Ajker Patrika

বিশ্বকাপে দেশমকে ‘বিদায়ী উপহার’ দিতে চায় ফ্রান্স

ক্রীড়া ডেস্ক    
বিশ্বকাপে দেশমকে ‘বিদায়ী উপহার’ দিতে চায় ফ্রান্স
গুরু দেশমের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছেন দেম্বেলে। বিশ্বকাপে প্রতিপক্ষকে কীভাবে বধ করা যায়, সে আলোচনাই বোধহয় করছিলেন এই দুজন। ছবি: ইএসপিএন

বিশ্বকাপ শেষেই ফ্রান্সের দায়িত্ব ছাড়বেন দিদিয়ের দেশম। তবে তাঁর বিদায়ের বিষয়টি দলের জন্য কোনো চাপ বা বিভ্রান্তির কারণ হবে না বলেই জানিয়েছেন ফরাসি উইঙ্গার উসমান দেম্বেলে। বরং বিশ্বকাপে দারুণ কিছু করে দেশমের দীর্ঘ ও সফল দায়িত্বকালকে স্মরণীয় করে রাখতে চায় ফরাসিরা।

২০১২ সালে ফ্রান্সের দায়িত্ব নেন দেশম। টানা ১৪ বছর ধরে লে ব্লু’দের ডাগআউটে আছেন তিনি। দেশমের অধীনে ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের শিরোপা জেতে ফ্রান্স। সবশেষ কাতার বিশ্বকাপে রানার্সআপ হয় ইউরোপের পরাশক্তিরা। এ ছাড়া ২০২১ সালে জিতেছে উয়েফা নেশনস লিগ। দেশমের অধীনে চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ খেলবে ফ্রান্স। বর্তমানে জাতীয় দলের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় দায়িত্ব পালন করা কোচদের একজন দেশম।

ইএসপিএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দেম্বেলে বলেন, ‘আমরা জানি, এটি কোচের (দেশমের) শেষ বিশ্বকাপ। তিনি অত্যন্ত উচ্চমানের একজন কোচ, যিনি আমাদের দলের হয়ে অসংখ্য সাফল্য অর্জন করেছেন। অবশ্যই তাঁকে পেয়ে আমরা খুবই আনন্দিত। এর আগেও আমরা তাঁর অধীনেই বিশ্বকাপ খেলেছি।’

দেশমের প্রশংসা করে দেম্বেলে বলেন, ‘তাঁর (দেশম) বিদায় এই টুর্নামেন্টে আমাদের মানসিকতায় কোনো প্রভাব ফেলছে না। বরং আমরা তাঁর সঙ্গে ভালোভাবে শেষ করতে চাই, বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছাতে চাই। তিনি এমন একজন কোচ, যিনি ফরাসি দলের প্রতিটি খেলোয়াড়ের ওপর আস্থা রেখেছেন। ম্যাচের পর তিনি আমাদের অভিনন্দন জানান কিংবা অনুপ্রেরণা দেন। ব্যক্তিগতভাবে আমার ক্যারিয়ারে তিনি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ। আমরা তাঁর অধীনে ভালো কিছু করার চেষ্টা করব, কারণ তিনি সেটার যোগ্য।’

এবারের বিশ্বকাপে ‘আই’ গ্রুপে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ সেনেগাল, ইরান ও নরওয়ে। ১৭ জুন নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে সেনেগালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ফরাসিরা। ফেবারিটের তকমা গায়ে থাকলেও শিরোপার লড়াই যে সহজ হবে না, সেটিও মনে করিয়ে দিলেন দেম্বেলে।

দেম্বেলে বলেন, ‘এখানে অনেক ফেবারিট দল আছে। আমরা জানি, আর্জেন্টিনা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। তারা অবশ্যই এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট। ২০২৪ সালে ইউরো জেতা স্পেনও রয়েছে। ইংল্যান্ড, পর্তুগাল, জার্মানিও আছে। আবার ব্রাজিল, ইকুয়েডর, পর্তুগালের মতো কঠিন প্রতিপক্ষও রয়েছে। এটা খুবই কঠিন একটি টুর্নামেন্ট। ফেবারিট দল থাকতেই পারে। কিন্তু ম্যাচ শুরু হলে সেটা ১১ জনের বিপক্ষে ১১ জনের লড়াই। তখন আর কোনো ফেবারিট থাকে না। আমাদের মনোযোগ ধরে রাখতে হবে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত