
বিশ্বকাপজয়ী এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে কাছ থেকে পেয়েও দেখার সুযোগ হয়নি বাংলাদেশের মানুষের। গত মাসে অল্প সময়ের জন্য ঢাকায় এসেছিলেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক। মার্তিনেজ দেখতে না পারার আক্ষেপ মিটে যেতে পারে বাংলাদেশের ফুটবল প্রেমীদের। এবার বাংলাদেশে আসার সম্ভাবনা জেগেছে আরেক বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি রোনালদিনহোর।
আগামী মাসে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ মেতে উঠবে দুর্গা পূজার উৎসবে। সেই উৎসব বাড়িয়ে তুলতে পূজার আগে কলকাতায় আসার কথা আছে বার্সেলোনা ও ব্রাজিল কিংবদন্তি রোনালদিনহোর। সব ঠিক থাকলে পূজার আগে রোনালদিনহোর কলকাতায় আসার কথা নিশ্চিত করেছেন উদ্যোক্তা ও স্পোর্টস প্রোমোটর শতদ্রু দত্ত।
শতদ্রুর উদ্যোগে এর আগে বাংলাদেশে এসেছেন মার্তিনেজ। রোনালদিনহোর কী সেই সুযোগ আছে? আজকের পত্রিকার এমন প্রশ্নের জবাবে শতদ্রু বললেন, ‘আমরা তাঁকে বাংলাদেশেও আনতে পারি। এরই মধ্যে বাংলাদেশের দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথা বলেছি। পৃষ্ঠপোষক মিললে রোনালদিনহোর বাংলাদেশে আসার সুযোগ আছে।’
বিশ্ব ফুটবলের কিংবদন্তিদের ভারতে আনার ব্যাপারে শতদ্রুর সুনাম আছে। পেলে, ডিয়েগো ম্যারাডোনা, কাফুদের অতীতে কলকাতায় এনেছিলেন ৪৩ বছর বয়সী এই উদ্যোক্তা। সব ঠিক থাকলে ১৬,১৭ কিংবা ১৮ অক্টোবর রোনালদিনহোকে কলকাতায় আনতে চান শতদ্রু। পৃষ্ঠপোষক মিললে বার্সেলোনার হয়ে দুইবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীকে ঢাকায় আনার ব্যাপারে বেশ আশাবাদী তিনি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেই এখন আম্পায়ারিং করতে দেখা যায় শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতকে। চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁর সিদ্ধান্তকে খুব কম সময়েই বদলাতে পারেন ক্রিকেটাররা। আজ রিশাদ হোসেনও হার মেনে গেলেন সৈকতের কাছে।
২ ঘণ্টা আগে
বিয়ে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সম্প্রতি এক পোস্ট দেওয়ার পর ইমাম-উল-হক বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে গিয়েছেন। অনেকেই পাকিস্তানি তারকা ক্রিকেটারের বৈবাহিক জীবন নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে থাকেন। এবার তিনি মুখ খুলেছেন। পাকিস্তানি বাঁহাতি ব্যাটারের দাবি, অনেকেই না জেনে বুঝে কথাবার্তা বলেছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। ভেন্যু স্থানান্তরের দাবি থেকে সরে না আসায় ইরান এই ফুটবল মহাযজ্ঞে অংশ নেবে কি নেবে না, তা সূতোয় ঝুলছে। ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ দানিয়ালি জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা ক্রমশ কমছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ফুটবলের মাঠ রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলে সংঘর্ষ এত তীব্র আকার ধারণ করে যে লাল কার্ড তো দেখানো হয়ই। এমনকি বাধ্য হয়ে ম্যাচ বাতিল করা হয়। ফ্রান্সের ঘরোয়া ফুটবলেও দেখা গেছে তেমন তুলকালাম ঘটনা।
৫ ঘণ্টা আগে