
এক নরওয়ে-পর্তুগাল ম্যাচ নিয়েই ফুটবল জগত তোলপাড় করার মতো অবস্থা। ম্যাচের ফল নিয়ে নয়। বরং ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ইস্যুতে টালমাটাল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ৯০ মিনিট না খেলানোর প্রেক্ষিতে অনুশীলনের মাঝপথে চলে যাওয়া, এমনকি জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। পর্তুগাল কোচ জর্জ জেসুস কড়া বার্তা দিয়েছেন।
নরওয়ের বিপক্ষে ২৮ সেপ্টেম্বর পুরো ৯০ মিনিট বসানোর পরদিন ডেনমার্ক ম্যাচের আগে অনুশীলনের মাঝপথে হোটেলে ফিরে যান রোনালদো। ২৯ সেপ্টেম্বর এই ঘটনার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই সামাজিক মাধ্যমে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। গত পরশু রাতে ফেসবুক পোস্টে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছাড়ার ঘোষণা দেন তিনি। পরিস্থিতি সামাল দিতে রোনালদো, জেসুস এবং পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশনের (এফপিএফ) সভাপতি পাওলো প্রোয়েনসার মধ্যে বৈঠক হয়েছে। বৈঠক শেষে জেসুস বলেন, ‘নিয়ম সবার জন্য সমান। খেলোয়াড়দের ক্যারিয়ার, অতীত বিবেচনা করতে হয় কোচকে। কেউই আমার সিদ্ধান্ত বদলাতে পারবে না।’
কোপেনহেগেনে গত রাতে পর্তুগাল খেলেছে রোনালদোকে ছাড়াই। ডেনমার্ককে ৪-২ গোলে হারিয়েছে পর্তুগিজরা। তবে যে রোনালদো ইস্যু নিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত, তাঁকে নিয়ে প্রশ্ন না হয়ে কী করে পারে! ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে জেসুসের কাছেও রোনালদোকে নিয়ে প্রশ্ন এসেছে। তবে কোচ সেই ব্যাপারটা পুরোপুরি এড়িয়ে গেলেন। পর্তুগালের ৪-২ গোলের জয় নিয়ে জেসুস বলেন, ‘চার গোল করেছি। দুর্দান্ত এক জয়। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।’
ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার রোনালদো কি কিছু বলেছেন জেসুসকে—কোপেনহেগেনে গত রাতে নেশনস লিগের ম্যাচের পর কোচের কাছে এই প্রশ্নও এসেছে। তবে রোনালদোর ব্যাপার এড়িয়ে জেসুস বরং দলের পারফরম্যান্সকেই বেশি গুরুত্ব দেন। পর্তুগাল কোচ বলেন, ‘যা ঘটেছে (রোনালদো ইস্যু) সেটার চেয়েও এটা (ডেনমার্কের বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয়) বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এদিকেই বেশি মনোযোগ দিতে চাই। পর্তুগালে ফিরলে ভক্ত-সমর্থকেরা দ্রাগাও স্টেডিয়ামে একসঙ্গে দলকে সমর্থন করবেন।’
রোনালদোকে নিয়ে পুরো পর্তুগাল এখন দুই ভাগে বিভক্ত। ভক্ত-সমর্থকদের একটা অংশের কাছে তিনি ‘ভিলেন’ হলেও অন্যান্যদের সমর্থন পাচ্ছেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড। তবে রোনালদোর ঘটনা দলের মধ্যে কখনো বিভাজন সৃষ্টি করতে পারবে না বলে মনে করেন জেসুস। ডেনমার্কের বিপক্ষে ৪-২ গোলে জয়ের পর পর্তুগাল কোচ বলেন, ‘আমি প্রশ্নটা বুঝতে পেরেছি। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমাদের কী করতে হবে। যা কিছু ঘটেছে, তা দলকে বিভক্ত করেনি। ভবিষ্যতেও করবে না।’
কোপেনহেগেনে নেশনস লিগের ম্যাচে ডেনমার্ককে ৪-২ গোলে হারিয়েছে পর্তুগিজরা। ছয় গোল করেছেন ছয় ভিন্ন ফুটবলার। পর্তুগালের জোয়াও কানসেলো, গনসালো রামোস, ভিতিনহা, জোয়াও ফেলিক্স করেন গোল। ডেনমার্কের হয়ে লক্ষ্যভেদ করেন মিকেল ড্যামসগার্ড ও রাসমুস হয়লুন্দ।
সবশেষ ২০০৮ সালের ১৫ জুন ইউরোর গ্রুপ পর্বে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে পুরো ম্যাচ বেঞ্চে বসেছিলেন রোনালদো। সেই ম্যাচে পর্তুগাল ২-০ গোলে হেরেছিল। এরপর আন্তর্জাতিক ফুটবলে দীর্ঘ ১৮ বছর পর পুরো ৯০ মিনিট বেঞ্চে বসে থাকার ঘটনা ঘটেছে তাঁর সঙ্গে। সেই ম্যাচে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারায় পর্তুগাল। আর জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার ঘটনায় ৭০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে রোনালদোর।
২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ১৬ দিনের ফিফা উইন্ডোতে এরই মধ্যে তিন ম্যাচ খেলে ফেলেছে পর্তুগাল। আরও একটা ম্যাচ তাদের বাকি। পরশু রাতে নরওয়ের বিপক্ষে নেশনস লিগে ফের মুখোমুখি হবে পর্তুগাল। এবার পর্তুগিজরা আতিথেয়তা দেবে নরওয়েজীয়দের।

রাজনৈতিক বৈরিতার কারণে ১৩ বছর ধরে দ্বিপক্ষীয় সিরিজে মুখোমুখি হয় না ভারত-পাকিস্তান। এশিয়া কাপ, আইসিসি ইভেন্ট ছাড়া দুই চিরপ্রতিদন্দ্বীর ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। বরাবরের মতো ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপেও তাদের রাখা হয়েছে এক গ্রুপে। এমন অবস্থায় তিনবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
১৩ মিনিট আগে
নিকো পাস কি আর্জেন্টিনার পরবর্তী লিওনেল মেসি—গতকাল আর্জেন্টিনা-বলিভিয়া ম্যাচ শেষে চলছে এই আলোচনা। মেসির মতো গোল করেছেন পাস। পাশাপাশি সতীর্থকে দিয়েও পাস একটা গোল করিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে এত আলোচনার ভিড়ে তিনি যদি একটু আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমের দিকে তাকান, তাহলে জানতে পারবেন এক পুরস্কারের কথা।
২ ঘণ্টা আগে
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে নিয়ে ঝামেলার যেন শেষ নেই। অনুশীলনের মাঝপথে চলে যাওয়া, এমনকি টুর্নামেন্টের মাঝখানে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এবার পাশে দাঁড়ালেন এক ক্রীড়া বিষয়ক ওয়েবসাইটের সাংবাদিক। তাঁর দাবি পর্তুগিজ ফরোয়ার্ডের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
৯ গোল। নিজেদের ইতিহাসে বাংলাদেশের এত গোল হজম করেছে দুবার—১৯৭৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে, ১৯৮২ সালে ইরানের কাছে। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ৯–২ গোলে হারের পর সেই লজ্জা বলা যায় কানের পাশ দিয়ে চলে গেছ। ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ কোচ টমাস ডুলির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, এমন হার তাঁর কাছে কী অর্থ বহন করছে। উত্তরটা ছোট,
১৪ ঘণ্টা আগে