
ক্লাব ফুটবলে ৫০০, ৬০০ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড অনেক ফুটবলারের আছে। আর সেঞ্চুরির রেকর্ড তো অহরহ ফুটবলারের আছে। কিন্তু জয়ের হিসাবটা যদি দেশের হয়ে করা হয়, তাহলে তালিকাটা অনেক সংক্ষিপ্ত হবে। আন্তর্জাতিক ম্যাচে জয়ের ‘সেঞ্চুরি’ গড়েছেন এমন ফুটবলার পাওয়া যাবে হাতে গোনা কয়েক জন। সব মিলিয়ে দেশের হয়ে ছয়জন ফুটবলার শততম জয় পেয়েছেন।
‘সেঞ্চুরি’র তালিকায় সর্বশেষ নামটি হচ্ছে লিওনেল মেসির। গতকাল জ্যামাইকার বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ের ম্যাচটি ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের শততম জয়। জোড়া গোল করে রেকর্ডের ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রেখেছেন আর্জেন্টাইন তারকা। দেশের হয়ে ১৬৪ ম্যাচ খেলে জয়ের সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। মেসির আগে এমন কীর্তি আরও পাঁচজন ফুটবলার গড়েছেন।
জয়ের হিসাবে সবার ওপরে আছেন সার্জিও রামোস। ১৮০ ম্যাচে ১৩১ জয় নিয়ে শীর্ষে আছেন স্পেনের সাবেক এই অধিনায়ক। দ্বিতীয় স্থানে আছেন তাঁরই স্বদেশি ইকার ক্যাসিয়াস। স্পেনের সাবেক এই গোলকিপার ম্যাচ খেলেছেন ১৬৭টি। এর মধ্যে ১২১ ম্যাচে জয় পেয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই কিংবদন্তি। তালিকার ৩ নম্বরে আছেন বর্তমান যুগের অন্যতম ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পর্তুগিজ তারকা ১১৩ ম্যাচে জয় পেয়েছেন ১৯১ ম্যাচে অংশগ্রহণ করে। আন্দ্রেস গুয়ারদাদো আছেন ৪ নম্বরে। মেক্সিকোর সাবেক এই মিডফিল্ডার ১৭৯ ম্যাচের বিপরীতে জয় পেয়েছেন ১০২টিতে। আর মেসির সঙ্গে যৌথভাবে পাঁচে আছেন তাঁর সাবেক ক্লাব বার্সেলোনা সতীর্থ জাভি হার্নান্দেজ। ১৩৩ ম্যাচে ১০০ জয় পেয়েছেন স্পেনের সাবেক এই মিডফিল্ডার।
জাতীয় দলের হয়ে ‘সেঞ্চুরি’র কীর্তি গড়া ছয়জন ফুটবলারের মধ্যে ইতিমধ্যে তিনজন অবসর নিয়েছেন। তাই ক্যাসিয়াস, গুয়ারদাদো ও জাভিদের আর সুযোগ থাকছে না নিজের কীর্তি বাড়িয়ে নেওয়ার। তবে এখনো দেশের হয়ে খেলে যাওয়া রামোস, রোনালদো ও মেসির কাছে সুযোগ থাকছে নিজেদের জয়ের রেকর্ডকে আরও বাড়িয়ে কিংবা অন্যদের থেকে এগিয়ে যাওয়ার।
ফুটবল খেলার খবর আরও পড়ুন:

ক্লাব ফুটবলে ৫০০, ৬০০ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড অনেক ফুটবলারের আছে। আর সেঞ্চুরির রেকর্ড তো অহরহ ফুটবলারের আছে। কিন্তু জয়ের হিসাবটা যদি দেশের হয়ে করা হয়, তাহলে তালিকাটা অনেক সংক্ষিপ্ত হবে। আন্তর্জাতিক ম্যাচে জয়ের ‘সেঞ্চুরি’ গড়েছেন এমন ফুটবলার পাওয়া যাবে হাতে গোনা কয়েক জন। সব মিলিয়ে দেশের হয়ে ছয়জন ফুটবলার শততম জয় পেয়েছেন।
‘সেঞ্চুরি’র তালিকায় সর্বশেষ নামটি হচ্ছে লিওনেল মেসির। গতকাল জ্যামাইকার বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ের ম্যাচটি ছিল তাঁর ক্যারিয়ারের শততম জয়। জোড়া গোল করে রেকর্ডের ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রেখেছেন আর্জেন্টাইন তারকা। দেশের হয়ে ১৬৪ ম্যাচ খেলে জয়ের সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। মেসির আগে এমন কীর্তি আরও পাঁচজন ফুটবলার গড়েছেন।
জয়ের হিসাবে সবার ওপরে আছেন সার্জিও রামোস। ১৮০ ম্যাচে ১৩১ জয় নিয়ে শীর্ষে আছেন স্পেনের সাবেক এই অধিনায়ক। দ্বিতীয় স্থানে আছেন তাঁরই স্বদেশি ইকার ক্যাসিয়াস। স্পেনের সাবেক এই গোলকিপার ম্যাচ খেলেছেন ১৬৭টি। এর মধ্যে ১২১ ম্যাচে জয় পেয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের এই কিংবদন্তি। তালিকার ৩ নম্বরে আছেন বর্তমান যুগের অন্যতম ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। পর্তুগিজ তারকা ১১৩ ম্যাচে জয় পেয়েছেন ১৯১ ম্যাচে অংশগ্রহণ করে। আন্দ্রেস গুয়ারদাদো আছেন ৪ নম্বরে। মেক্সিকোর সাবেক এই মিডফিল্ডার ১৭৯ ম্যাচের বিপরীতে জয় পেয়েছেন ১০২টিতে। আর মেসির সঙ্গে যৌথভাবে পাঁচে আছেন তাঁর সাবেক ক্লাব বার্সেলোনা সতীর্থ জাভি হার্নান্দেজ। ১৩৩ ম্যাচে ১০০ জয় পেয়েছেন স্পেনের সাবেক এই মিডফিল্ডার।
জাতীয় দলের হয়ে ‘সেঞ্চুরি’র কীর্তি গড়া ছয়জন ফুটবলারের মধ্যে ইতিমধ্যে তিনজন অবসর নিয়েছেন। তাই ক্যাসিয়াস, গুয়ারদাদো ও জাভিদের আর সুযোগ থাকছে না নিজের কীর্তি বাড়িয়ে নেওয়ার। তবে এখনো দেশের হয়ে খেলে যাওয়া রামোস, রোনালদো ও মেসির কাছে সুযোগ থাকছে নিজেদের জয়ের রেকর্ডকে আরও বাড়িয়ে কিংবা অন্যদের থেকে এগিয়ে যাওয়ার।
ফুটবল খেলার খবর আরও পড়ুন:

বাংলাদেশ-ভারতের শীতল সম্পর্কের ছাপ ক্রিকেটেও। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুই দেশের প্রথম ম্যাচে টসের পর হাতে হাত মেলালেন না দুই দলের অধিনায়ক। ব্যাপারটা রীতিমতো বিস্ময় হয়েই এসেছে সবার কাছে। এমন উত্তেজনার একটা আবহে শুরু হওয়া বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে নাটকীয়ভাবে (ডিএলএস মেথডে) আজ ১৮ রানে হার
৭ ঘণ্টা আগে
ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
৮ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
৮ ঘণ্টা আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
৯ ঘণ্টা আগে