বিশ্বকাপ ফুটবলের লোককাহিনিতে জায়গাটা প্রায় পাকাই করে ফেলেছিলেন ইনাকি উইলিয়ামস। শুধু একটা মাত্র শট নিতে পারলে হয়ে যেতেন ঘানার মানুষের চোখের মণি। বিশ্বকাপ ইতিহাসের হাতছানি আর নায়ক হওয়ার সুযোগটা ইনাকি নষ্ট করলেন কি না মাঠের ওপর হোঁচট খেয়ে! তাতেই মাথায় হাত দিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। হয়তোবা দুশ্চিন্তার কারণে মাথায় হাত উঠে গেছে পর্তুগিজ এই উইঙ্গারের।
গতকাল ৯৭৪ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় পর্তুগাল-ঘানা। এই ম্যাচ দিয়ে নিজের পঞ্চম বিশ্বকাপ খেলতে নামেন রোনালদো। ম্যাচের ৬৫ মিনিটে পেনাল্টিতে গোল করেন রোনালদো। তাতে পাঁচ বিশ্বকাপে গোল করা একমাত্র ফুটবলার বনে গেলেন পর্তুগিজ এই ফুটবলার। রোনালদোর গোলের পর ৭৩ মিনিটে ঘানাকে সমতায় ফেরান আন্দ্রে আউই। এরপর ৭৮ ও ৮০ মিনিটে হোয়াও ফেলিক্স ও রাফায়েল লিও গোল করলে পর্তুগাল এগিয়ে যায় ৩-১ গোলে। এরপর ৮৯ মিনিটে ঘানার ওসমান বুকারি গোল করে ব্যবধান কমান। আর অতিরিক্ত সময়ের শেষ দিকে এসে ইনাকি সমতা (৩-৩) করার সুযোগ পেলেও মাঠে আছাড় খেয়ে পড়েন। এ দৃশ্য দেখেই মাথায় হাত উঠে গেছে রোনালদোর।
রোনালদোর এই মাথায় হাত দেওয়ার দৃশ্য রীতিমতো ভাইরাল হয়ে গেছে। অনেক ফুটবল বিশ্লেষকও এ নিয়ে আলোচনা করেছেন। বিখ্যাত ফুটবল বিশেষজ্ঞ রয় কিন বলেন, ‘আমরা আজ (বৃহস্পতিবার) রাতে পর্তুগালের সেরা ও বাজে খেলা দুটোই দেখেছি। একবার রোনালদোর চেহারার দিকে তাকান। হায় ঈশ্বর।’
পর্তুগালের জার্সিতে এখন পর্যন্ত ১৯২ ম্যাচে ১১৮ গোল করেছেন রোনালদো। বিশ্বকাপে ১৮ ম্যাচে ৮ গোল করেন পর্তুগিজ এই তারকা স্ট্রাইকার।

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর মঞ্চে প্রায় অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছে আর্জেন্টিনা। ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা দলটি ১৩ মিনিটে তিনটি গোল করে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়েছে মিসরকে। রুদ্ধশ্বাস এই প্রত্যাবর্তনের পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি।
২১ মিনিট আগে
সবশেষ কোয়ার্টার ফাইনাল হবে ১২ জুলাই বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড। মিসরের বিপক্ষে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে ৩–২ ব্যবধানে জিতে শেষ আটে উঠেছে লিওনেল মেসির দল। গোলশূন্য ম্যাচের টাইব্রেকারে কলম্বিয়া
৩ ঘণ্টা আগে
টাইব্রেকারে প্রথম শটেই গোল করেন কুইন্তেরো। সুইজারল্যান্ডের হয়ে জবাব দেন গ্রানিত জাকা। এরপর কলম্বিয়ার দাভিনসন সানচেসের শট ক্রসবারে লাগে, আর জেকি আমদুনি গোল করে সুইসদের এগিয়ে দেন। যদিও ম্যানুয়েল আকাঞ্জি নিজের শট বারের ওপর দিয়ে মারায় সমতায় ফেরার সুযোগ পায় কলম্বিয়া। কিন্তু কুচো হার্নান্দেসের শট
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য মেসির জন্য সুখকর ছিল না। প্রথমার্ধে তাঁর নেওয়া পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইর। কিন্তু শেষ দিকে অধিনায়কের পা থেকেই আসে সমতাসূচক গোল। এরপর যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে অবিশ্বাস্য এক প্রত্যাবর্তন লিখে ফেলে আর্জেন্টিনা।
৪ ঘণ্টা আগে