
পারিবারিক সমস্যার প্রভাব খেলোয়াড়দের জীবনে পড়াটাই স্বাভাবিক। যত দৃঢ় মানসিকতার খেলোয়াড় সে হয়ে থাকুন না কেন, চাপ সামলে যতই পারফরম্যান্স করুন-একটু হলেও সেই সমস্যার প্রভাব দেখা যায় মাঠে। লুইস দিয়াজও তাঁর ব্যতিক্রম ছিলেন না। বাবা অপহরণ হওয়ার পর দারুণ পারফরম্যান্স করেছেন ঠিকই। তবু সেটার রেশ দেখা গেছে।
২৮ অক্টোবর কলম্বিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠী ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (ইএলএন) দিয়াজের বাবা ম্যানুয়েল দিয়াজকে অপহরণ করা হয়েছিল। অপহরণ হওয়ার পর গতকালই লিভারপুলের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলেছেন দিয়াজ। কেনিলওয়ার্থ রোডে লুটন টাউনের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে লিভারপুলের প্রথম একাদশে ছিলেন না ঠিকই। তবে ৮৩ মিনিটে রায়ান গ্র্যাভেনবার্কের বদলি হিসেবে নেমেছেন দিয়াজ। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত ৫ মিনিটে গোল করে সুপার সাবের দায়িত্ব পালন করেছেন দিয়াজ। কলম্বিয়ার স্ট্রাইকারের গোলে লুটন টাউনের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছিল লিভারপুল। গোল করার পর নিজের জার্সি উঁচিয়েছেন দিয়াজ। জার্সির নিচে পরা এক শার্টে স্প্যানিশ ভাষায় লেখা কথার বাংলা অর্থ, ‘বাবাকে মুক্তি দাও’। অপহৃত বাবাকে উদ্ধারের জন্য যে এই আকুতি, তা তো কারও বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।
দিয়াজ শুধু এখানেই থেমে থাকেননি। ম্যাচ শেষে সামাজিকমাধ্যমে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন। নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে কলম্বিয়ার স্ট্রাইকার লিখেছেন, ‘প্রতিটা সেকেন্ড, প্রতিটা মিনিট মানসিক যন্ত্রণার ভেতর দিয়ে কাটছে। আমি, আমার মা, ভাইয়েরা ভাষায় বোঝাতে পারছি না যে কতটা হতাশ আমরা। যন্ত্রণাদায়ক অপেক্ষা যেন দ্রুত শেষ হয়, তার জন্য অনুরোধ করছি। তাকে দ্রুত ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করুন।’
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী গত ২৮ অক্টোবর দিয়াজের বাবা ম্যানুয়েল দিয়াজ ও মা সিলেনিস মারুলান্দা গতকাল লা গুয়াজিরার এক সার্ভিস স্টেশনে গিয়েছিলেন। কলম্বিয়ার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় মোটরবাইক থেকে নেমে একদল দুর্বৃত্ত বন্দুকের মুখে ভয় দেখিয়ে অপহরণ করেছিল দিয়াজের মা বাবাকে। দিয়াজের মা সিলেনিস মারুলান্দাকে বারাঙ্কাসের পুলিশ উদ্ধার করতে পেরেছে বলে জানিয়েছেন কলম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি গুস্তাভো পেত্রো। তবে তাঁর (দিয়াজ) বাবাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে জানিয়ে তখনই কলম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি টুইট করেছেন, ‘আমরা তাঁর বাবার খোঁজের সন্ধানে আছি।’
দিয়াজের মা-বাবাকে উদ্ধারে কলম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এক বিবৃতিতে কার্যালয় বলেছে, ‘অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় যখনই জানতে পেরেছে কলম্বিয়ার খেলোয়াড় লুইস দিয়াজের মা-বাবার অপহরণের কথা, তখন থেকে অপহৃত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে প্রসিকিউটর, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর লোকেরা চেষ্টা করে যাচ্ছে। ঘটনার সত্যতা জেনে দোষীদের ধরার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে।’

পারিবারিক সমস্যার প্রভাব খেলোয়াড়দের জীবনে পড়াটাই স্বাভাবিক। যত দৃঢ় মানসিকতার খেলোয়াড় সে হয়ে থাকুন না কেন, চাপ সামলে যতই পারফরম্যান্স করুন-একটু হলেও সেই সমস্যার প্রভাব দেখা যায় মাঠে। লুইস দিয়াজও তাঁর ব্যতিক্রম ছিলেন না। বাবা অপহরণ হওয়ার পর দারুণ পারফরম্যান্স করেছেন ঠিকই। তবু সেটার রেশ দেখা গেছে।
২৮ অক্টোবর কলম্বিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠী ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (ইএলএন) দিয়াজের বাবা ম্যানুয়েল দিয়াজকে অপহরণ করা হয়েছিল। অপহরণ হওয়ার পর গতকালই লিভারপুলের হয়ে প্রথম ম্যাচ খেলেছেন দিয়াজ। কেনিলওয়ার্থ রোডে লুটন টাউনের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে লিভারপুলের প্রথম একাদশে ছিলেন না ঠিকই। তবে ৮৩ মিনিটে রায়ান গ্র্যাভেনবার্কের বদলি হিসেবে নেমেছেন দিয়াজ। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত ৫ মিনিটে গোল করে সুপার সাবের দায়িত্ব পালন করেছেন দিয়াজ। কলম্বিয়ার স্ট্রাইকারের গোলে লুটন টাউনের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছিল লিভারপুল। গোল করার পর নিজের জার্সি উঁচিয়েছেন দিয়াজ। জার্সির নিচে পরা এক শার্টে স্প্যানিশ ভাষায় লেখা কথার বাংলা অর্থ, ‘বাবাকে মুক্তি দাও’। অপহৃত বাবাকে উদ্ধারের জন্য যে এই আকুতি, তা তো কারও বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।
দিয়াজ শুধু এখানেই থেমে থাকেননি। ম্যাচ শেষে সামাজিকমাধ্যমে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন। নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে কলম্বিয়ার স্ট্রাইকার লিখেছেন, ‘প্রতিটা সেকেন্ড, প্রতিটা মিনিট মানসিক যন্ত্রণার ভেতর দিয়ে কাটছে। আমি, আমার মা, ভাইয়েরা ভাষায় বোঝাতে পারছি না যে কতটা হতাশ আমরা। যন্ত্রণাদায়ক অপেক্ষা যেন দ্রুত শেষ হয়, তার জন্য অনুরোধ করছি। তাকে দ্রুত ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করুন।’
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী গত ২৮ অক্টোবর দিয়াজের বাবা ম্যানুয়েল দিয়াজ ও মা সিলেনিস মারুলান্দা গতকাল লা গুয়াজিরার এক সার্ভিস স্টেশনে গিয়েছিলেন। কলম্বিয়ার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় মোটরবাইক থেকে নেমে একদল দুর্বৃত্ত বন্দুকের মুখে ভয় দেখিয়ে অপহরণ করেছিল দিয়াজের মা বাবাকে। দিয়াজের মা সিলেনিস মারুলান্দাকে বারাঙ্কাসের পুলিশ উদ্ধার করতে পেরেছে বলে জানিয়েছেন কলম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি গুস্তাভো পেত্রো। তবে তাঁর (দিয়াজ) বাবাকে উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে জানিয়ে তখনই কলম্বিয়ার রাষ্ট্রপতি টুইট করেছেন, ‘আমরা তাঁর বাবার খোঁজের সন্ধানে আছি।’
দিয়াজের মা-বাবাকে উদ্ধারে কলম্বিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এক বিবৃতিতে কার্যালয় বলেছে, ‘অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় যখনই জানতে পেরেছে কলম্বিয়ার খেলোয়াড় লুইস দিয়াজের মা-বাবার অপহরণের কথা, তখন থেকে অপহৃত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে প্রসিকিউটর, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর লোকেরা চেষ্টা করে যাচ্ছে। ঘটনার সত্যতা জেনে দোষীদের ধরার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
১৯ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
৩ ঘণ্টা আগে