শেষ ওভারে জোড়া উইকেটর পতন আর আম্পায়ারের একটি ডেড বল সিদ্ধান্ত—সব মিলিয়ে বুলাওয়েতে মঞ্চস্থ হলো এক চরম নাটকীয়তা। সেই স্নায়ুযুদ্ধ জয় করে সিরিজের শেষ টি–টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ২–১ ব্যবধানে নিশ্চিত করেছে সিরিজও।
টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় জিম্বাবুয়ে। ম্যাচটি ছিল অধিনায়ক সিকান্দার রাজার জন্য ঐতিহাসিক, হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে টপকে তিনি এখন জিম্বাবুয়ের ইতিহাসে সব ফরম্যাট মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ক্রিকেটার।
শুরুতেই বেনেটের ক্যাচ মিস করে বাংলাদেশকে হতাশ করেছিলেন তানজিদ। তবে শেখ মেহেদী দ্রুতই মারুমানিকে (৪) ফিরিয়ে ব্রেকথ্রু এনে দেন। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে বেনেট ও ডিওন মায়ার্স মিলে জিম্বাবুয়েকে টেনে নেন অনেকটা। বেনেট ৪৭ রানে সাইফউদ্দিনের বলে বোল্ড হলে ভাঙে এই জুটি। ওয়ানডাউনে নামা মায়ার্স নিজের তৃতীয় ফিফটি তুলে নেন (৫৩ বলে ৭৩ রান)।
একপর্যায়ে মনে হচ্ছিল জিম্বাবুয়ের সংগ্রহটা ১৫০ ছাড়িয়ে যাবে। কিন্তু ডেথ ওভারে বাংলাদেশের পেসাররা দুর্দান্তভাবে ফিরে আসেন। তাসকিন আহমেদ ৪ ওভারে কোনো উইকেট না পেলেও মাত্র ১৬ রান দিয়ে চেপে ধরেন ব্যাটারদের। সাইফউদ্দিন ও আব্দুল গাফফার সাকলাইনের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শেষ ৪ ওভারে জিম্বাবুয়ে তুলতে পারে মাত্র ২৫ রান, ফলে তাদের ইনিংস থামে ৭ উইকেটে ১৪৩ রানে।
১৪৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই রিচার্ড এনগারাভার বলে পুল করতে গিয়ে শূন্য রানে ক্যাচ দিয়ে বসেন সাইফ হাসান। তবে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন তানজিদ ও পারভেজ হোসেন ইমন। দ্বিতীয় উইকেটে ৫৮ রানের জুটি গড়েন তারা। ইমন ২২ বলে ২৪ রান করে রাজার বলে আউট হন। এরপর অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়কে (২৪) সঙ্গে নিয়ে ম্যাচ জয়ের দিকে নিয়ে যান তানজিদ। ৪৫ বলে নিজের ১৩তম ফিফটি পূর্ণ করেন এই ওপেনার।
হৃদয় চলে যাওয়ার পর ম্যাচ রূপ নেয় নাটকীয়তায়। ১৯তম ওভারে এনগারাভা মাত্র ৪ রান দিয়ে ইয়াসির আলীকে (১০) ফিরিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন। শেষ ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৫ রান। জিম্বাবুয়ে স্লো ওভার রেটের কারণে একজন ফিল্ডার ৩০ গজের ভেতরে বেশি রাখতে বাধ্য হয়। বল হাতে নেন ব্র্যাড ইভান্স। প্রথম বলে তানজিদ ১ রান নিয়ে স্ট্রাইক দেন মোসাদ্দেককে। কিন্তু পরের বলেই ইভান্সের চমৎকার লো ফুলটস মোসাদ্দেকের (১) অফ স্টাম্প উড়িয়ে দেয়।
ঠিক তার পরের বলে ক্রিজে আসা সাইফউদ্দিনও ইভান্সের কাটারে ডিপ মিডউকেট দিয়ে ছক্কা মারতে গিয়ে রায়ান বার্লের হাতে ধরা পড়েন। হ্যাটট্রিকের সামনে দাঁড়িয়ে ইভান্স তখন জিম্বাবুয়েকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন, উল্লাসে ফেটে পড়েছে বুলাওয়ের গ্যালারি।
উত্তেজনার পারদ তখন তুঙ্গে। আট নম্বরে নামেন শেখ মেহেদী। জয়ের জন্য তখন ৩ বলে ৪ রান চাই বাংলাদেশের। ইভান্সের ফুলটস বল মেহেদীর প্যাডে লাগলে জিম্বাবুয়ে জোরাল এলবিডব্লিউর আবেদন করে। কিন্তু আম্পায়ার আগেই ডেলিভারিটি 'ডেড বল' ঘোষণা করেন, কারণ বল ছাড়ার মুহূর্তে একজন আউটফিল্ডার অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে নড়াচড়া করছিলেন। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মাঠে তানজিদ ও ইভান্সের মধ্যে বেশ উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়।
তবে সব চাপ ও বিতর্ক সামলে পরের বৈধ বলেই কাভারের ওপর দিয়ে চার মেরে ম্যাচ শেষ করেন মেহেদী। ২ বল বাকি থাকতেই ৪ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ। আর ৫৭ বলে ৬৫ রানে অপরাজিত থাকেন তানজিদ।

বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসের মাঝেও ফুটবলে নিজের প্রেরণা নেইমারকে ভুললেন না স্পেনের উইঙ্গার নিকো উইলিয়ামস। শিরোপা জয়ের পর সেটি ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতাকে উৎসর্গ করলেন এই তরুণ ফুটবলার।
৩৭ মিনিট আগে
বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্ন এবারও অপূর্ণই থেকে গেল লিওনেল মেসির। রানার্সআপের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়লেও বিশ্বকাপজুড়ে আর্জেন্টাইন মহাতারকার পারফরম্যান্সে মুগ্ধ গোটা ফুটবল বিশ্ব। বিশ্বকাপ শেষে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—রানার্সআপের কান্না কি আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির শেষ বিশ্বকাপের স্মৃতি হয়ে থাকবে? সুইডেনের কিংবদন
১ ঘণ্টা আগে
এবারের বিশ্বকাপে কেবল আর্জেন্টিনাই নয়, ফুটবলীয় নানান অভিশাপের বলি হয়েছে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মতো পরাশক্তিরাও। বিশেষ করে ফ্রান্স কাটা পড়েছে বহুল আলোচিত ‘ব্যালন ডি’অর’ অভিশাপে। ফুটবল ইতিহাসের এক অদ্ভুত পরিসংখ্যান বলছে, যে বছর বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়, তার আগের ব্যালন ডি’অরজয়ী তারকা কোনোভাবেই সেই বিশ্বকাপ
৪ ঘণ্টা আগে
নিউজার্সিতে আর্জেন্টিনা-স্পেন ফাইনাল শেষে যখন ক্যামেরার লেন্স লিওনেল মেসিকে খুঁজে নেয়, তখন তাঁর চোখ থেকে অঝোরে ঝরতে থাকে। হবে না-ই বা কেন? দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। ব্রাজিল-ইতালির পর টানা দুই বিশ্বকাপ জয়ের সুবর্ণ সুযোগ ছিল আর্জেন্টিনার সামনে। কিন্তু কাছাকাছি এসে স্বপ্নভঙ্গের বেদনায় কাঁদল
৫ ঘণ্টা আগে