
একই দিনে প্রায় কাছাকাছি সময়ে মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ দেখল আবাহনী লিমিটেড। মিরপুরে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে মোহামেডানকে হারিয়ে প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আনন্দে ভাসছে আকাশি-নীল জার্সির ক্রিকেটাররা। আর ১২২ কিলোমিটার দূরে ময়মনসিংহ জেলা স্টেডিয়ামে বেদনায় পুড়ছে ধানমন্ডির ক্লাবটির ফুটবল দল। ফেডারেশন কাপের ফাইনালে আবাহনীকে টাইব্রেকারে ৫-৩ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বসুন্ধরা কিংস।
ময়মনসিংহে আজ ফাইনালের আয়োজনটা ছিল সংক্ষিপ্ত। কারণ একই ফাইনাল মাঠে গড়ায় গত মঙ্গলবারেও। কিন্তু ঝড়-বৃষ্টি ও আলোকস্বল্পতার কারণে সেদিন শেষ করা যায়নি ম্যাচটি। বাকি থাকে অতিরিক্ত সময়ের ১৫ মিনিটের খেলা। এই ১৫ মিনিটেই একজন বেশি খেলার সুবিধা নিয়ে ম্যাচটি শেষ করতে চেয়েছিল আবাহনী। কিন্তু দুই দলের কেউই সেভাবে আক্রমণ সাজাতে পারেনি। এর মধ্যে তিনবার হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। এর আগে ১০৫ মিনিটে দেখিয়েছিলেন ১১টি হলুদ কার্ড। ১২০ মিনিট ১-১ ব্যবধানে শেষ হলে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে।
যেখানে নায়ক বনে যান বসুন্ধরার গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ। আবাহনীর এমেকা ওগবুহর শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন তিনি। সেই খুশিতে নাচতে থাকেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেসের মতো। এরপর ঠেকিয়েছিলেন মিরাজুলের শটও, কিন্তু তাঁর ভুলের কারণে পেনাল্টিটি আবার নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। শ্রাবণ সেই শট ফেরাতে পারেননি অবশ্য, তবে বসুন্ধরাকে তেমন অসুবিধায় পড়তে হয়নি। দাসিয়েল সান্তোসের নেওয়া শেষ শটটি জালে জড়ালে উৎসবের গান গায় তারা।
দাসিয়েলের আগে টাইব্রেকারে বসুন্ধরার হয়ে গোল করেন ইনসান হোসেন, তপু বর্মন, শেখ মোরসালিন ও জনাথন ফার্নান্দেজ। মিরাজুলসহ আবাহনীর হয়ে গোলের দেখা পান রাফায়েল অগুস্তো ও সবুজ হোসেন। কিন্তু দ্বিতীয় শট নিতে গিয়ে ভুলটি করেন এমেকা।
গত মঙ্গলবার ময়মনসিংহে মঙ্গলবার ১০৫ মিনিটের ফাইনাল অমীমাংসিত ছিল ১-১ সমতায়। গোল দুটি অবশ্য নির্ধারিত ৯০ মিনিটের প্রথমার্ধে হয়েছে । ষষ্ঠ মিনিটে সাদ উদ্দিনের ফ্রি-কিক থেকে হুয়ান লেসকানোর গোলে এগিয়ে যায় বসুন্ধরা। কিন্তু ম্যাচের ১৫ মিনিটে আবাহনীকে সমতায় ফেরান মোহাম্মদ ইব্রাহিম । এমেকা ওগবুহর চুলচেরা পাসে টোকা মেরে জাল কাঁপান তিনি। ঝড়ের কারণে ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট বন্ধ থাকে খেলা । পরে ভেজা মাঠে খেলা শুরু হলেও আর কোনো গোল হয়নি। তবে ১০২ মিনিটের মাথায় ফয়সাল আহমেদ ফাহিম লাল কার্ড দেখলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বসুন্ধরা।
স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইট না থাকায় ১০৫ মিনিটের পর সেদিন রেফারি খেলা চালানো আর সম্ভব মনে করেননি। আবাহনী অবশ্য খেলতে চেয়েছিল। তবে রেফারির সিদ্ধান্ত খুশিমনে মেনে নেয় বসুন্ধরা। এক সপ্তাহ পর টাইব্রেকার রোমাঞ্চে শিরোপা ধরে রেখে চতুর্থবার চ্যাম্পিয়ন হলো তারা।

ব্রাজিলের সমর্থক হলে এই পরিসংখ্যান আপনার অজানা থাকার কথা নয়। তাই ম্যাচের আগে মনের কোথাও না কোথাও একটু শঙ্কা থাকতেই পারে। তবে আপনার মনে যা-ই থাকুক, নিশ্চয় চাইবেন, মাঠে নামার সময় নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের মনে যেন নরওয়েকে কখনো হারাতে না পারার সেই পুরোনো দুঃস্মৃতি একবারের জন্যও ফিরে না আসে।
২ ঘণ্টা আগে
মায়ামির রাতটা শেষ হয়েছিল আর্জেন্টিনার উল্লাসে। গ্যালারিজুড়ে তখন আকাশি-সাদা পতাকার ঢেউ, মেসির নামধ্বনি আর শেষ ষোলো নিশ্চিত করার আনন্দ। কিন্তু মাঠের এক কোণে অন্য এক দৃশ্য ফুটে উঠছিল। চোখে জল নিয়ে মাটিতে বসে ছিলেন কেপ ভার্দের ফুটবলাররা।
২ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিল কখনোই নরওয়েকে হারাতে পারেনি। ব্রাজিলকে হারাতে পারলে সেটিকে কি এই বিশ্বকাপের বড় অঘটন বলা হবে? কোনো রাখঢাক না রেখেই উত্তর দিয়েছেন নরওয়ের কোচ, ‘হ্যাঁ, আমারও মনে হয়, সেটি একটি চমকই হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমার্ধে যারা ছিল ছন্নছাড়া, দ্বিতীয়ার্ধে তারাই হয়ে ওঠে নির্মম। আর কানাডা? সাহসী ফুটবল খেলেও শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও সুযোগ কাজে লাগানোর পার্থক্যেই থেমে গেল তাদের স্বপ্নের দৌড়। মরক্কো অবশ্য আরেকবার জানিয়ে দিল, ২০২২ সালের সেমিফাইনাল কোনো অঘটন ছিল না; বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে তারা এখনও সবচেয়ে কঠিন প্
৩ ঘণ্টা আগে