নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা: তীব্র দাবদাহের মধ্যে রাজধানীতে কিছুটা স্বস্তিদায়ক আবহাওয়া। হুটহাট বৃষ্টিতে একটু যেন শান্তির পরশ বয়ে গেছে নাগরিকদের মনে। বৈশাখের উত্তাপ শেষে ‘স্বস্তির’ এ বারিবর্ষণে উপকারটা হতে পারত দেশের ফুটবলেরও। সেই সুযোগ নিতে যেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) বড্ড অনীহা!
লকডাউনের সৌজন্যে বাংলাদেশ গেমস শেষে অন্তত ২০ দিনের বিশ্রাম পেয়েছিল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। অবশ্য এই সময়ে যতটুকু পরিচর্যা হওয়ার কথা মাঠের, সেটা যে হয়নি, খেলা দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। টানা খেলায় মাঠের গুরুত্বপূর্ণ অংশ অনেক আগে থেকেই ঘাসশূন্য। গোদের ওপর বিষফোড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্বল পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা। পুরোনো এই সমস্যা আগেও ছিল, এবারও এসেছে নতুন মোড়কে।
গত ৩০ এপ্রিল শুরু হওয়ার পর গত চার দিনে ১২টি ম্যাচ হয়েছে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। বৃষ্টির কারণে মাঠে সবুজাভ চেহারাটা ফিরেছে ঠিকই। তবে একটু ভালোভাবে লক্ষ করলেই দেখা যাবে এর পেছনের আসল কারণ। গত পরশু রাতে ভারী বর্ষণ হয়েছিল মাঠে, পানি নিষ্কাশনের অভাবে মাঠ ছিল কর্দমাক্ত। পানি না সরায় ঘাস বেড়েছে ঠিকই, যাদের জন্য মাঠ সেই খেলোয়াড়েরাই বেশ বেকায়দায়। একটি সতেজ মাঠের জন্য খেলোয়াড়দের আর্তনাদ দিন দিন বাড়ছেই।
এই বিপিএল ফুটবলে ভেন্যু ছিল চারটি। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ছাড়াও গাজীপুরের টঙ্গী, মুন্সিগঞ্জ ও কুমিল্লা স্টেডিয়ামের নাম আছে বিপিএল সূচিতে। লকডাউনে মুন্সিগঞ্জ-কুমিল্লা যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। একমাত্র বিকল্প ছিল টঙ্গীর শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়াম। যাতায়াতব্যবস্থার সমস্যা দেখিয়ে কয়েকটি দল খেলতে রাজি হয়নি সেখানে। নিরুপায় বাফুফে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামকে ম্যাচের পর ম্যাচ দিয়ে পিষ্ট করার পথই বেছে নিয়েছে!
শুধু খেলাই নয়, বাইরের অত্যাচারও নিয়মিত সইতে হয় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামকে। এ মাঠ যেন ব্যবসায়ীদের মিলনমেলা, কনসার্টের ভেন্যু; ক্ষেত্র বিশেষ ধনাঢ্যের পারিবারিক অনুষ্ঠানের রঙিন মঞ্চও! খেলা থেকে বিশ্রাম মিললেও জাতীয় ক্রীড়া সংস্থার অবাক খেয়ালে সত্যিকারের চাপে পিষ্ট বাংলাদেশের জাতীয় স্টেডিয়াম। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামকে খানিকটা রেহাই দিতে ফতুল্লা স্টেডিয়ামকে চেয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছে চিঠি দিয়েছিল বাফুফে। সাড়া মেলেনি। এই মৌসুমে খেলা হচ্ছে না নীলফামারী স্টেডিয়ামে। টঙ্গীর শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে চলছে আর্চারি ফেডারেশনের ক্যাম্পিং। সব দিক দিয়েই যেন হাত-পা বাঁধা বাফুফের।
বাফুফের হাতে বিকল্প যে নেই এমনও নয়। সূচিতে মাঠের সংখ্যা বাড়ানো অসম্ভব ছিল না। তবে গুঞ্জন আছে, ক্লাবগুলোর বাধাতেই বাড়ানো যাচ্ছে না মাঠের সংখ্যা। আর্থিক সংগতির দোহায় দিয়ে কয়েকটি ক্লাব খেলতে চায় না ঢাকার বাইরেও। এক মাঠের ওপর তাই যত অত্যাচার। এই ‘অত্যাচারিত’ মাঠে খেলতে গিয়ে খেলোয়াড়দের চোটে পড়ার ঝুঁকি যতই বাড়ুক, বাফুফের তা শুনতে বইয়েই গেছে!

ঢাকা: তীব্র দাবদাহের মধ্যে রাজধানীতে কিছুটা স্বস্তিদায়ক আবহাওয়া। হুটহাট বৃষ্টিতে একটু যেন শান্তির পরশ বয়ে গেছে নাগরিকদের মনে। বৈশাখের উত্তাপ শেষে ‘স্বস্তির’ এ বারিবর্ষণে উপকারটা হতে পারত দেশের ফুটবলেরও। সেই সুযোগ নিতে যেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) বড্ড অনীহা!
লকডাউনের সৌজন্যে বাংলাদেশ গেমস শেষে অন্তত ২০ দিনের বিশ্রাম পেয়েছিল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। অবশ্য এই সময়ে যতটুকু পরিচর্যা হওয়ার কথা মাঠের, সেটা যে হয়নি, খেলা দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। টানা খেলায় মাঠের গুরুত্বপূর্ণ অংশ অনেক আগে থেকেই ঘাসশূন্য। গোদের ওপর বিষফোড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্বল পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা। পুরোনো এই সমস্যা আগেও ছিল, এবারও এসেছে নতুন মোড়কে।
গত ৩০ এপ্রিল শুরু হওয়ার পর গত চার দিনে ১২টি ম্যাচ হয়েছে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। বৃষ্টির কারণে মাঠে সবুজাভ চেহারাটা ফিরেছে ঠিকই। তবে একটু ভালোভাবে লক্ষ করলেই দেখা যাবে এর পেছনের আসল কারণ। গত পরশু রাতে ভারী বর্ষণ হয়েছিল মাঠে, পানি নিষ্কাশনের অভাবে মাঠ ছিল কর্দমাক্ত। পানি না সরায় ঘাস বেড়েছে ঠিকই, যাদের জন্য মাঠ সেই খেলোয়াড়েরাই বেশ বেকায়দায়। একটি সতেজ মাঠের জন্য খেলোয়াড়দের আর্তনাদ দিন দিন বাড়ছেই।
এই বিপিএল ফুটবলে ভেন্যু ছিল চারটি। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম ছাড়াও গাজীপুরের টঙ্গী, মুন্সিগঞ্জ ও কুমিল্লা স্টেডিয়ামের নাম আছে বিপিএল সূচিতে। লকডাউনে মুন্সিগঞ্জ-কুমিল্লা যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। একমাত্র বিকল্প ছিল টঙ্গীর শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়াম। যাতায়াতব্যবস্থার সমস্যা দেখিয়ে কয়েকটি দল খেলতে রাজি হয়নি সেখানে। নিরুপায় বাফুফে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামকে ম্যাচের পর ম্যাচ দিয়ে পিষ্ট করার পথই বেছে নিয়েছে!
শুধু খেলাই নয়, বাইরের অত্যাচারও নিয়মিত সইতে হয় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামকে। এ মাঠ যেন ব্যবসায়ীদের মিলনমেলা, কনসার্টের ভেন্যু; ক্ষেত্র বিশেষ ধনাঢ্যের পারিবারিক অনুষ্ঠানের রঙিন মঞ্চও! খেলা থেকে বিশ্রাম মিললেও জাতীয় ক্রীড়া সংস্থার অবাক খেয়ালে সত্যিকারের চাপে পিষ্ট বাংলাদেশের জাতীয় স্টেডিয়াম। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামকে খানিকটা রেহাই দিতে ফতুল্লা স্টেডিয়ামকে চেয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছে চিঠি দিয়েছিল বাফুফে। সাড়া মেলেনি। এই মৌসুমে খেলা হচ্ছে না নীলফামারী স্টেডিয়ামে। টঙ্গীর শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে চলছে আর্চারি ফেডারেশনের ক্যাম্পিং। সব দিক দিয়েই যেন হাত-পা বাঁধা বাফুফের।
বাফুফের হাতে বিকল্প যে নেই এমনও নয়। সূচিতে মাঠের সংখ্যা বাড়ানো অসম্ভব ছিল না। তবে গুঞ্জন আছে, ক্লাবগুলোর বাধাতেই বাড়ানো যাচ্ছে না মাঠের সংখ্যা। আর্থিক সংগতির দোহায় দিয়ে কয়েকটি ক্লাব খেলতে চায় না ঢাকার বাইরেও। এক মাঠের ওপর তাই যত অত্যাচার। এই ‘অত্যাচারিত’ মাঠে খেলতে গিয়ে খেলোয়াড়দের চোটে পড়ার ঝুঁকি যতই বাড়ুক, বাফুফের তা শুনতে বইয়েই গেছে!

কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের মূল ফটক দিয়ে ঢুকলেই চোখে পড়বে ঝালমুড়ি-ভেলপুরির অস্থায়ী দোকান। সেসব খাবার আবার সানন্দে খাচ্ছে নারী ফুটবলাররা। হোক সেটা ম্যাচের আগে কিংবা পরে।
২৩ মিনিট আগে
চতুর্থবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি আসছে বাংলাদেশে। আজ সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপ ট্রফি। এর আগে ২০০২, ২০১৪ ও ২০২২ বিশ্বকাপ সামনে রেখেও ট্রফি এসেছিল ঢাকায়। এবারের সফরে ফিফার প্রতিনিধি হিসেবে সঙ্গে আছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা।
১ ঘণ্টা আগে
রিয়াল মাদ্রিদে কেন টিকতে পারলেন না জাভি আলোনসো। রিয়ালের ‘ঘরের ছেলে’ জাবি আলোনসো কোচ হিসেবে যদি টিকতে না পারেন, তাহলে বাইরে থেকে আসা কোচ কীভাবে কাজ করবেন বার্নাব্যুতে!
১ ঘণ্টা আগে
২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেই সুযোগটা পেলেন কোথায়! বৃষ্টির বাগড়ায় টুর্নামেন্টের আগে নিজেদের ঠিকমতো ঝালিয়ে নিতে পারলেন না তামিম-জাওয়াদ আবরাররা।
১৩ ঘণ্টা আগে