‘মানুষ বাঁচে তাঁর কর্মের মধ্যে’-সদ্য প্রয়াত পেলের ব্যাপারটা যেন এমনই। পেলেকে এখনো অনেকে নানাভাবে স্মরণ করছেন, শ্রদ্ধাঞ্জলি দিচ্ছেন। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি ফুটবলারকে নিয়ে অনেকে বিভিন্ন রকম স্মৃতিচারণ করছেন। কিংবদন্তির সতীর্থদের মতে, তিনি (পেলে) ভিন গ্রহের ফুটবলার।
আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৯২ ম্যাচ খেলেছিলেন পেলে। ৭৭ গোলের সঙ্গে অ্যাসিস্ট করেছিলেন ৩২ গোলে। যেখানে নেইমারের সঙ্গে ব্রাজিলের জার্সিতে যৌথ সর্বোচ্চ গোলদাতা এই কিংবদন্তি ফুটবলার। ব্রাজিলের পাঁচ বিশ্বকাপের তিনটিই এসেছে পেলের হাত ধরে। ১৯৫৮,১৯৬২, ১৯৭০-এই তিন বিশ্বকাপ জিতেছিলেন পেলে। এই সময়ে পেলের সতীর্থ ছিলেন হোসে মাসিয়া ও গার্সন ডি অলিভিয়েরা নুনেস। যেখানে ১৯৫৮ ও ১৯৬২ বিশ্বকাপে পেলের সঙ্গে খেলেছিলেন হোসে মাসিয়া এবং ১৯৭০ বিশ্বকাপে ছিলেন গার্সন।
গার্সন তুলনা প্রসঙ্গে লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, নেইমার, ম্যারাডোনার কথা বলেছেন। গার্সন বলেন, ‘লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, নেইমার, ম্যারাডোনা সবাই ব্যতিক্রমী, দুর্দান্ত খেলোয়াড় তবে তারা মানুষ। পেলে মানুষ না। সে (পেলে) শনি গ্রহ থেকে এসেছে।’
পেলের পুরো নাম এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো। গার্সনের মতে, এডসন মারা গেলেও পেলে অমর। ১৯৭০ বিশ্বকাপজয়ী এই ফুটবলার বলেন, ‘সে (পেলে) সবার সেরা, ফুটবলের রাজা। এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো মারা গিয়েছে কিন্তু পেলে শ্বাশ্বত।’
গত কয়েক বছর ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘদিন যুদ্ধ করছিলেন পেলে। এ বছরের ৩০ নভেম্বর কোলন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ব্রাজিলিয়ান এই কিংবদন্তি। হাসপাতালে বসেই বিশ্বকাপ ফুটবল দেখেছিলেন। অবশেষে এই লড়াইয়ে হার মেনে গত পরশু ৮২ বছর বয়সে মারা যান ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি।

এই তো গত নভেম্বরের কথা। বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ খেলতে এসে ভারতীয় দলের সঙ্গে এসেছিলেন রায়ান উইলিয়ামস। ভারতীয় নাগরিকত্ব, পাসপোর্ট সবই ছিল তাঁর। কিন্তু ফিফার অনুমোদন না পাওয়ায় খেলতে পারেননি তিনি। সেই উইলিয়ামস ভারতের হয়ে অভিষেকেই আলোড়ন তুলেছেন।
৯ মিনিট আগে
জুন-জুলাইয়ে শুরু হচ্ছে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ। ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থে’র দামামা বেজে গেছে এরই মধ্যে। একই সময়ে চলবে ক্রিকেটের এক বৈশ্বিক টুর্নামেন্টও। ইংল্যান্ডে হবে ১২ দলের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট শেষে হবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) বার্ষিক সম্মেলন।
১ ঘণ্টা আগে
ফুটবল যে এমনই। বিশেষ করে নকআউট রাউন্ডের ম্যাচে একদিকে কোনো দল ভাসে আনন্দে। ঠিক তেমনই প্রতিপক্ষ দলে পড়ে যায় কান্নার রোল। মেক্সিকোর গুয়াদালুপ স্টেডিয়ামে আজ ইরাক-বলিভিয়া ম্যাচটা তেমনই। আন্ত:মহাদেশীয় প্লে-অফ ফাইনালে বলিভিয়াকে কাঁদিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের টিকিট কাটল ইরাক।
২ ঘণ্টা আগে
ঘড়ির কাঁটা ঘুরিয়ে ২০ বছর আগে ফিরে যাওয়া যাক। বার্লিনে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের উৎসবে মেতে উঠেছিল ইতালি। ব্রাজিলের পাঁচবারের শিরোপার পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চারবার শিরোপা জেতে আজ্জুরিরা। আন্দ্রে পিরলো, মার্কো মাতারাজ্জি, আলেহান্দ্রো দেল পিয়েরোরা ছিলেন সেই দলে। কিন্তু সেসব এখন অতীত।
৩ ঘণ্টা আগে