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট স্কালোনি জয়ের ফর্মুলা বদলাতে চাননি।
দলের ভেতরে অবশ্য দুটি জায়গা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। নাউয়েল মলিনার বদলে গনসালো মন্তিয়েলকে খেলানোর সম্ভাবনা ছিল। আর মাঝমাঠে আলেক্সিস মাক আলিস্তারের জায়গায় নিকো গনসালেসকে নামানোর বিষয়টিও বিবেচনায় আসে। শেষ পর্যন্ত কোনো পরিবর্তনই করা হয়নি।
সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশ: এমিলিয়ানো মার্তিনেস; নাউয়েল মলিনা, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেস, নিকোলাস তালিয়াফিকো; রদ্রিগো দে পল, এনসো ফের্নান্দেস, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস মাক আলিস্তার; লিওনেল মেসি ও হুলিয়ান আলভারেস।

তবে পরে এক বিবৃতিতে ফিফা জানায়, বলের ভেতরে থাকা ‘কানেক্টেড বল’ প্রযুক্তির সেন্সর বিশ্লেষণে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, যা থেকে বোঝা যায় বলটি তারে লেগেছিল। ফিফার ভাষ্য, বল বাতাসে থাকার সময় সেন্সরের তথাকথিত ‘বলস হার্টবিট’-এ কোনো অতিরিক্ত সংকেত ধরা পড়েনি। ফলে বলের গতিপথ তারে লেগে বদলে গেছে—এমন দাব
২ মিনিট আগে
এনিয়ে বিশ্বকাপে প্রথম ফুটবলার হিসেবে ১০ অ্যাসিস্টের মাইলফলক ছুঁলেন মেসি।
৬ মিনিট আগে
৮ বছর পর সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ হবে আর্জেন্টিনা–সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচের জয়ী দল। তবে টুখেলের চোখে এখনই উৎসবের সময় নয়। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, ‘আমাদের হাতে মাত্র তিন দিন সময়। সেমিফাইনালে যেতে হলে আজকের চেয়ে অনেক ভালো খেলতে হবে।’
১ ঘণ্টা আগে
নকআউটের মঞ্চে বড় খেলোয়াড়েরা নিজেদের আলাদা করে চেনান। জুড বেলিংহামও সেটিই করলেন। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে ইংল্যান্ডকে ম্যাচে ফেরানোর পর অতিরিক্ত সময়ে করলেন জয়সূচক গোল। তাঁর জোড়া গোলেই নরওয়ে রূপকথার ইতি টেনে ২-১ ব্যবধানের জয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড।
২ ঘণ্টা আগে