
২৩ বছর পর লিগ জিতে গত মৌসুম শেষ করেছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। নতুন মৌসুমের দলবদলে তাই তাদের ওপরই চোখ বেশি। শুরুতে অবশ্য অবাক করে দলের দীর্ঘদিনের সৈনিক সুলেমান দিয়াবাতের সঙ্গে নতুন চুক্তি না করে। তবে মুজাফ্ফর মুজাফ্ফরভকে ধরে রেখেছে সাদা-কালোরা।
নতুন মৌসুমের জন্য অন্যান্য ক্লাব থেকেও প্রস্তাব পেয়েছিলেন মুজাফ্ফরভ। কিন্তু মোহামেডানকে ভালোবেসে থেকে যান তিনি। ফেসবুকে উজবেকিস্তানের এই মিডফিল্ডার বলেন, ‘আমি এ নিয়ে অনেক ভেবেছি, অন্য ক্লাব থেকেও প্রস্তাব পেয়েছিলাম। কিন্তু যে ক্লাবকে (মোহামেডান) আমি ভালোবাসি সেখানেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা আবারও চ্যাম্পিয়ন হব এবং মোহামেডানের হয়ে ইতিহাস লেখার ধারা চালিয়ে যাব।’
মোহামেডানের হয়ে গত প্রিমিয়ার লিগে ১৭ ম্যাচে ৩ গোলের পাশাপাশি ৯ অ্যাসিস্ট করেছেন মুজাফ্ফরভ। তাঁর চেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট করতে পারেননি আর কোনো ফুটবলার। মুজাফ্ফরভকে রেখে দেওয়ার পাশাপাশি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব আবাহনী লিমিটেড থেকে সুমন রেজাকে দলে ভেড়াচ্ছে মোহামেডান। গত মৌসুমে আবাহনীর হয়ে ৯ ম্যাচে ৩ গোল করেন সুমন। আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘মোহামেডানের সঙ্গে কথাবার্তা হয়েছে আমার। এখন টাঙ্গাইল আছি। ঢাকায় ফেরার চুক্তি সই করব।’
আর্থিক সংকটের কারণে গত মৌসুমে দল সাজাতে অনেক হিমশিম খেতে হয় আবাহনীর। তবু টেবিলের দুইয়ে থেকে লিগ শেষ করে তারা। এবার অবশ্য অনেকটা আটঘাট বেঁধেই নামছে। বসুন্ধরা কিংস থেকে দলে ভিড়িয়েছে শেখ মোরসালিনকে। মূলত গেমটাইমের কারণেই আবাহনীতে যোগ দিয়েছেন মোরসালিন। বসুন্ধরার সঙ্গে তিন বছরের সম্পর্কের ইতি টেনে তিনি বলেন, ‘এক স্মরণীয় অধ্যায়ের ইতি ঘটল। প্রতিটি মুহূর্ত, প্রতিটি শিক্ষা ও প্রতিটি উল্লাসের জন্য কৃতজ্ঞ। বসুন্ধরা কিংসকে ধন্যবাদ। সবসময় আমার গল্পের একটি অংশ হয়ে থাকবে তা।’
লিগে গত মৌসুমে শুরুর একাদশে কিংসের হয়ে নিয়মিত ছিলেন না মোরসালিন। ১০ ম্যাচ খেলে হ্যাটট্রিকসহ গোল করেছেন চারটি। তাও শেষ দুই ম্যাচে। গত মৌসুমে স্থানীয় ফুটবলারদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১০ গোল করা আল আমিন পুলিশ ছেড়ে যোগ দিচ্ছেন আবাহনীতে। গুঞ্জন আছে, ধানমন্ডির ক্লাবটিতে দেখা যেতে পারে ৬ বছর মোহামেডানে কাটানো দিয়াবাতেকেও। তাকে প্রস্তাব পাঠিয়েছে আবাহনী।
ঘরোয়া ফুটবলের মৌসুম শুরু হবে ১২ সেপ্টেম্বর। তবে আবাহনী অনুশীলন শুরু করছে আজই। ১২ আগস্ট এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপের প্লে অফে ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে কিরগিজস্তানের ক্লাব এফসি মুরাস ইউনাইটেডের মুখোমুখি হবে তারা।

ব্রাজিলের সমর্থক হলে এই পরিসংখ্যান আপনার অজানা থাকার কথা নয়। তাই ম্যাচের আগে মনের কোথাও না কোথাও একটু শঙ্কা থাকতেই পারে। তবে আপনার মনে যা-ই থাকুক, নিশ্চয় চাইবেন, মাঠে নামার সময় নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের মনে যেন নরওয়েকে কখনো হারাতে না পারার সেই পুরোনো দুঃস্মৃতি একবারের জন্যও ফিরে না আসে।
২ ঘণ্টা আগে
মায়ামির রাতটা শেষ হয়েছিল আর্জেন্টিনার উল্লাসে। গ্যালারিজুড়ে তখন আকাশি-সাদা পতাকার ঢেউ, মেসির নামধ্বনি আর শেষ ষোলো নিশ্চিত করার আনন্দ। কিন্তু মাঠের এক কোণে অন্য এক দৃশ্য ফুটে উঠছিল। চোখে জল নিয়ে মাটিতে বসে ছিলেন কেপ ভার্দের ফুটবলাররা।
২ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিল কখনোই নরওয়েকে হারাতে পারেনি। ব্রাজিলকে হারাতে পারলে সেটিকে কি এই বিশ্বকাপের বড় অঘটন বলা হবে? কোনো রাখঢাক না রেখেই উত্তর দিয়েছেন নরওয়ের কোচ, ‘হ্যাঁ, আমারও মনে হয়, সেটি একটি চমকই হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমার্ধে যারা ছিল ছন্নছাড়া, দ্বিতীয়ার্ধে তারাই হয়ে ওঠে নির্মম। আর কানাডা? সাহসী ফুটবল খেলেও শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও সুযোগ কাজে লাগানোর পার্থক্যেই থেমে গেল তাদের স্বপ্নের দৌড়। মরক্কো অবশ্য আরেকবার জানিয়ে দিল, ২০২২ সালের সেমিফাইনাল কোনো অঘটন ছিল না; বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে তারা এখনও সবচেয়ে কঠিন প্
৩ ঘণ্টা আগে