
বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এমন ঘটনা বিরলই বল যায়। আলোকস্বল্পতার কারণে গতকাল পরিত্যক্ত হয় ফেডারেশন কাপের ফাইনাল। ম্যাচে তখনো অতিরিক্ত সময়ের শেষ ১৫ মিনিট বাকি ছিল। কিন্তু এর আগেই পরিত্যক্তের ঘোষণা দেন রেফারি। যার ফলে অমীমাংসিত থেকে যায় বসুন্ধরা কিংস ও আবাহনী লিমিটেডের মধ্যকার শিরোপার লড়াই।
ম্যাচের বাকি অংশের সূচি ঠিক করতেই আজ জরুরি সভায় বসেছিল পেশাদার লিগ কমিটি। সভা শেষে লিগ কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান জাকির হোসেন চৌধুরী জানায়, আগামী ২৯ এপ্রিল বিকাল সাড়ে ৩টায় হবে ফেডারেশন কাপ ফাইনালের বাকি অংশ। ভেন্যু সেই ময়মনসিংহের রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া স্টেডিয়াম। ১৫ মিনিটের খেলা শেষে দুই দল সমতায় থাকলে ম্যাচ গড়াবে টাইব্রেকারে।
গতকাল ১০৫ মিনিট শেষে ১-১ সমতায় ছিল দুই দল। গোল দুটি অবশ্য নির্ধারিত ৯০ মিনিটের প্রথমার্ধে হয়েছে। ষষ্ঠ মিনিটে সাদ উদ্দিনের ফ্রি কিক থেকে হুয়ান লেসকানোর গোলে এগিয়ে যায় বসুন্ধরা। কিন্তু ম্যাচের ১৫ মিনিটে আবাহনীকে সমতায় ফেরান মোহাম্মদ ইব্রাহিম। এমেকা ওগবুহর চুলচেরা পাসে টোকা মেরে জাল কাঁপান তিনি। ঝড়ের কারণে এক ঘণ্টা ১০ মিনিট বন্ধ থাকে খেলা। পরে ভেজা মাঠে খেলা শুরু হলেও আর কোনো গোল হয়নি। তবে ১০২ মিনিটের মাথায় ফয়সাল আহমেদ ফাহিম লাল কার্ড দেখলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বসুন্ধরা।
স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইট না থাকার কারণে ১০৫ মিনিটের পর রেফারি খেলা চালানো আর সম্ভব মনে করেননি। আবাহনী অবশ্য খেলতে চেয়েছিল। তবে রেফারির সিদ্ধান্ত খুশিমনে মেনে নিয়েছে।

ব্রাজিলের সমর্থক হলে এই পরিসংখ্যান আপনার অজানা থাকার কথা নয়। তাই ম্যাচের আগে মনের কোথাও না কোথাও একটু শঙ্কা থাকতেই পারে। তবে আপনার মনে যা-ই থাকুক, নিশ্চয় চাইবেন, মাঠে নামার সময় নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের মনে যেন নরওয়েকে কখনো হারাতে না পারার সেই পুরোনো দুঃস্মৃতি একবারের জন্যও ফিরে না আসে।
২ ঘণ্টা আগে
মায়ামির রাতটা শেষ হয়েছিল আর্জেন্টিনার উল্লাসে। গ্যালারিজুড়ে তখন আকাশি-সাদা পতাকার ঢেউ, মেসির নামধ্বনি আর শেষ ষোলো নিশ্চিত করার আনন্দ। কিন্তু মাঠের এক কোণে অন্য এক দৃশ্য ফুটে উঠছিল। চোখে জল নিয়ে মাটিতে বসে ছিলেন কেপ ভার্দের ফুটবলাররা।
২ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিল কখনোই নরওয়েকে হারাতে পারেনি। ব্রাজিলকে হারাতে পারলে সেটিকে কি এই বিশ্বকাপের বড় অঘটন বলা হবে? কোনো রাখঢাক না রেখেই উত্তর দিয়েছেন নরওয়ের কোচ, ‘হ্যাঁ, আমারও মনে হয়, সেটি একটি চমকই হবে।’
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমার্ধে যারা ছিল ছন্নছাড়া, দ্বিতীয়ার্ধে তারাই হয়ে ওঠে নির্মম। আর কানাডা? সাহসী ফুটবল খেলেও শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা ও সুযোগ কাজে লাগানোর পার্থক্যেই থেমে গেল তাদের স্বপ্নের দৌড়। মরক্কো অবশ্য আরেকবার জানিয়ে দিল, ২০২২ সালের সেমিফাইনাল কোনো অঘটন ছিল না; বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে তারা এখনও সবচেয়ে কঠিন প্
৩ ঘণ্টা আগে