
আন্তর্জাতিক ফুটবলে হামজা চৌধুরীর ক্যারিয়ার কেবল ১৫ মাসের। এই সময়ের মধ্যেই তিনি বাংলাদেশ দলের প্রাণভোমরা হয়ে উঠেছেন। দেশে তো বটেই, বিদেশের মাঠেও বাংলাদেশের ম্যাচের সময় গ্যালারি ‘হামজা, হামজা’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে। অল্প সময়ে ছেলে যেভাবে খ্যাতি অর্জন করেছেন, তা দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারছেন না বাবা দেওয়ান চৌধুরী।
বাংলাদেশে হামজাকে ঘিরে উন্মাদনা, ঘরের মাঠে খেলার কিছু মুহূর্ত, বাংলাদেশের অবস্থা, তাঁর অনুশীলন, তাঁর মা-বাবার কথাবার্তা—সব কিছু মিলিয়ে তাঁর ক্লাব লেস্টার সিটি গত রাতে একটি প্রামাণ্য চিত্র বানিয়েছে। ভিডিওর এক পর্যায়ে হামজা উল্লেখ করেছেন নভেম্বরে ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে ভারত ম্যাচের আগে জাতীয় সংগীতের মুহূর্তের কথা স্মরণ করেছেন। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার বলেন, ‘ব্যাপারটা কিছুটা পরাবাস্তব মনে হচ্ছিল। জাতীয় সংগীতের সময় মুহূর্তের মধ্যে আমার অনেক স্মৃতি মনে পড়ে গেল। বাংলাদেশে আমার মনে রাখার মতো অনেক কিছু রয়েছে। বিশেষ করে ভারত ম্যাচের কথা মনে করতে পারি। সেই ম্যাচে আমাদের শরীরী ভাষা ছিল অন্যরকম।’
হামজা যে ম্যাচের কথা উল্লেখ করেছেন, সেই ম্যাচে ভারতকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। দীর্ঘ ২২ বছরের অপেক্ষা শেষে ফুটবলে প্রতিবেশী দেশের বিপক্ষে জয় পায় বাংলাদেশ। হামজা যেখানে শেষ করেছেন, সেখানেই শুরু করেছেন তাঁর বাবা দেওয়ান চৌধুরী। ছেলের কারণেই বাংলাদেশ ফুটবল প্রাণ ফিরে পেয়েছে বলে মনে করেন দেওয়ান। লেস্টার সিটির প্রচারিত প্রামাণ্যচিত্রে হামজার বাবা বলেন, ‘আমি চোখের পানি ধরে রাখতে পারছি না। ছেলে বাংলাদেশের হয়ে খেলছে। আমি অনেক গর্বিত। বাংলাদেশের ফুটবল অনেক দিন ধরে বাজে অবস্থায় ছিল। হামজার কারণে ফুটবলে জোয়ার ফিরেছে।’
বাংলাদেশের জার্সিতে হামজা ৯ ম্যাচে করেছেন ৪ গোল। অ্যাসিস্ট করেছেন এক গোলে। যাঁর মধ্যে ঘরের মাঠে গত বছরের নভেম্বরে জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রীতি ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে বাইসাইকেল কিক করে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন। লেস্টার সিটির প্রামাণ্যচিত্রে এই গোল নিয়ে জিজ্ঞেস করা হলে এটাকে সেরা গোল দাবি করেছেন হামজা। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার বলেন, ‘আমি জানতাম না আমার ওপর কী আসতে যাচ্ছে। পরে চিন্তা করলাম, কেন পারব না। সত্যিই অসাধারণ ছিল। এই ম্যাচে আমি যে গোলটি করেছি, সেটাই আমার সেরা গোল। গোল করার পর আমাদের পরিবারের চ্যাট গ্রুপে কিছু প্রতিক্রিয়া দেখে খুবই হাসি পেয়েছে। গোল করার পর আমি ভেবেছিলাম, তারা পাগলাটে উদযাপন করছেন।’
শিলংয়ে গত বছর এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক হয় হামজার। বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হলেও অভিষেকে যা করেছেন, তাতে রীতিমতো মুগ্ধ সবাই। লেস্টার সিটির গত রাতের প্রামাণ্যচিত্রে তিনি সেই ম্যাচের স্মৃতিচারণ করেছেন। ধীরে ধীরে হামজার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে দ্রুতই। বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপনে দেখা যায় তাঁর ছবি। প্রোমোশনাল বিজ্ঞাপনেও থাকেন অভিজ্ঞ এই ফুটবলার। ছেলের এমন জনপ্রিয়তা দেখে তাঁর মা-বাবা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন। আজ রাতে প্রীতি ম্যাচে বাংলাদেশকে আতিথেয়তা দেবে সান মারিনো। ইউরোপের দেশটির বিপক্ষে প্রাণভোমরার খেলা দেখতে উন্মুখ হয়ে আছেন বাংলাদেশের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী।

তামিম বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। আগে যা হতো—একেবারে শেষ মুহূর্তে সবকিছু করা হতো। আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো চূড়ান্ত করতে চাই, যাতে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে বা সরে দাঁড়ালে আমাদের হাতে বিকল্প খোঁজার মতো যথেষ্ট সময় থাকে। আমরা এ
৬ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে এখন ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং, বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করেছে ফিল সিমন্সের বাংলাদেশ।প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের এমন সম্ভাবনা যখন বাংলাদেশের সামনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কৌশল নিয়ে কৌতূহল জেগেছে অনেকের। তবে সিমন্স তা খোলাসা করেননি।
৭ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পরও প্রতিপক্ষকে নিয়ে কোনো বিস্ময় নেই অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশ যে ভালো দল, সেটি আগেই তাঁদের জানা ছিল। প্রথম দিনের পরই ম্যাচটা কঠিন হতে যাচ্ছে সেটিও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁরা।
৮ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। এবার তাদের সামনে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার হাতছানি। ম্যাকেতে পরশু শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টটা নিয়েই এখন ভাবনা প্রধান কোচ ফিল সিমন্স
৮ ঘণ্টা আগে