
১৯৮৬ সালে ডিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’-এর কাহিনী জানেন না, এমন লোক খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। প্রায় ৪০ বছর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে তিনি যা করেছিলেন, তাঁর মৃত্যুর পরও সেটা নিয়ে চর্চা হচ্ছে।
এস্তাদিও আরবানা কালদেইরা স্টেডিয়ামে গত রাতে ব্রাজিলিয়ান সিরি ‘আ’-এর ম্যাচে নেইমার ফিরিয়ে এনেছেন ম্যারাডোনার সেই ঘটনা। বোতাফোগোর বিপক্ষে হাত দিয়ে গোল করার চেষ্টা করেন নেইমার। ৭৬ মিনিটে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড পেয়েছেন ম্যাচে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড। দুই হলুদ কার্ড মিলে লাল কার্ড হয়ে যায়। প্রথম হলুদ কার্ড ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড দেখেছেন প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে। বোতাফোগোর এক ফুটবলারকে ফাউল করাতে নেইমারকে দেখানো হয়েছে সেই হলুদ কার্ড।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, ৭৬ মিনিটে বোতাফোগোর গোলরক্ষক গ্যাব্রিয়েল ব্রাজাওকে ফাঁকি দিয়ে বলে ঘুষি মারেন নেইমার। ম্যাচে সেটা নেইমারের দ্বিতীয় হলুদ কার্ড হওয়ায় লাল কার্ড দেখেন তিনি। ম্যাচ শেষে সামাজিকমাধ্যমে ক্ষোভ ঝেরেছেন নেইমার। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লিখেছেন, ‘আমাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো হয়েছে, সেটা ঠিক। কিন্তু রেফারি যে প্রথম কার্ডেই রসিকতা করেছে। আমি একটা ফাউলের সঙ্গে সঙ্গেই হলুদ কার্ড। রেফারিং অনেক খারাপ ছিল। এটা শুধুমাত্রই আমার মতামত।’
নেইমার মাঠ ছাড়ার পরই গোলের দেখা পায় বোতাফোগো। ৮৬ মিনিটে গোল করেন আর্তুর ভিক্টর। সেই গোলেই শেষ পর্যন্ত সান্তোসের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বোতাফোগো। সিরি ‘আ’তে ৮ পয়েন্ট নিয়ে এখন পয়েন্ট তালিকার ১৮ নম্বরে সান্তোস। ১১ ম্যাচ খেলে নেইমারের দল জিতেছে ২ ম্যাচ। ড্র করেছে ২ ম্যাচ ও ৭ ম্যাচ হেরেছে। আর ১০ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে বোতাফোগো ৯ নম্বরে।
১৭ এপ্রিল চোটে পড়ে মাঠের বাইরে ছিটকে গিয়েছিলেন নেইমার। দেড় মাস পর বোতাফোগোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে ফিরেছেন। তবে ফেরাটাও মোটেই ভালো হলো না। লাল কার্ডের পাশাপাশি হজম করতে হলো সান্তোসের হার।

৪১-এ পা রেখেছেন গত ফেব্রুয়ারিতেই। এই বয়সে এসে ক্রিস্টিয়ান রোনালদো যে নিজের শেষ বিশ্বকাপ খেলছেন, সেটা বুঝতে কারও বাকি থাকার কথা না। তবে এই বিষয়ে এত দিন আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই বলেননি পর্তুগিজ অধিনায়ক। অবশেষে সবার কৌতুহল দূর করলেন রোনালদো।
৩৮ মিনিট আগে
অনেক কৌতুহলের পর কার্লো আনচেলত্তির ঘোষিত বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেলেও সিংহভাগ সময় ডাগআউটে বসেই কেটেছে নেইমারের। প্রথম ২ ম্যাচ বেঞ্চে বসে থাকার পর গ্রুপপর্বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ দিকে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন। এরপর সেরা ৩২-এর ম্যাচে জাপানের বিপক্ষে মাঠে নামা হয়নি তাঁর। নরওয়ের বিপক্ষে হেরে যাওয়া ম্যাচে
২ ঘণ্টা আগে
আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোল না হলে হয়তো নরওয়ের এই রাতের গল্পই লেখা হতো না। কিন্তু হালান্ড গোল করার আগেই যিনি নরওয়েকে ম্যাচে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন, তাঁর নাম অরইয়ান নিল্যান্ড। ১২ মিনিটে ব্রুনো গিমারেসের পেনাল্টি ঠেকানো থেকে শুরু করে বিরতির আগে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রদের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের উত্তেজনার মধ্
২ ঘণ্টা আগে
নরওয়ের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। তবে শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে গোল করে অন্তত ব্যক্তিগত লড়াইয়ে জিতেছেন নেইমার। নরওয়ের গোলরক্ষক অরইয়ান নিল্যান্ডের সঙ্গে পেনাল্টি নেওয়ার আগে ও পরে তাঁর কথার লড়াই এখন ভক্তদের আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে